সংজ্ঞাঃ ভূ-ত্বকের গভীরে এমন কয়েকটি স্থান আছে যেগুলির উষ্ণতা পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি । অত্যাধিক উষ্ণতার জন্য এই অঞ্চলগুলিকে তপ্তবিন্দু বা হটস্পট (Hot Spot) বলে ।  অবস্থানঃ ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীতে হটস্পট রয়েছে প্রায় ২১ টির মত। এই হটস্পটগুলি অগ্ন্যুদগমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র । হাওয়াই, সামোয়া, সেন্ট হেলেনা, ক্যানারি প্রভৃতি আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ হটস্পট অঞ্চলে অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ তপ্তবিন্দু বা হটস্পট – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – তপ্তবিন্দু অঞ্চলের ম্যাগমা অপেক্ষাকৃত

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে ১০৪° থেকে ১৪০° কৌণিক দূরত্বের অঞ্চলে ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গই পৌছাতে পারে না, তাই এই অঞ্চলকে ভূমিকম্পের ছায়া বলয় বা ছায়া অঞ্চল (Seismic Shadow Zone) বলে । প্রফেসর উইসার্ট, বেনো গুটেনবার্গ প্রমুখ ভূ-কম্পবিদ ভূমিকম্পের এই ছায়া বলয়ের উপস্থিতি নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন । তরঙ্গহীনতার কারনঃ আমরা জানি, ভূমিকম্পের গৌণ তরঙ্গ বা S – তরঙ্গ (Secondary Wave) তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হতে পারে না এবং পাশাপাশি প্রাথমিক তরঙ্গ

বিস্তারিত

বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ ‘Epeiros’ যার অর্থ মহাদেশ এবং ‘Genesis’ যার অর্থ সৃষ্টি ; এই দুটি গ্রীক শব্দের সমন্বয়ে “Epeirogenic” অর্থাৎ মহীভাবক শব্দটি এসেছে । সংজ্ঞাঃ যে আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে উল্লম্বভাবে ক্রিয়া করে ভূত্বকের উত্থান বা অবনমন ঘটায়, তাকে মহীভাবক আলোড়ন (Epeirogenic Movement) বলে । ব্যাখাঃ মহীভাবক আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে উল্লম্বভাবে অর্থাৎ, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বরাবর ভূ-কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠ অভিমুখে ক্রিয়াশীল হয় । এই আলোড়নে ভূত্বকের অংশবিশেষ উল্লম্বভাবে উপরে উঠে যায় বা নিচে

বিস্তারিত