সংজ্ঞাঃ ‘মেখলা’ শব্দের অর্থ ‘কোমর বন্ধনী’ । প্রশান্ত মহাসাগরকে বেষ্টন করে পৃথিবীর প্রায় ৭০% আগ্নেয়গিরি কোমর বন্ধনীর আকারে অবস্থান করছে । তাই এই অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা নামে পরিচিত । বিস্তারঃ এই আগ্নেয় মেখলা বা বলয়টি প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূলে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণে হর্ন অন্তরীপ থেকে শুরু করে আন্দিজ ও রকি পর্বতমালা হয়ে আলাস্কার মধ্য দিয়ে বাক নিয়ে পশ্চিম উপকূল বরাবর কামচাটকা, শাখালিন, জাপান, ফিলিপাইনস দ্বীপপুঞ্জ ও ইন্দোনেশিয়া হয়ে

বিস্তারিত

সংজ্ঞা: ভূঅভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা একটি নির্গমন পথের মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হয় । এই নির্গমন পথটির ম্যাগমা উৎক্ষেপকারী ফানেলাকৃতি খোলা অংশটিকে জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater) বলে । উদাহরণ: আলাস্কার অনিয়াচাক আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ পৃথিবীর বৃহত্তম জ্বালামুখ । শ্রেণীবিভাগ: প্রকৃতি অনুসারে জ্বালামুখ মূলত দুই প্রকার । যথা- ১. প্রধান জ্বালামুখ ও ২. গৌণ জ্বালামুখ । এবং গঠন অনুসারে জ্বালামুখ মূলত চার প্রকার । যথা- ১. বিস্ফোরিত জ্বালামুখ, ২. কিনারা গঠিত জ্বালামুখ, ৩. ধ্বস

বিস্তারিত

সংজ্ঞা: অতি গভীর, ঘন, কালো এবং বিশাল আকারের যে মেঘ থেকে বজ্রপাত ও বিদ্যুৎসহ মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয়, তাকে  কিউমুলোনিম্বাস মেঘ বা ঝড়োপুঞ্জ মেঘ (Cumulonimbus Cloud) বলে । পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বাংলাদেশে সংঘটিত কালবৈশাখী ঝড় এই প্রকার মেঘ থেকে ঘটে থাকে । বৈশিষ্ট্য: কিউমুলোনিম্বাস মেঘ বা ঝড়োপুঞ্জ মেঘ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ – ক) এদের উচ্চতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ১/২ কিলোমিটার উপর থেকে ট্রপোপজ পর্যন্ত হয়ে থাকে । খ) ঊর্ধ্ববায়ুতে পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে

বিস্তারিত

সংজ্ঞা: ইস্পাতের কাঠামোতে তৈরী আকারে বৃহৎ, ফায়ার ক্লে দ্বারা আবরিত, উচ্চ তাপমাত্রায় আকরিক লোহা গলানোর চুল্লিকে ব্লাস্ট ফার্নেস বা মারুৎ চুল্লি (Blust Furnace) বলে । বৈশিষ্ট্য: ব্লাস্ট ফার্নেস বা মারুৎ চুল্লি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এটি সাধারনত ৫০ – ১০০ ফুট উচ্চতাযুক্ত ও ২০-২৫ ফুট ব্যাস বিশিষ্ট হয় । খ) এর তলদেশে একটি গভীর প্রকোষ্ঠ থাকে, যা ধাতুমল অপসারণ ও লোহা সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয় ।

বিস্তারিত

সংজ্ঞা: খনি থেকে উত্তোলিত লৌহ আকরিককে ব্লাস্ট ফার্নেসে শোধন করে উপযুক্ত পরিকাঠামো ও প্রচুর সংখ্যক শ্রমিকের সাহায্যে উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কাঁচা লোহা, লৌহ-ইস্পাত ও সংশ্লিষ্ট দ্রব্যাদি উৎপাদন করা হয় যে শিল্পে তাকে লৌহ-ইস্পাত শিল্প (Iron & Steel Industry) বলে । উদা: TISCO, IISCO প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য: লৌহ ইস্পাত শিল্প (Iron & Steel Industry) – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ- ১. এটি একটি অবিশুদ্ধ কাঁচামালনির্ভর শিল্প । ২. লৌহ-ইস্পাত শিল্পকে সকল শিল্পের মূল

