রসে মতানে কি?

সংজ্ঞাঃ অনেক সময় উপত্যকার মধ্যে উঁচু ঢিবির মতো কঠিন শিলাখন্ডের ওপর দিয়ে হিমবাহ প্রবাহিত হয় । হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে হিমবাহের প্রবাহের দিকে শিলাখন্ডটি মসৃণ এবং তার বিপরীত দিকে অসমতল বা এবড়োখেবড়ো হয়ে যায় । পার্বত্য হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে শক্ত শিলাখন্ডে গঠিত একদিকে মসৃণ এবং অপরদিকে এবড়ো খেবড়ো এইরকম শিলাখন্ড বা ঢিবিকে রসে মতানে (Roche Moutonne) বলা …

Read More….

U আকৃতির উপত্যকা বা হিমদ্রোণী কি?

সংজ্ঞাঃ উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় যেখানে হিমবাহের ক্রমাগত পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় সমানভাবে হওয়ার ফলে পার্বত্য উপত্যকাটির আকৃতি ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়ে যায়, একে ‘U’ আকৃতির উপত্যকা বা হিমদ্রোণী (Glacial trough) বলে ।হিমবাহ কোনো নদী উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে হিমবাহ ও নদীর একই সঙ্গে ক্ষয়কাজের ফলে বেশিরভাগ হিমদ্রোণী গড়ে ওঠে বলে …

Read More….

হিমশিরা বা এরিটি ও পিরামিড চূড়া কি?

হিমশিরা বা এরিটিঃসংজ্ঞাঃ উপত্যকা হিমবাহের উৎসক্ষেত্রে ক্ষয়কাজের ফলে সার্ক সৃষ্টি হয় । পাশাপাশি দুটি সার্কের মধ্যবর্তী খাড়াই অংশকে অ্যারেৎ বা এরিটি (Arete) বলে ।উদাঃ আল্পস পর্বতে বহু এরিটি দেখা যায় ।বৈশিষ্ট্যঃ এরিটি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ-ক) এরিটির শীর্ষদেশে অনেকটা করাতের মতো খাঁজ কাটা থাকে ।খ) পাশাপাশি দুটি সার্ক সৃষ্টি হলে এটি গঠিত হয় । …

Read More….

সার্ক বা করি কি?

সংজ্ঞাঃ হিমবাহের অত্যাধিক চাপ ও ঘর্ষনের ফলে উপত্যকার উপরের অংশ খুব খাড়াই হয় এবং মধ্যভাগে অনেকটা গর্তের মতো অবনত জায়গার সৃষ্টি হয় । এর ফলে পুরো উপত্যকাটির আকৃতি অনেকটা হাতল ছাড়া ডেক চেয়ারের মতো দেখতে হয় । এইরকম আকৃতিবিশিষ্ট উপত্যকাকে ফরাসি ভাষায় সার্ক (Cirque) এবং ইংরেজিতে কুম (Cumbe) বা করি (Corrie) বলে ।উপত্যকা হিমবাহের উৎসক্ষেত্রে ক্ষয়কাজের …

Read More….

বার্গস্রুন্ড ও ক্রেভাসেস কি?

বার্গস্রুন্ডঃ পর্বতগাত্রে সঞ্চিত হিমবাহের পৃষ্ঠদেশ থেকে তলদেশীয় শিলাদেশ পর্যন্ত প্রসারিত ফাঁটলকে বার্গস্রুন্ড (Bergschurnd) বলে ।উদাঃ উর্দ্ধ হিমালয় পার্বত্য এইপ্রকার ভূমিরূপ অঞ্চলে দেখা যায় ।বৈশিষ্ট্যঃ বার্গস্রুন্ড – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ-ক) বার্গস্রুন্ড কেবলমাত্র গ্রীষ্মকালেই পরিলক্ষিত হয় ।খ) এদের উপস্থিতি ওপর থেকে বোঝা যায় না । এই জন্য কখনও কখনও বার্গস্রুন্ডগুলি পর্বতারোহিদের কাছে চরম বিপদসংকুল হয়ে ওঠে …

Read More….

হিমবাহের ক্ষয়কার্য, ক্ষয়কার্যের প্রক্রিয়া ও সৃষ্ট ভূমিরূপসমূহ সম্পর্কে লেখ।

উৎপত্তিস্থল থেকে সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে হিমবাহ তার প্রবাহপথ সংলগ্ন অঞ্চল জুড়ে ভূ-ভাগকে ক্ষয় করতে করতে অগ্রসর হতে থাকে । একে হিমবাহের ক্ষয়কার্য (Erosional Works of Glaciers) বলে । হিমবাহ অধ্যুষিত উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিরূপের পরিবর্তন প্রধানত হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলেই সংঘটিত হয়ে থাকে । হিমবাহের ক্ষয়কার্যের মাত্রা নির্ভর করে হিমবাহের আয়তন ও বরফের গভীরতার উপর …

Read More….

হিমবাহের কার্য কি?

বর্তমানে হিমবাহ কেবলমাত্র মেরুপ্রদেশে এবং হিমালয় , আল্পস্ প্রভৃতি সুউচ্চ পর্বতগাত্রে স্বল্প – পরিসর স্থান জুড়ে অবস্থান করতে দেখা যায় । এই স্বল্প – পরিসর স্থান জুড়ে হিমবাহ অবস্থান করায় মনে হতে পারে যে , ভূমিরূপ গঠনে হিমবাহের ভূমিকা বুঝি অতি নগণ্য । কিন্তু ৫০ লক্ষ বৎসর আগে কোয়াটারনারী যুগের প্লিসটোসেন ( Pleistocene ) উপযুগে …

Read More….

হিমবাহ কি?

বুৎপত্তিগত অর্থঃ ল্যাটিন শব্দ ‘Glacies’ ও ফরাসী শব্দ ‘Glace’ শব্দের অর্থ ‘বরফ’ যা থেকে ‘Glacier’ বা ‘হিমবাহ’ শব্দটি এসেছে । সংজ্ঞাঃ হিমরেখার উপরে থাকে তুষারক্ষেত্র । সেখানে যে তুষারপাত হয় তা প্রথম অবস্থায় আলগা আলগা হয়ে পড়ে থাকে । ফরাসি ভাষায় একে নেভে (Neve) বলে । এই তুষারকণা ক্রমশ পরস্পরের সঙ্গে মিশে বরফের স্তরে (Ice …

Read More….

হিমানী সম্প্রপাত কি?

সংজ্ঞাঃ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে হিমরেখার উপরে অর্থাৎ তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে । কখনও কখনও পর্বতের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে প্রচন্ড বেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায় । একে হিমানী সম্প্রপাত (Avalanche) বলে । উদাহরণঃ ১৯৬১ সালে পেরুতে …

Read More….

হিমশৈল কি?

বুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘Ice’ শব্দের অর্থ ‘হিম’ ও জার্মান শব্দ ‘Berg’-এর অর্থ ‘পাহাড়’ ; যা থেকে হিমশৈল কথাটি এসেছে । সংজ্ঞাঃ উচ্চ অক্ষাংশে সমুদ্রে জলের উদ্ধদেশে হিমবাহের কিছু অংশ ভেঙে ভাসতে থাকে । সমুদ্রে ভাসমান এরূপ বিশালাকার বরফস্তূপকে হিমশৈল (Ice Berg) বলে । উদাহরণঃ উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে প্রায়শই হিমশৈল দেখা যায় । এরকম একটি হিমশৈলে ধাক্কা …

Read More….