☻বালি তরঙ্গ (Sand Ripple): মরু অঞ্চলে ঈষৎ অসমতল অংশে মৃদু বায়ুপ্রবাহ দ্বারা পরপর ঢেউ – এর ন্যায় আকৃতিতে যে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে বালি তরঙ্গ (Sand Ripple) বলে ।  উদাঃ সাহারা মরুভূমিতে বালি তরঙ্গ দেখা যায় ।                                                             বৈশিষ্ট্যঃ বালি তরঙ্গ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ

বিস্তারিত

☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘Loess’ শব্দটি জার্মান শব্দ ‘Loss’ থেকে এসেছে, যার অর্থ “সূক্ষ্ম পলি”। সংজ্ঞাঃ অতিসূক্ষ্ম বালিকণা বায়ুপ্রবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে মরুভূমি সীমানার অনেক দূরে নিয়ে গিয়ে জমা হয়ে যে সমভূমি গঠন করে, তাকে লোয়েস সমভূমি (Loess Plain) বলে । বিশিষ্ট জার্মান ভূ-বিজ্ঞানী রিকটোফেন (Richthofen) সর্বপ্রথম লোয়েস চিহ্নিত করেন । উদাঃ মধ্য এশিয়ার গোবি মরুভূমি থেকে বালিরাশি শীতকালীন উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুবাহিত হয়ে উত্তর চিনের হোয়াংহো নদীর অববাহিকায় দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণে সঞ্চিত হয়ে সেখানে এক বিস্তীর্ণ ও উর্বর লোয়েস

বিস্তারিত

☻ অগ্রবর্তী বালিয়াড়ি (Advanced Dune): অনেক সময় ঘূর্ণি বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে মস্তক বালিয়াড়ির কিছুটা আগে অপর একপ্রকার বালিয়াড়ি সৃষ্টি হয় । একে অগ্রবর্তী বালিয়াড়ি (Advanced Dune) বলে ।             উদাঃ থর মরুভূমিতে অগ্রবর্তী বালিয়াড়ি দেখা যায় ।                                                                       বৈশিষ্ট্যঃ অগ্রবর্তী বালিয়াড়ি – র

বিস্তারিত

☻মস্তক বালিয়াড়ি (Head Dune): বায়ুপ্রবাহ তার গতিপথে কোন বাঁধার সম্মুখীন হলে সেই বাঁধার প্রতিবাত অংশে যে বালিয়াড়ি গড়ে ওঠে, তাকে মস্তক বালিয়াড়ি (Head Dune) বলে ।  উদাঃ থর মরুভূমিতে মস্তক বালিয়াড়ি দেখা যায় ।                                                                  বৈশিষ্ট্যঃ মস্তক বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এরা

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ অধিবৃত্তীয় বালিয়াড়ি প্রসারিত হতে হতে দীর্ঘ, সংকীর্ণ ও সমান্তরাল ঢালযুক্ত বালিয়াড়ি সৃষ্টি হলে, তাকে চুলের কাঁটার ন্যায় বালিয়াড়ি (Hairpin Dune) বলে । উদাঃ আফ্রিকার নামিবিয়া মরুভূমিতে চুলের কাঁটার ন্যায় বালিয়াড়ি দেখা যায় ।                                     বৈশিষ্ট্যঃ চুলের কাঁটার ন্যায় বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) অধিবৃত্তীয় বালিয়াড়ি থেকে এইপ্রকার বালিয়াড়ি সৃষ্টি হয় । খ) কখনও কখনও

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ প্রাথমিক ঢালের ঠিক বিপরীত দিকে সৃষ্ট অপ্রধান ঢালযুক্ত শৈলশিরার মতো আকৃতিবিশিষ্ট বালিয়াড়ি উল্টানো বালিয়াড়ি (Reverse Dune) নামে পরিচিত । উদাঃ কালাহারি মরুভূমিতে প্রচুর সংখ্যক উল্টানো বালিয়াড়ি দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ উল্টানো বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এইপ্রকার বালিয়াড়ি বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে অবস্থান করে । খ) তীর্যক বালিয়াড়ি ও বার্খান – এই দুই বালিয়াড়ির মধ্যে এদের অবস্থান দেখা যায় । গ) দুটি সমশক্তিসম্পন্ন বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহের স্থায়িত্বকাল সমান হলে এরূপ বালিয়াড়ি গড়ে ওঠে ।

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ তিমি মাছের পৃষ্ঠদেশের মতো সমতল শিখরবিশিষ্ট বালিয়াড়িকে দ্রাস বালিয়াড়ি (Drush Dune) বা তিমিপৃষ্ঠ বালিয়াড়ি (Whaleback Dune) বলে ।  উদাঃ সাহারা মরুভূমিতে দ্রাস বালিয়াড়ি দেখা যায় ।                                                                           বৈশিষ্ট্যঃ দ্রাস বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুর অপসারণ প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট গর্তগুলির প্রতিবাত ঢাল থেকে বালি অপসারিত হয়ে অনুবাত ঢালে সঞ্চিত হয়ে অধিবৃত্তের মতো আকৃতিবিশিষ্ট বালিয়াড়ি সৃষ্টি হলে, তাকে অধিবৃত্তীয় বালিয়াড়ি (Parabolic Dune) বলে ।  উদাঃ আফ্রিকার নামিবিয়া মরুভূমিতে অনেক অধিবৃত্তীয় বালিয়াড়ি দেখা যায় ।                                 বৈশিষ্ট্যঃ অধিবৃত্তীয় বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এইপ্রকার বালিয়াড়ি বেলচা বা চামচের গর্তের মত

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ অনেকগুলি বার্খান বালিয়াড়ি পরস্পরযুক্ত হয়ে দীর্ঘ সাপের দেহের মতো আকৃতিতে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করলে, তাকে অ্যাকলি বালিয়াড়ি (Alkle Dune) বলে । উদাঃ সাহারা মরুভূমিতে অ্যাকলি বালিয়াড়ি দেখা যায় ।                                   বৈশিষ্ট্যঃ অ্যাকলি বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) বছরে দুটি নির্দিষ্ট সময়ে দুটি নির্দিষ্ট দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হওয়ার ফলে এইপ্রকার বালিয়াড়ি সৃষ্টি হয় । খ) অ্যাকলি বালিয়াড়ির এগিয়ে যাওয়া বাঁকটিকে

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ মধ্যভাগে বালির শৃঙ্গবিশিষ্ট ও সেখান থেকে বিভিন্ন দিকে বালির শৈলশিরা ছড়িয়ে বালিয়াড়ি নক্ষত্রের মতো রূপ নিলে তাকে নক্ষত্র বালিয়াড়ি (Star Dune) বলে । উদাঃ কালাহারি মরুভূমিতে নক্ষত্র বালিয়াড়ি দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ নক্ষত্র বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দিক দিয়ে বায়ুপ্রবাহ প্রবাহিত হলে এরূপ বালিয়াড়ি সৃষ্টি হয় । খ) এইপ্রকার বালিয়াড়িগুলির স্থান পরিবর্তন একপ্রকার হয় না বললেই চলে । গ) এগুলি মরুভূমির ল্যান্ডমার্ক হিসাবে ধরা হয় ।

বিস্তারিত