বিস্তারিত

☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘আবহবিকার’ বা ‘Weathering’ শব্দটি এসেছে আবহাওয়া বা Weather থেকে, যার আক্ষরিক অর্থ আবহাওয়ার দ্বারা ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন । জি.কে. গিলবার্ট সর্বপ্রথম “Weathering” শব্দটি ব্যবহার করেন । সংজ্ঞাঃ আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যথা- উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত প্রভৃতির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠস্থ শিলাসমূহের উপরিভাগ যান্ত্রিকভাবে চূর্ণবিচূর্ণ ও রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হয় । এই প্রক্রিয়া আবহবিকার (Weather ) নামে পরিচিত ।                                                   ভূবিজ্ঞানী W.D. Thornbury এর মতে, “Weathering may be defined as the disintegration or, decomposition

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ ভৌগোলিক অবস্থান ও ভৌত অবস্থার বিভিন্ন পরিবর্তন (কঠিন, তরল ও গ্যাসীয়) ও বিনিময়ের মধ্য দিয়ে চক্রাকারে বারিমন্ডল, বায়ুমন্ডল ও স্থলভাগের জলের সামগ্রিক পরিমাণের সমতা বজায় থাকে । জলের এই চক্রাকার আবর্তনপথকে জলচক্র (Hydrological Cycle) বলে । ব্যাখ্যাঃ জল তিনটি অবস্থায় সাধারণত থাকতে পারে যথা – কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় । এই তিনটি অবস্থায় ভৌত রূপভেদ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জল ভূপৃষ্ঠ, ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমন্ডল, শিলামন্ডল ও বারিমন্ডলে চলমান ।

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ কোনো স্থানে উষ্ণতা হ্রাসের ফলে শীতলতার কারণে প্রবল উচ্চচাপ সৃষ্টি হলে ঐ উচ্চচাপ কেন্দ্র থেকে বাইরের নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে কুন্ডলাকারে বর্হিগামী বায়ুপ্রবাহ প্রবাহিত হয় । একে প্রতীপ ঘূর্ণবাত (Anti-Cyclone) বলে । অবস্থান: মূলত: হিমমন্ডল ও নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে সৃষ্টি হলেও আঞ্চলিক বৈশিষ্টাবলীর অনুকূল পরিবর্তন ঘটলে পৃথিবীতে যে কোনো অঞ্চলে এর সৃষ্টি হতে পারে । প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য শীতকালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাংশ ও কানাডার বরফাবৃত অঞ্চলে প্রতীপ ঘূর্ণবাত সৃষ্টি হয় । বৈশিষ্টাবলী:

বিস্তারিত

☻ পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য বৃহৎ উষ্ণ মরুভূমিগুলি হলো দক্ষিণ আমেরিকার আটাকামা মরুভূমি, উত্তর আমেরিকার সোনেরান মরুভূমি, আফ্রিকার সাহারা মরুভূমি, কালহারি মরুভূমি, এশিয়ার আরব মরুভূমি, থর মরুভূমি প্রভৃতি এবং লক্ষ্যণীয়ভাবে উল্লিখিত সকল মরুভূমিই মহাদেশের পশ্চিমাংশে অবস্থিত । এর জন্য দায়ী পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিগুলি সম্পর্কে নীচে আলোচনা করা হলো  – ক) উষ্ণ ও জলীয়বাষ্পহীন আয়নবায়ু: এইসকল অঞ্চলের ক্রিয়াশীল আয়ন বায়ু ক্রম উষ্ণপ্রকৃতির হয় । এর কারণ হলো উষ্ণ নিরক্ষীয় অঞ্চলের উপর দিয়ে এই বায়ুর

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ ট্রপোস্ফিয়ারে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫০০ মিটার উপরে ৫০০০ – ৬০০০ কিলোমিটার তরংগদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একপ্রকার বায়ুপ্রবাহ সর্পিলাকারে উচ্চগতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় । এটি রসবি তরঙ্গ (Rossby Winds) নামে পরিচিত । নামকরণঃ ১৯৩০ এর দশকের শেষভাগে বিশিষ্ট আবহাওয়া বিজ্ঞানী C.G. Rossby সর্বপ্রথম এইপ্রকার বায়ুপ্রবাহের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং গাণিতিক উপায়ে এর ব্যাখ্যা দেন বলে তাঁর নামানুসারে এইপ্রকার বায়ুপ্রবাহের নামকরণ রসবি তরঙ্গ (Rossby Winds) করা হয়েছে । অবস্থানঃ ৫০০ মিটার উচ্চতার উপরে উভয় গোলার্ধে

বিস্তারিত