গৌর (Gour):

সংজ্ঞাঃ বায়ুর গতিপথে কোনও কঠিন ও নরম শিলায় গড়া শিলাস্তূপ অবস্থান করলে এবং ওই শিলাস্তুপের নিচে নরম শিলা ও উপরে কঠিন শিলা থাকলে, নিচের কোমল অংশে বায়ুর ক্ষয়কার্যের তীব্রতা বেশি হয় । এর ফলে শিলাস্তূপটির নীচের অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সরু স্তম্ভের মতো হয় এবং ওপরের কম ক্ষয়প্রাপ্ত কঠিন শিলাস্তরটি বিরাট আয়তন নিয়ে ব্যাঙের ছাতা বা স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে থাকে । স্তম্ভাকৃতি এইরকম শিলাস্তূপ গৌর (Gour) নামে পরিচিত ।

গৌর (Gour)

গৌর (Gour)

উদাঃ রাজস্থানের থর মরুভূমিতে গৌর আকৃতির অনেক শিলাস্তূপ দেখা যায় ।

বৈশিষ্ট্যঃ গৌর – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ –
ক) 
বায়ুর অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয় । 
খ) 
এগুলি দেখতে অনেকটা ব্যাঙের ছাতার মত দেখতে হয় বলে এদের Mushroom Rockও বলে । 
গ) 
এরা মরুভূমির মাঝে অবশিষ্ট টিলার  মত দাঁড়িয়ে থাকে । 
ঘ) 
এগুলি বায়ুর বৈষম্যমূলক ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্টি হয় । 
ঙ) 
এর উপরের অংশ প্রশস্ত ও অমসৃণ এবং নীচের অংশ সরু ও মসৃণ প্রকৃতির হয় ।

6 thoughts on “গৌর (Gour):

  1. Pingback: বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ (Landforms made by Erosional Work of Wind): | bhoogolok.wordpress.com

  2. Pingback: অপসারণ (Deflation),অবঘর্ষ (Abrasion) ও ঘর্ষণ (Attrition): | bhoogolok.wordpress.com

  3. Pingback: বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি (Methods of Erosional Work of Wind)- অপসারণ (Deflation),অবঘর্ষ (Abrasion) ও ঘর্ষণ (Attrition) প্রক্রিয়া: | b

  4. Pingback: বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি (Methods of Erosional Work of Wind)- অপসারণ (Deflation),অবঘর্ষ (Abrasion) ও ঘর্ষণ (Attrition) প্রক্রিয়া: | b

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.