☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘নুনাটকস’ একটি এস্কিমো ভাষার শব্দ, যার অর্থ ‘তুষারমুক্ত ভূমি’ । সংজ্ঞাঃ উপকূলস্থ মহাদেশীয় হিমবাহের গভীরতা কমে গেলে দেখা যায় তার মধ্যে কোন এক পর্বতের চুড়া মাথা তুলে দাড়িয়ে আছে, কিন্তু তার চূড়ায় কোন বরফ নেই । বিস্তীর্ণ অঞ্চলব্যাপী মহাদেশীয় হিমবাহ মধ্যস্থিত এরকম বরফবিহীন পর্বতের শিখরকে নুনাটকস (Nunataks) বলে । উদাঃ মাউন্ট তাকাহি হলো একটি আদর্শ নুনাটকস । বৈশিষ্ট্যঃ নুনাটকস – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এ্রর তলদেশ বরফাবৃত,

বিস্তারিত

☻নেভে(Neve): তুষারপাতের প্রাথমিক অবস্থায় তুষারকণাগুলি একটি অপরটির সাথে আলগাভাবে লেগে থাকে । এরকম ফাঁকযুক্ত আলগা তুষারকণাগুলিকে নেভে (Neve) বলে । বৈশিষ্ট্যঃ নেভে – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এগুলি অতি সূক্ষ্ম ও হালকা তুষারকণা । খ) এর ঘনত্ব ০.৬-০.১৬ গ্রাম / কিউবিক সেমি । ☻ ফির্ন (Firn): নেভের পরবর্তী রূপ হলো ফির্ন (Firn) । এগুলি এমন একপ্রকার তুষারকণা গ্রীষ্মকালীন উষ্ণতায় সম্পূর্ণ গলে যায়, আবার পরবর্তী শীতে নানারকম রূপান্তরের মধ্য

বিস্তারিত

☻ নব (Knob): হিমবাহের পশ্চাদপারণের ফলে নুড়ি, বালি প্রভৃতি দ্বারা যে ঢিঁবির মত ভুমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে নব (Knob) বলে । উদাঃ উত্তর ইউরোপের উত্তরাংশে নব দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ নব – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এগুলি প্রান্ত গ্রাবরেখার অবক্ষেপ দ্বারা গঠিত হয় । খ) এগুলি দেখতে ছোট ছোট স্তূপ বা ঢিঁবির মত হয় । ☻ কেটল (Kettle) ও কেটল হ্রদ (Kettle Lake): বহিঃবিধৌত সমভূমির মধ্যে যে ছোট

বিস্তারিত

☻ এস্কার (Esker): উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের পাদদেশে হিমবাহের বহন করে আনা বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি, পাথর, কাদা, বালি, কাঁকর প্রভৃতি জমা হয়ে দীর্ঘ, আঁকাবাঁকা, নাতিউচ্চ ও সংকীর্ণ বাঁধের মতো শৈলশিরা বা উচ্চভূমি গঠন করে । একে এস্কার (Esker) বলে । উদাঃ ফিনল্যান্ডের পুনকাহারয়ু একটি বিখ্যাত এস্কার । বৈশিষ্ট্যঃ এস্কার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এটি বহিঃবিধৌত সমভূমির মধ্যে অবস্থিত হয় । খ) হিমবাহ থাকাকালীন এটি দেখা যায় না, হিমবাহ

