শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সংজ্ঞাঃ ‘মেখলা’ শব্দের অর্থ ‘কোমর বন্ধনী’ । প্রশান্ত মহাসাগরকে বেষ্টন করে পৃথিবীর প্রায় ৭০% আগ্নেয়গিরি কোমর বন্ধনীর আকারে অবস্থান করছে । তাই এই অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা নামে পরিচিত । বিস্তারঃ এই আগ্নেয় মেখলা বা বলয়টি প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূলে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণে হর্ন অন্তরীপ থেকে শুরু করে আন্দিজ ও রকি পর্বতমালা হয়ে আলাস্কার মধ্য দিয়ে বাক নিয়ে পশ্চিম উপকূল বরাবর কামচাটকা, শাখালিন, জাপান, ফিলিপাইনস দ্বীপপুঞ্জ ও ইন্দোনেশিয়া হয়ে

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চা গাছ থেকে চা পাতা পাওয়া যায় । এই চা পাতা বিভিন্ন প্রক্রিয়াকরণের মধ্য দিয়ে অবশেষে পানীয় হিসাবে গ্রহণ করা হয় ‘চা’ হিসাবে । সারা পৃথিবী জুড়েই বিশেষত শীতপ্রধান অঞ্চল ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের দেশগুলোতে পানীয় হিসাবে চা বিশেষভাবে সমাদৃত । এই ব্যাপক আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটানোর জন্য ভারতসহ অন্যান্য চা উৎপাদক দেশগুলি (শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ প্রভৃতি) বিদেশের বাজারে প্রত্যেক বছর প্রচুর পরিমানে চা রপ্তানি করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে । পানীয়

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সংজ্ঞা: ভূঅভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা একটি নির্গমন পথের মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হয় । এই নির্গমন পথটির ম্যাগমা উৎক্ষেপকারী ফানেলাকৃতি খোলা অংশটিকে জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater) বলে । উদাহরণ: আলাস্কার অনিয়াচাক আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ পৃথিবীর বৃহত্তম জ্বালামুখ । শ্রেণীবিভাগ: প্রকৃতি অনুসারে জ্বালামুখ মূলত দুই প্রকার । যথা- ১. প্রধান জ্বালামুখ ও ২. গৌণ জ্বালামুখ । এবং গঠন অনুসারে জ্বালামুখ মূলত চার প্রকার । যথা- ১. বিস্ফোরিত জ্বালামুখ, ২. কিনারা গঠিত জ্বালামুখ, ৩. ধ্বস

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সংজ্ঞা: অতি গভীর, ঘন, কালো এবং বিশাল আকারের যে মেঘ থেকে বজ্রপাত ও বিদ্যুৎসহ মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয়, তাকে  কিউমুলোনিম্বাস মেঘ বা ঝড়োপুঞ্জ মেঘ (Cumulonimbus Cloud) বলে । পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বাংলাদেশে সংঘটিত কালবৈশাখী ঝড় এই প্রকার মেঘ থেকে ঘটে থাকে । বৈশিষ্ট্য: কিউমুলোনিম্বাস মেঘ বা ঝড়োপুঞ্জ মেঘ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ – ক) এদের উচ্চতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ১/২ কিলোমিটার উপর থেকে ট্রপোপজ পর্যন্ত হয়ে থাকে । খ) ঊর্ধ্ববায়ুতে পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সংজ্ঞা: ইস্পাতের কাঠামোতে তৈরী আকারে বৃহৎ, ফায়ার ক্লে দ্বারা আবরিত, উচ্চ তাপমাত্রায় আকরিক লোহা গলানোর চুল্লিকে ব্লাস্ট ফার্নেস বা মারুৎ চুল্লি (Blust Furnace) বলে । বৈশিষ্ট্য: ব্লাস্ট ফার্নেস বা মারুৎ চুল্লি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এটি সাধারনত ৫০ – ১০০ ফুট উচ্চতাযুক্ত ও ২০-২৫ ফুট ব্যাস বিশিষ্ট হয় । খ) এর তলদেশে একটি গভীর প্রকোষ্ঠ থাকে, যা ধাতুমল অপসারণ ও লোহা সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয় ।

