☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ মেরুপ্রভা বা ‘Aurora’ শব্দটি এসেছে রোমান পুরাণ থেকে, যার অর্থ ‘ঊষাদেবী’ । সংজ্ঞাঃ মেরু অঞ্চলে ৮০-৩০০ কিমি উচ্চতায় একপ্রকার মৃদু বর্ণিল আলোকচ্ছটা দেখা যায়, যাকে মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা বা অরোরা (Aurora) বলে । উত্তর অক্ষাংশে একে সুমেরুজ্যোতি বা সুমেরুপ্রভা (Aurora Burealis/The Northern Light) নামে পরিচিত, এবং দক্ষিণ অক্ষাংশে একে বলা হয় কুমেরুজ্যোতি বা কুমেরুপ্রভা (Aurora Australis/The Southern Light) । সৃষ্টিঃ সূর্য থেকে বেরিয়ে আসা কিছু ইলেকট্রন, প্রোটন প্রভৃতি

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ মেসোপজের পর থেকে প্রায় ৫০০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত অবস্থিত হালকা বায়ুস্তরকে থার্মোস্ফিয়ার বলা হয় । এই স্তরের নিম্নভাগে তড়িৎযুক্ত কণা বা আয়নের উপস্থিতি দেখা যায় । তাই থার্মোস্ফিয়ারের নিম্নভাগকে আয়নোস্ফিয়ার (Ionsphere) বলা হয় । আবিস্কারকঃ বিজ্ঞানীদ্বয় কেনেলি ও হেভিসাইড সর্বপ্রথম আয়নোস্ফিয়ারের উপস্থিতি প্রমাণ করেন । বিস্তারঃ থার্মোস্ফিয়ারের নিম্নভাগে (৮০-১২০ কিমি) অবস্থিত । শ্রেণীবিভাগঃ এটি আবার দুটি উপস্তরে বিভক্ত । যথা- ক) D-স্তর (বিস্তার ৮০-৯০ কিমি) ও খ) E-স্তর বা

বিস্তারিত

☻ওজোন বিনাশন (Ozone Dipletion) এবং ওজোন ছিদ্র বা ওজোন গহবর (Ozone Hole): ওজোন স্তর একটি প্রাকৃতিক সৌরপর্দা, যা বায়ুমন্ডলে উপস্থিত থেকে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মিকে ভূপৃষ্ঠে প্রবেশ করতে বাঁধা দেয় । কিন্তু গত কয়েক দশক ধরে ক্রমবর্দ্ধমান ক্লোরিন পরমানুর প্রভাবে এই ওজোন স্তর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে ক্রমশ পাতলা হয়ে পড়ছে, যাকে ওজোন বিনাশন (Ozone Dipletion) বলা হচ্ছে । আন্টার্কটিকায় শীতকালে সূর্যের অনুপস্থিতির জন্য নিম্ন স্ট্রাটোস্ফিয়ারে উষ্ণতা কমে গিয়ে বায়ুর তাপ দ্রুত হ্রাস পায়

বিস্তারিত

☻ আবিস্কারকঃ  ১৯১৩ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী ফ্যাব্রি ও বুশন সর্বপ্রথম ওজোন স্তরের উপস্থিতি প্রমাণ করেন । সংজ্ঞাঃ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বা শান্তমণ্ডলের মধ্যে ১৫-৩০ কিমি (মতান্তরে ২০-৫০ কিমি) উচ্চতার মধ্যে ওজন গ্যাসযুক্ত যে বায়ুস্তরটি রয়েছে তাকে ওজোনমণ্ডল বা ওজোনস্তর (Ozonosphere Or, Ozone Layer) বলা হয় । বিস্তারঃ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের মধ্যে ১৫-৩০ কিমি (মতান্তরে ২০-৫০ কিমি) উচ্চতায় ওজোন স্তর অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ ওজোনমণ্ডল বা ওজোনস্তর – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) এই স্তরটি মূলত ওজন

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ এক্সোস্ফিয়ারের উপরে অবস্থিত বায়ুমণ্ডলের সর্বশেষ স্তরকে ম্যাগনেটোস্ফিয়ার (Magnetosphere) বলে । বিস্তারঃ ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের বিস্তার  প্রায় ১৫০০-১০০০০ কিমি । বৈশিষ্ট্যঃ ম্যাগনেটোস্ফিয়ার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) এই স্তরের জন্য পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের আয়নিত কণার উপস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয় । (খ) এখানে ইলেকট্রন ও প্রোটন আয়নগুলি বলয়াকারে অবস্থান করে । (গ) এই স্তরের উর্দ্ধসীমা ধীরে ধীরে মহাশূণ্যে বিলীন হয়ে যায় ।