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থ: “Drumlin” শব্দটির অর্থ ‘ঢিবি’ । সংজ্ঞা: হিমবাহ গলে গেলে বহিবিধৌত সমভূমিতে স্তূপীকৃত বোল্ডার ক্লে অনেক সময়ে সারিবদ্ধ টিলা বা ছোটো ছোটো স্তূপের আকারে বিরাজ করে । ভূ-পৃষ্ঠের উপর এদের দেখতে অনেকটা উলটানো নৌকা বা চামচের মতো আকৃতির হয় । এদের ড্রামলিন (Drumlin) বলে । উদাঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চল, উত্তর ইংল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে বহু ড্রামলিন দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ ড্রামলিন – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ হিমবাহ গলে গেলে তার নীচে হিমবাহের সঙ্গে বয়ে আনা বালি ও কাদার সঙ্গে বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি-পাথর অবক্ষেপ হিসাবে সঞ্চিত হলে, তাদের একসঙ্গে বোল্ডার ক্লে (Boulder Clay) বা হিমকর্দ বলা হয় । উদাঃ উত্তর ইউরোপের হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে বোল্ডার ক্লে দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ বোল্ডার ক্লে – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এটি বালি ও কর্দম মিশ্রিত বিভিন্ন আকৃতির শিলাখন্ডের একত্রিত সঞ্চয় । খ) এগুলি ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে সঞ্চিত হয় ।

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ হিমবাহ উপর থেকে বিভিন্ন আকৃতির শিলাচূর্ণ একই সঙ্গে নিয়ে এসে এক জায়গায় জমা করে । এগুলিকে একত্রে অবক্ষেপ বলে । এই হিমবাহ অবক্ষেপের বড় বড় আকৃতির গোলাকার নুড়িপাথরগুলিকে আগামুক বা ইরাটিক (Erratics) বলে । উদাঃ কাশ্মীরের পহেলগামের উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে আগামুক বা ইরাটিক দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ আগামুক বা ইরাটিক – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এগুলির সাথে আঞ্চলিক শিলাসমূহের আকৃতিগত ও প্রকৃতিগত কোনো সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয় না

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ উচ্চ পর্বতের পাদদেশে হিমবাহ এসে পৌঁছালে তা গলে নদীর সৃষ্টি হয় এবং সেখানে হিমবাহবাহিত পাথরের টুকরো, নুড়ি, কাঁকর, বালি, কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে যে বিস্তীর্ণ সমভূমি গঠন করে, তাকে বহিঃবিধৌত সমভূমি (Out-Wash-Plain) বলে । উদাঃ কানাডার উত্তরাংশে বহিঃবিধৌত সমভূমি দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ বহিঃবিধৌত সমভূমি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এটি একটি বিশাল সমতলভূমি । খ) এর উপরে অসংখ্য ড্রামলিন দেখা যায় ।

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ পর্বতের নিম্নাংশ ও নিম্নভূমিতে হিমবাহ প্রধানত অবক্ষেপণ করে থাকে । নদী যেমন তার বাহিত বস্তুগুলিকে যথা– নুড়ি, পাথর, কাদা, বালি, কাঁকর প্রভৃতি আকৃতি অনুসারে বিভিন্ন অংশে সঞ্চয় করে, হিমবাহ তা করে না । হিমবাহ উপর থেকে বিভিন্ন আকৃতির শিলাচূর্ণ একই সঙ্গে নিয়ে এসে এক জায়গায় জমা করে, এগুলিকে একত্রে অবক্ষেপ (Drift) বলে । উদাঃ কানাডার উত্তরাংশে অবক্ষেপ দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ অবক্ষেপ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক)

বিস্তারিত

☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ “Moraine” একটি ফরাসী শব্দ, যার অর্থ ‘মাটি ও প্রস্তর দ্বারা গঠিত তীর’ । সংজ্ঞাঃ পার্বত্য অঞ্চল দিয়ে হিমবাহ প্রবাহিত হওয়ার সময় ক্ষয় পাওয়া শিলাখন্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি প্রভৃতি হিমবাহের সঙ্গে বয়ে চলে । এইসব বিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাখন্ড বা শিলাচূর্ণের কিছু অংশ হিমবাহের দু’পাশে, সামনে ও তলদেহে স্তূপাকারে সঞ্চিত হয় । এই সব সঞ্চিত শিলাস্তূপকে গ্রাবরেখা (Moraine) বলে । উদাঃ তিস্তা নদীর উচ্চ অববাহিকায় লাচুং ও লাচেন অঞ্চলে

বিস্তারিত