পেডোক্যাল মৃত্তিকা (Pedocal Soil): আক্ষরিক অর্থঃ Pedocal = Ped + Cal অর্থাৎ, মৃত্তিকা + ক্যালসিয়াম কার্বনেট সংজ্ঞাঃ বাষ্পীভবন অপেক্ষা বৃষ্টিপাত কম হলে (শুষ্ক জলবায়ুতে) কৈশিক প্রক্রিয়ায় মৃত্তিকার নীচ থেকে ওপরের দিকে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও লবণ উঠে আসে মাটির উপরিস্তরে সঞ্চিত হয় । এই প্রকার মৃত্তিকা পেডোক্যাল মৃত্তিকা (Pedocal Soil) নামে পরিচিত । উদাহরণঃ চেষ্টনাট মৃত্তিকা ও চারনোজেম মৃত্তিকা পেডোক্যাল মৃত্তিকার প্রকৃষ্ট উদাহরণ । অবস্থানঃ সাধারণত শুষ্ক জলবায়ুগত আঞ্চলিক অবস্থানে যেখানে

বিস্তারিত

বুৎপত্তিগত অর্থঃ তামিল শব্দ ‘কটাল’ এর অর্থ ‘সমুদ্র’ ।  সংজ্ঞাঃ অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদ ও সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে । একে সিজিগি (Syzygy) অবস্থান বলে । এই অবস্থানে ত্রিমুখী প্রভাবে জোয়ারের জল অনেক বেশি ফুলে ওঠে । একে ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল বলে । উৎপত্তিঃ চাঁদ পৃথিবীকে একবার পরিক্রমণ করতে যে সময় নেয়, তাকে চান্দ্রমাস বলে । চান্দ্রমাসের এক একটি দিনকে বলে তিথি । তিথি

বিস্তারিত

সংজ্ঞা: ০.৫ মিলিমিটারেরও কম ব্যাসযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা বৃষ্টির আকারে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি বা ড্রিজল্ (Drizzle) বলে । উৎপত্তিঃ অধঃক্ষেপণের জলবিন্দুর আকার যদি বেশ বড় হয়, তাহলে এরা নীচের দিকে এত দ্রুত বেগে নামতে থাকে যে বায়ুপ্রবাহের ঘর্ষনে এরা ভেঙে যায় । বায়ুপ্রবাহ যদি ধীরগতিতে উপরের দিকে উঠতে থাকে তাহলে জলকণার মধ্যে সংঘর্ষ কম হয়, এবং এর ফলে জলবিন্দুর আকার বড় হতে পারে না । সেজন্যে অতি

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ ভূ-ত্বকের গভীরে এমন কয়েকটি স্থান আছে যেগুলির উষ্ণতা পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি । অত্যাধিক উষ্ণতার জন্য এই অঞ্চলগুলিকে তপ্তবিন্দু বা হটস্পট (Hot Spot) বলে ।  অবস্থানঃ ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীতে হটস্পট রয়েছে প্রায় ২১ টির মত। এই হটস্পটগুলি অগ্ন্যুদগমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র । হাওয়াই, সামোয়া, সেন্ট হেলেনা, ক্যানারি প্রভৃতি আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ হটস্পট অঞ্চলে অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ তপ্তবিন্দু বা হটস্পট – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – তপ্তবিন্দু অঞ্চলের ম্যাগমা অপেক্ষাকৃত

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে ১০৪° থেকে ১৪০° কৌণিক দূরত্বের অঞ্চলে ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গই পৌছাতে পারে না, তাই এই অঞ্চলকে ভূমিকম্পের ছায়া বলয় বা ছায়া অঞ্চল (Seismic Shadow Zone) বলে । প্রফেসর উইসার্ট, বেনো গুটেনবার্গ প্রমুখ ভূ-কম্পবিদ ভূমিকম্পের এই ছায়া বলয়ের উপস্থিতি নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন । তরঙ্গহীনতার কারনঃ আমরা জানি, ভূমিকম্পের গৌণ তরঙ্গ বা S – তরঙ্গ (Secondary Wave) তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হতে পারে না এবং পাশাপাশি প্রাথমিক তরঙ্গ

বিস্তারিত

বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ ‘Epeiros’ যার অর্থ মহাদেশ এবং ‘Genesis’ যার অর্থ সৃষ্টি ; এই দুটি গ্রীক শব্দের সমন্বয়ে “Epeirogenic” অর্থাৎ মহীভাবক শব্দটি এসেছে । সংজ্ঞাঃ যে আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে উল্লম্বভাবে ক্রিয়া করে ভূত্বকের উত্থান বা অবনমন ঘটায়, তাকে মহীভাবক আলোড়ন (Epeirogenic Movement) বলে । ব্যাখাঃ মহীভাবক আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে উল্লম্বভাবে অর্থাৎ, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বরাবর ভূ-কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠ অভিমুখে ক্রিয়াশীল হয় । এই আলোড়নে ভূত্বকের অংশবিশেষ উল্লম্বভাবে উপরে উঠে যায় বা নিচে

বিস্তারিত
মহীসোপান (Continental Shelf)

সংজ্ঞাঃ সমুদ্রজলে নিমজ্জিত মোটামুটি ১০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত মহাদেশীয় প্রান্তভাগকে মহীসোপান (Continental Shelf) বলে । বৈশিষ্ট্যঃ মহীসোপান – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ঢালঃ এটি মৃদু ঢাল বিশিষ্ট । সাধারণত এর ঢাল ১° এর কম হলেও স্থান বিশেষে ২°-৩° ও হতে পারে । গভীরতাঃ মহীসোপানের গভীরতা তটরেখা থেকে প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত; তবে স্থান বিশেষে এর গভীরতার তারতম্য দেখা যায় । বিস্তারঃ মহীসোপানের গড় বিস্তার প্রায় ৭০ কিলোমিটার তবে স্থান

বিস্তারিত

সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে আগ্নেয়গিরিগুলিকে মূলত তিনভাগে ভাগ করা যায় । যথা – ক) সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি, খ) সুপ্ত আগ্নেয়গিরি ও গ) মৃত আগ্নেয়গিরি । নীচে এগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো- ক) সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরিঃ সংজ্ঞাঃ যে সকল আগ্নেয়গিরিগুলি থেকে প্রায়ই বা একটানা ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা লাভারূপে নির্গত হতে থাকে, তাদের সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি বলে । উদাহরণঃ মাউন্ট মৌনালোয়া, মাউন্ট স্ট্রম্বলী প্রভৃতি । বৈশিষ্ট্যঃ সক্রিয় বা জীবন্ত

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ ‘মেখলা’ শব্দের অর্থ ‘কোমর বন্ধনী’ । প্রশান্ত মহাসাগরকে বেষ্টন করে পৃথিবীর প্রায় ৭০% আগ্নেয়গিরি কোমর বন্ধনীর আকারে অবস্থান করছে । তাই এই অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা নামে পরিচিত । বিস্তারঃ এই আগ্নেয় মেখলা বা বলয়টি প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূলে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণে হর্ন অন্তরীপ থেকে শুরু করে আন্দিজ ও রকি পর্বতমালা হয়ে আলাস্কার মধ্য দিয়ে বাক নিয়ে পশ্চিম উপকূল বরাবর কামচাটকা, শাখালিন, জাপান, ফিলিপাইনস দ্বীপপুঞ্জ ও ইন্দোনেশিয়া হয়ে

বিস্তারিত