☻পুরো কথাঃ MONEX – এর পুরো কথা হল MONSOON EXPERIMENT. পরিচিতিঃ ভারতীয় উপমহাদেশে মৌসুমী বায়ুর উৎপত্তি, গঠন, কার্যপ্রণালী, গতি প্রভৃতি বিষয়াবলী সংক্রান্ত গবেষণামূলক একটি কর্মসূচী হল MONEX . এই কর্মসূচীতে ভারত মহাসাগরের উপরে অবস্থানরত ‘GOES INDIAN OCEAN’ নামক একটি কৃত্রিম উপগ্রহ ৬০° পূর্ব দ্রাঘিমায় থেকে সমগ্র ভারত ও সংলগ্ন প্রতিবেশী দেশগুলিতে মৌসুমী বায়ুর কার্যকলাপ রেকর্ড করে এবং সেই রেকর্ডলব্ধ তথ্য আবহাওয়া দপ্তরগুলিতে সমীক্ষার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করে । এই কর্মসূচীর প্রধান

বিস্তারিত

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ মৌসুমী (Monsoon) শব্দটি আরবি শব্দ ‘মৌসিম’ বা মালয়ী শব্দ ‘মনসিন’ থেকে এসেছে, যার অর্থ হল ঋতু । ১৬৮৬ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডের আবহবিদ এডমন্ড হ্যালি (Edmond Halley) সর্বপ্রথম Monsoon শব্দটি ব্যবহার করেন । সংজ্ঞাঃ বায়ুচাপ ও বায়ুর উষ্ণতার পার্থক্যের ফলে বছরের নির্দিষ্ট ঋতুতে নির্দিষ্ট দিক থেকে প্রবাহিত ও নির্দিষ্ট অভিমুখে ধাবিত বায়ুপ্রবাহকে মৌসুমী বায়ু (Monsoon Wind) বলে । H.J. Critchfield এর ভাষায় “In several parts of the world seasonally prevailling

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ মূলতঃ সন্ধ্যাবেলার পর থেকে সারা রাত্রি (বিশেষত ভোরবেলা) স্থলভাগ থেকে সমুদ্রভাগের দিকে প্রবাহিত বায়ুকে স্থলবায়ু (Land Breeze) বলে । উৎপত্তিঃ সমুদ্র তীরবর্তী কোনো স্থানের বায়ুপ্রবাহ সাধারণত জলভাগ ও স্থলভাগের দিন – রাত্রির উষ্ণতার তারতম্যের উপর নির্ভর করে । জলে ও স্থলে দিনের বেলা সূর্যকিরণ সমানভাবে পতিত হলেও প্রকৃতিগত পার্থক্যের জন্য জলভাগ অপেক্ষা স্থলভাগ শীঘ্র উত্তপ্ত হয় । উত্তপ্ত স্থলভাগ ধীরে ধীরে তাপ বিকিরণ করে সন্ধ্যাবেলার পরপরই ক্রমশ শীতল হয়ে

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ মূলত দিনের বেলা (বিশেষত অপরাহ্নে) সমুদ্রভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত বায়ুকে সমুদ্রবায়ু (Sea Breeze) বলে । উৎপত্তিঃ সমুদ্র তীরবর্তী কোনো স্থানের বায়ুপ্রবাহ সাধারণত জলভাগ ও স্থলভাগের দিন – রাত্রির উষ্ণতার তারতম্যের উপর নির্ভর করে । জলে ও স্থলে দিনের বেলা সূর্যকিরণ সমানভাবে পতিত হলেও প্রকৃতিগত পার্থক্যের জন্য জলভাগ অপেক্ষা স্থলভাগ শীঘ্র উত্তপ্ত হয় । আবার রাত্রিতে জলভাগ অপেক্ষা স্থলভাগ শীঘ্র শীতল হয় । সুতরাং দিনের বেলা সূর্যের উত্তাপে সমুদ্রের

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ সুমেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে ও কুমেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারাবছর একই গতিবেগে একই অভিমুখে প্রবাহিত বায়ুপ্রবাহদ্বয়কে মেরু বায়ু (Polar Wind) বলে । অবস্থানঃ উভয় গোলার্ধে (৭০° – ৮০°) উঃ / দঃ অক্ষাংশের মধ্যে এইপ্রকার বায়ু প্রবাহিত হয় । শ্রেণীবিভাগঃ গতিপথ ও অবস্থান অনুযায়ী মেরু বায়ুপ্রবাহ মূলত দুইপ্রকার । যথা – ১. উত্তর – পূর্ব মেরু বায়ু (North-East Polar Wind): উত্তর গোলার্ধে