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ থার্মোস্ফিয়ারের উর্দ্ধে প্রায় ১৫০০ কিমি পর্যন্ত বায়ুস্তরকে এক্সোস্ফিয়ার(Exosphere) বলা হয় । বিস্তারঃ এক্সোস্ফিয়ারের বিস্তার  প্রায় ৫০০-১৫০০ কিমি । বৈশিষ্ট্যঃ এক্সোস্ফিয়ার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) এই স্তরের বায়ু এত হালকা যে এর অস্তিত্ব প্রায় বোঝাই যায় না । (খ) এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায় । (গ) কৃত্রিম উপগ্রহ, স্পেস স্টেশন প্রভৃতি এই স্তরে অবস্থান করে । (ঘ) এই স্তরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়, তবে

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Thermos” এর অর্থ ‘উষ্ণতা’ ও “Sphere” এর অর্থ ‘মন্ডল’ । সংজ্ঞাঃ মেসোপজের পর থেকে প্রায় ৫০০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত অবস্থিত হালকা বায়ুস্তরকে থার্মোস্ফিয়ার (Thermosphere) বলা হয় । বিস্তারঃ থার্মোস্ফিয়ারের বিস্তার  প্রায় ৯০-৫০০ কিমি । বৈশিষ্ট্যঃ থার্মোস্ফিয়ার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই স্তরের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে থাকে । (খ) হালকা বায়ু দিয়ে গঠিত এই স্তরের ভর বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের মাত্র

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Mesos” এর অর্থ ‘মধ্যভাগ’ ও “Sphere” এর অর্থ ‘মন্ডল’ । সংজ্ঞাঃ মেসোস্ফিয়ার এবং থার্মোস্ফিয়ার এই দুই বায়ুস্তরের সীমা নির্দেশক সংযোগকারী উপস্তরকে মেসোপজ (Mesopause) বলে । মেসোস্ফিয়ারের বায়ুস্তর এই অঞ্চলে এসে থেমে যায়, তাই একে মেসোপজ বলে । বিস্তারঃ মেসোপজ প্রায় ৮০ কিমি উচ্চতায় অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ মেসোপজ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) মেসোপজ অঞ্চলে বায়ুর তাপমাত্রা হয় প্রায় -১০০° সেন্টিগ্রেড । (খ) এখানে বায়ুর

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Mesos” এর অর্থ ‘মধ্যভাগ’ ও “Sphere” এর অর্থ ‘মন্ডল’ । সংজ্ঞাঃ স্ট্র্যাটোপজের ওপর থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৮০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত উষ্ণতা কমতে থাকে । এই অংশটিকে মেসোস্ফিয়ার (Mesosphere) বলে । বিস্তারঃ মেসোস্ফিয়ার স্তরটি স্ট্র্যাটোপজ স্তরের ওপর থেকে প্রায় ৮০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ মেসোস্ফিয়ার -এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮০ কিমি উচ্চতায় এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে (প্রায় -৯৩°

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Stratos” এর অর্থ ‘শান্ত’ ও “Pause” এর অর্থ ‘থেমে যাওয়া’ । সংজ্ঞাঃ স্ট্রাটোস্ফিয়ার এবং মেসোস্ফিয়ার এই দুই বায়ুস্তরের সীমা নির্দেশক সংযোগকারী উপস্তরকে স্ট্রাটোপজ (Stratopause) বলে । স্ট্রাটোস্ফিয়ারের বায়ুস্তর এই অঞ্চলে এসে থেমে যায়, তাই একে স্ট্রাটোপজ বলে । বিস্তারঃ স্ট্রাটোপজ প্রায় ৫০ কিমি উচ্চতায় অবস্থিত হয় । বৈশিষ্ট্যঃ স্ট্রাটোপজ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) স্ট্রাটোপজ অঞ্চলে বায়ুর তাপমাত্রা হয় ৬০° সেন্টিগ্রেড । (খ)

বিস্তারিত