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সংজ্ঞা: খনি থেকে উত্তোলিত লৌহ আকরিককে ব্লাস্ট ফার্নেসে শোধন করে উপযুক্ত পরিকাঠামো ও প্রচুর সংখ্যক শ্রমিকের সাহায্যে উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কাঁচা লোহা, লৌহ-ইস্পাত ও সংশ্লিষ্ট দ্রব্যাদি উৎপাদন করা হয় যে শিল্পে তাকে লৌহ-ইস্পাত শিল্প (Iron & Steel Industry) বলে । উদা: TISCO, IISCO প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য: লৌহ ইস্পাত শিল্প (Iron & Steel Industry) – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ- ১. এটি একটি অবিশুদ্ধ কাঁচামালনির্ভর শিল্প । ২. লৌহ-ইস্পাত শিল্পকে সকল শিল্পের মূল

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘আবহবিকার’ বা ‘Weathering’ শব্দটি এসেছে আবহাওয়া বা Weather থেকে, যার আক্ষরিক অর্থ আবহাওয়ার দ্বারা ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন । জি.কে. গিলবার্ট সর্বপ্রথম “Weathering” শব্দটি ব্যবহার করেন । সংজ্ঞাঃ আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যথা- উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত প্রভৃতির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠস্থ শিলাসমূহের উপরিভাগ যান্ত্রিকভাবে চূর্ণবিচূর্ণ ও রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হয় । এই প্রক্রিয়া আবহবিকার (Weather ) নামে পরিচিত ।                                                   ভূবিজ্ঞানী W.D. Thornbury এর মতে, “Weathering may be defined as the disintegration or, decomposition

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ “Topographical” শব্দটি উৎপত্তিলাভ করেছে গ্রীক শব্দ “Topos” যার অর্থ স্থান ও “Graphos” যার অর্থ অঙ্কন, এই দুটি শব্দের মিলনের ফলে । সংজ্ঞাঃ কোনো একটি অঞ্চলের সঠিক অবস্থান, আয়তন এবং প্রাকৃতিক বিষয়াবলী (ভূ-প্রকৃতি, নদনদী ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ) ও সাংস্কৃতিক বিষয়াবলী (পরিবহন-যোগাযোগ, জনবসতি) কে বিভিন্ন প্রচলিত প্রতীকচিহ্ন দ্বারা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিত্রায়িত করে যে মানচিত্র প্রস্তুত করা হয়, তাকে ভূ-বৈচিত্রসূচক মানচিত্র বা ভূ-বিবরণী মানচিত্র (Topographical Map) বলে । উদাহরণঃ 73J/7, 73B/16 প্রভৃতি

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ ল্যাটিন শব্দ “Mappa” থেকে ম্যাপ (Map) কথাটি এসেছে, যার অর্থ কাপড় । সম্ভবত প্রাচীনকালে কাপড় বা তুলোর কাগজের উপরে মানচিত্র আঁকা হতো বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে । সংজ্ঞা: মান+চিত্র=মানচিত্র; অর্থাৎ, নির্দিষ্ট মান বা স্কেলে অঙ্কিত চিত্রকে মানচিত্র (Map) বলে । অন্যভাবে বলা যায় যে, সমগ্র পৃথিবী এর কোনো অংশবিশেষকে সঠিক দিক অনুসারে নির্দিষ্ট স্কেলে সমতল কাগজের উপর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা দ্বারা সৃষ্ট ছকের ভিতরে উপস্থাপন করা হলে,

বিস্তারিত
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

☻সংজ্ঞাঃ ভৌগোলিক অবস্থান ও ভৌত অবস্থার বিভিন্ন পরিবর্তন (কঠিন, তরল ও গ্যাসীয়) ও বিনিময়ের মধ্য দিয়ে চক্রাকারে বারিমন্ডল, বায়ুমন্ডল ও স্থলভাগের জলের সামগ্রিক পরিমাণের সমতা বজায় থাকে । জলের এই চক্রাকার আবর্তনপথকে জলচক্র (Hydrological Cycle) বলে । ব্যাখ্যাঃ জল তিনটি অবস্থায় সাধারণত থাকতে পারে যথা – কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় । এই তিনটি অবস্থায় ভৌত রূপভেদ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জল ভূপৃষ্ঠ, ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমন্ডল, শিলামন্ডল ও বারিমন্ডলে চলমান ।

বিস্তারিত