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ দুই ক্রান্তীয় অঞ্চলের (কর্কটীয় ও মকরীয়) উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে সারাবছর নির্দিষ্ট দিকে ও নির্দিষ্ট গতিতে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে পশ্চিমা বায়ু (The Westerlies) বলে । অবস্থানঃ উভয় গোলার্ধের ৩৫°-৬০° উঃ/দঃ অক্ষাংশের এইপ্রকার বায়ু প্রবাহিত হয় । শ্রেণীবিভাগঃ গতিপথ অনুযায়ী পশ্চিমা বায়ু মূলত দুই প্রকার । যথা – a) দক্ষিণ-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু ( South-West Westerlies): উত্তর গোলার্ধের কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে পশ্চিমা বায়ু

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ স্যাকসন শব্দ ‘Treadon’ থেকে ‘Trade’ শব্দটির উৎপত্তি, যার অর্থ কিন্তু ‘বানিজ্য’ নয় । এর অর্থ হল ‘নিয়মিত গতিপথে’ । আয়ন বায়ুর গতিবেগ ও গতিপথ উভয়ই নিয়মিত হওয়ায় প্রাচীনকালে পালতোলা জাহাজের সাহাজ্যে এই আয়ন বায়ুকে কাজে লাগিয়ে উভয় গোলার্ধের ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশগুলিতে সমুদ্রপথে ব্যবসা-বানিজ্য চলত । সেইজন্য এই বায়ু ব্যবসা-বানিজ্যের সহায়ক বলে শব্দার্থের পরিবর্তন করে বানিজ্য বায়ু (Trade Winds) নামকরণ করা হয়েছে । সংজ্ঞাঃ কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় ও মকরীয়

বিস্তারিত

☻ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরালে বা অনুভূমিকভাবে (উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে) বায়ু-চলাচলকে বায়ুপ্রবাহ (Winds) বলে । বায়ুচাপ অঞ্চলদুটির বায়ুচাপের পার্থক্যের মাত্রার উপর বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ নির্ভর করে । তাই দেখা যায়, বায়ু কখনও প্রবল বেগে আবার কখনও ধীরে ধীরে প্রবাহিত হয় । বৈশিষ্ট্যঃ বায়ুপ্রবাহ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) চাপের সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য বায়ুপ্রবাহ উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় । খ) ভূ-পৃষ্ঠের সাথে সংঘর্ষে বায়ু ধীরগতিসম্পন্ন হয়

বিস্তারিত

☻ ভূপৃষ্ঠের উপর নির্দিষ্ট দূরত্ব অন্তর সমধর্মী বায়ুস্তর অনুভূমিকভাবে প্রায় হাজার কিলোমিটার জুড়ে পুরো পৃথিবীকে কয়েকটি বলয়ের আকারে বেষ্টন করে আছে । এগুলি বায়ুচাপ বলয় (Pressure Belts of Wind) নামে পরিচিত । চাপের তারতম্য অনুসারে ভূ-পৃষ্ঠকে সাতটি নির্দিষ্ট বায়ুচাপ বলয়ে বিভক্ত করা হয়েছে । যথা – ১. নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়, ২. কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় ও ৩. মকরীয় উচ্চচাপ বলয়, ৪. সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় ও ৫. কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়,

বিস্তারিত

☻পৃথিবীর চারদিকে বায়ুমন্ডল বেষ্টন করে আছে । পৃথিবী তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সাহায্যে বায়ুমন্ডলকে নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে । ফলে অন্যান্য পদার্থের মত বায়ুরও ওজন অনুভূত হয় । বায়ুর এই ওজনকেই বায়ুচাপ (Pressure of Air) বলে । সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ এক বর্গ ইঞ্চিতে ১৪.৭ পাউন্ড বা প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ১ কিলোগ্রাম ওজনের সমান । আবার, অন্য হিসাবে এক ইঞ্চি পারদের চাপ ৪৩ মিলিবারের সমান ধরা হয় । যতই উপরে ওঠা

বিস্তারিত