অতিরিক্ত জলসেচের কুফলগুলি কি কি?

জলসেচের ফলে কৃষির বিকাশ ঘটলেও অত্যধিক সেচকার্যের ফলে অনেক সময় কিছু কিছু কুফলও দেখতে পাওয়া যায় । নিচে অতিরিক্ত জলসেচের কুফলগুলি কি কি তা নিয়ে আলোচনা করা হল –১. লবণতা বৃদ্ধিঃ গাঙ্গেয় সমভূমির অংশবিশেষে অত্যধিক সেচকার্যের ফলে মৃত্তিকার নিম্নস্তর থেকে লবণ সেচের জলে দ্রবীভূত হয়ে কৈশিক প্রক্রিয়ায় ( Capillary action ) মৃত্তিকার উপরিভাগে উঠে এসে …

Read More….

ভারতে জলসেচের পদ্ধতিগুলি লেখ।

ভারতে জলসেচের পদ্ধতিগুলি মূলত তিন প্রকার । যথা – ১. খাল , ২. কূপ ও নলকূপ এবং ৩. জলাশয় । এদের মধ্যে খাল মাধ্যমে শতকরা প্রায় ৪১ ভাগ , কূপ দ্বারা শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ , জলাশয় দ্বারা শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ এবং অন্যান্য উপায়ে শতকরা প্রায় ১০ ভাগ জমিতে জলসেচ করা হয় । জলসেচের …

Read More….

ভারতের জলসেচ ব্যবস্থার ক্রমবিবর্তন লেখ।

ভারতের জলসেচ ব্যবস্থার ক্রমবিবর্তন তথা ভারতীয় কৃষির সাফল্যের রূপরেখা নির্ভর করে আসছে উর্বর জমি এবং কৃষির প্রয়ােজনীয় জল সরবরাহের উপর । ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সর্বত্র সমান নয় । এক অঞ্চল থেকে অপর অঞ্চলের মধ্যে বৃষ্টিপাতের যথেষ্ট পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় । ভারতের মােট বৃষ্টিপাতের শতকরা ৭৫ ভাগ গ্রীষ্মকালীন দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর আগমনে ঘটে থাকে …

Read More….

মহানদী পরিকল্পনা বা হীরাকুঁদ পরিকল্পনা সম্পর্কে লেখ।

পরিচিতিঃ মহানদী ওড়িশার বৃহত্তম নদী । মধ্যপ্রদেশের অমরকণ্টকের নিকট থেকে উৎপত্তি লাভ করে এই নদী তেল , ইব , মন্দ , জঙ্ক , হাঁসদেও , কাটজুড়ি প্রভৃতি বহু উপনদী ও শাখানদী বিশিষ্ট হয়েছে । দামােদরের মত এই নদীও বর্ষাকালে প্রায় প্রতি বৎসর মােহনার ব – দ্বীপ অঞ্চলকে প্রলয়ঙ্কর বন্যার দ্বারা প্লাবিত করত । এই কারণে …

Read More….

ভাকরা নাঙ্গাল পরিকল্পনা সম্পর্কে লেখ।

পরিচিতিঃ ভারতের বিভিন্ন বহুমুখী নদী পরিকল্পনার মধ্যে ভাকরা নাঙ্গাল পরিকল্পনা সর্ববৃহৎ নদী পরিকল্পনা । পাঞ্জাব , হরিয়ানা ও রাজস্থান সরকারের মিলিত প্রচেষ্টায় এই পরিকল্পনা গৃহীত হয় । এই পরিকল্পনায় পাঞ্জাব , হরিয়ানা ও রাজস্থানের শুষ্ক অঞ্চলে সেচ ব্যবস্থা প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টির দিকেও দৃষ্টি দেওয়া হয় , কারণ এই সকল রাজ্যে কয়লা বা …

Read More….

ফারাক্কা পরিকল্পনা সম্পর্কে লেখ।

পরিচিতিঃ গঙ্গার মূল প্রবাহ বাংলাদেশের পদ্মা নদীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ভাগীরথী – হুগলী নদীতে জল অনেক কম আসে । এছাড়া গঙ্গার উর্দ্ধপ্রবাহে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে অসংখ্য সেচখাল খনন করায় নিম্নপ্রবাহে জলের পরিমাণ কমে গেছে । গ্রীষ্মকালে ফারাক্কার কাছে জল এত কমে যায় যে ভাগীরথীর সাথে গঙ্গার যােগাযােগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে । ফলে হুগলী …

Read More….

ময়ুরাক্ষী পরিকল্পনা সম্পর্কে লেখ।

পরিচিতিঃ ময়ূরাক্ষী পরিকল্পনাটি বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে একটি উল্লেখযােগ্য বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনা । ময়ূরাক্ষী নদী বিহারের সাঁওতাল পরগণা জেলায় দেওঘরের নিকটস্থ ত্রিকূট পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম এবং পরে মুর্শিদাবাদ জেলার মধ্য দিয়ে প্রায় ২৪০ কিলােমিটার পথ অতিক্রম করে কাটোয়া থেকে প্রায় ২০ কিলােমিটার উত্তরে ভাগীরথী নদীতে মিলিত হয়েছে । দামােদরের মত …

Read More….

দামােদর উপত্যকা পরিকল্পনা সম্পর্কে লেখ।

পরিচিতিঃ দামােদর নদ বিহারের ছােটনাগপুর মালভূমির পালামৌ জেলার ১০৫০ মিটার উঁচু খামারপত নামক পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে ৫৩৮ কিলােমিটার পথ অতিক্রম করে অবশেষে কলকাতা থেকে ৫৮ কিলােমিটার দক্ষিণে ফলতার বিপরীত দিকে হুগলী নদীতে মিশেছে । বরাকর , জামুনিয়া , কোনার , বােকারাে প্রভৃতি এর উপনদী । ছােটনাগপুর অঞ্চল থেকে এই …

Read More….

বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনা কি?

সংজ্ঞাঃ যে প্রকল্পে বিভিন্ন গঠনমূলক উদ্দেশ্যে নদীতে বাঁধ দিয়ে বাঁধের পশ্চাতে জল সঞ্চিত করে আবশ্যকমত তা কৃষিজমিতে সেচের জন্য খাল মাধ্যমে প্রেরণ করে কৃষিকার্যের প্রসার , শিল্প বিকাশের জন্য বাঁধের পশ্চাতে সঞ্চিত জল থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন , বন্যা নিয়ন্ত্রণ , মৎস্যচাষ , খাল মাধ্যমে নৌ – চলাচল , ভূমি ও বন সংরক্ষণ , জলক্রীড়া ও …

Read More….

ভারতের হ্রদের শ্রেণীবিভাগ কর।

ভারতের হ্রদের শ্রেণীবিভাগ মূলত দুই প্রকার । যথা – ক) উৎপত্তি অনুসারে ও খ) প্রকৃতি অনুসারে । নিচে এদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল –ক) উৎপত্তি অনুসারে হ্রদের শ্রেণীবিভাগঃ উৎপত্তি অনুসারে ভারতের হ্রদগুলি মুলত সাত প্রকার । যথা – ১. নদী দ্বারা সৃষ্ট হ্রদঃ নিম্নগতিতে নদী আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়ে ঘােড়ার ক্ষুরের আকার নিয়ে অশ্বক্ষুরাকৃতি …

Read More….