নদীর উৎস (River Source):

☻ সংজ্ঞাঃ নদী যে অঞ্চল থেকে সৃষ্টি হওয়ার পর তার ঊর্দ্ধপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহের সূত্রপাত হয়, তাকে নদীর উৎস (River Source) বলে ।

উদাহরণঃ গঙ্গা নদীর উৎস উত্তরাখন্ডের উচ্চ পার্বত্য অংশে গঙ্গোত্রী নামক হিমবাহ, ব্রক্ষ্মপুত্র নদের উৎস চেমায়ুং দং নামক হিমবাহ, কৃষ্ণা নদীর উৎস পশ্চিমঘাট পর্বতের মহাবালেশ্বর নামক শৈলশিখর, লুনি নদীর উৎস আজমীরের দক্ষিণ পশ্চিমে নাগপাহাড়ের নিকট আনাসাগর প্রভৃতি ।

বৈশিষ্ট্যঃ নদীর উৎস – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) উৎসস্থল নদী সৃষ্টির অন্যতম প্রথম ও প্রধান শর্ত ।
খ) উৎস অঞ্চলের উপরেই নদী বরফগলা জলে পুষ্ট হবে না বৃষ্টির জলে পুষ্ট হবে তা নির্ভর করে ।
গ) সাধারণত পাহাড় – পর্বত, মালভূমি ইত্যাদি উচ্চভূমির কোনো বিশেষ জলসরবরাহকারী অঞ্চল নদীর উৎসের ভূমিকা পালন করে ।
ঘ) একটি আদর্শ নদী সর্বদা তার উৎসস্থলকে সমুদ্রতলের ঢালের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার কাজ করে ।
ঙ) উৎসস্থল থেকে সৃষ্টি হওয়ার পর নদীর যে প্রবাহ পার্বত্য অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাকে উর্দ্ধ প্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহ (Upper Or, Mountain Course) বলে ।
চ) উৎস অঞ্চলের উপরেই নদীর ক্ষয় , বহনঅবক্ষেপণ ক্ষমতা, জলের পরিমান, গতিবেগ, প্রবাহের দৈর্ঘ্য প্রভৃতি নির্ভর করে ।

13 comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s