☻নামকরণঃ উনবিংশ শতকের ফরাসী গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী গুস্তাভ-গাসপার্ড ডি কোরিওলিস (Gustave-Gaspard De Coriolis, 1792-1843) সর্বপ্রথম ঘূর্ণনসাপেক্ষে গতিশীল বস্তুর দিক বিক্ষেপকারী এইপ্রকার বলের বিষয়ে আলোকপাত করেন বলে তাঁর নামানুসারে এই বলের নাম কোরিওলিস বল রাখা হয়েছে । সংজ্ঞাঃ পৃথিবীর আবর্তনজনিত ঘূর্ণনের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠস্থ যে কোনো স্বচ্ছন্দ, গতিশীল বস্তুর উপর একধরনের বল কাজ করে, যা উক্ত বস্তুর দিক বিক্ষেপ ঘটায় । এই বলকে কোরিওলিস বল (Coriolis Force) বলে । ধারণার প্রেক্ষাপটঃ কোরিওলিস বল

বিস্তারিত

☻প্রবক্তাঃ C.H.D Buys Ballot (1817-1890) হলেন একজন বিখ্যাত ডাচ রসায়নবিদ এবং আবহাওয়াবিদ । বায়ুচাপের পার্থক্য ও বায়ুপ্রবাহের মধ্যে সম্পর্কসংক্রান্ত এই সূত্রটি সম্পর্কে তিনি প্রথম আলোকপাত করেন ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর ‘Comptes Rendus’ নামক গ্রন্থে । তাঁর নামানুসারেই পরবর্তীতে সূত্রটি বাইস ব্যালট সূত্র নামে পরিচিতি পেয়েছে । সূত্রঃ উত্তর গোলার্ধে বায়ুপ্রবাহের দিকে পিছন ফিরে দাড়ালে বামদিক অপেক্ষা ডানদিকে অধিক বায়ুর চাপ অনুভূত হয় অর্থাৎ, ডানদিকে উচ্চচাপ ও বামদিকে নিম্নচাপ হয় এবং দক্ষিণ

বিস্তারিত

☻প্রবক্তাঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত আবহবিদ উইলিয়াম ফেরেল (William Ferral) ১৮৫৯ খ্রীষ্টাব্দে এই সূত্রটির উদ্ভাবন করেন এবং তাঁর নামানুসারেই এটি ফেরেলের সূত্র (Ferral’s Law) নামে পরিচিত । সূত্রের প্রেক্ষাপটঃ ফেরেলের সূত্র – এর প্রেক্ষাপট মূলতঃ প্রস্তুত হয়েছিল উনবিংশ শতকের ফরাসী গণিতবিদ গুস্তাভ-গাসপার্ড কোরিওলিস কর্তৃক উদ্ভাবিত কোরিওলিস বল – এর নীতিসংক্রান্ত পৃথিবীর ঘূর্ণনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ গোলার্ধভিত্তিক বায়ুবিক্ষেপের উপর নির্ভর করে । সূত্রঃ কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে সোজাপথে প্রবাহিত না

বিস্তারিত

☻নামকরণঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উর্দ্ধ ট্রপোস্ফিয়ারে চলমান জেট বিমানগুলির গতির অস্বাভাবিক হ্রাস-বৃদ্ধিজনিত ঘটনা থেকেই প্রথম জেট বায়ুর উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল বলে এই বায়ুপ্রবাহের নাম জেট বায়ুরূপে প্রচলিত হয়েছে । সংজ্ঞাঃ প্রধানত: ৩০° অক্ষাংশে পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে বায়ুমন্ডলের ৮-১৫ কিলোমিটার ঊর্দ্ধে ট্রপোস্ফিয়ারে অতি প্রবল গতিসম্পন্ন বায়ুপ্রবাহ পশ্চিম থেকে পূর্বে আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয় । এই ঝড়ের মতো তীব্র গতিসম্পন্ন পাইপের ন্যায় হাওয়া বলয়কে জেট বায়ু (Jet Stream) বলে ।

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে কোনো স্থানে আকস্মিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে মেরু অঞ্চল থেকে শুষ্ক ও শীতল বায়ু এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চল থেকে উষ্ণ আর্দ্র বায়ু ছুটে আসে । এই বায়ু নিম্নচাপ কেন্দ্র বরাবর প্রবেশ করে পর্যায়ক্রমে উষ্ণ ও ঘূর্ণায়মান হয়ে উর্দ্ধগামী হয়ে যে ঘূর্ণবাত সৃষ্টি হয়, তাকে নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবাত (Temperate Cyclone) বা মধ্য অক্ষাংশীয় ঘূর্ণবাত (Midlatitude Cyclone) বলে । ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে বিশিষ্ট আবহবিদ ফিৎজরয় (Fitzroy) সর্বপ্রথম এইপ্রকার ঘূর্ণবাত

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ আর্দ্রতা ও শক্তির দ্রুত সঞ্চালন ও শক্তিশালী বায়ু-আবর্ত (Vortex) গঠনের মধ্য দিয়ে কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে যে ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি হয়, তাকে বজ্রঝড় (Thunderstorm) বলে । বন্টনঃ সারা পৃথিবীতে প্রতিদিন আনুমানিক প্রায় ৪৪,০০০ বজ্রঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে । এদের মধ্যে অধিকাংশই নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলে সংঘটিত হয়ে থাকে । বায়ুর অধিক আর্দ্রতা, প্লবতা, অভিসরণ ও পূবালী তরঙ্গের প্রভাবে প্রায় সারা বছর ধরেই এই অঞ্চলে বজ্রঝড় সংঘটনের জন্য অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকে

বিস্তারিত

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘Tornedo’ শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ শব্দ ‘Tornada’ থেকে, যার অর্থ বজ্রসম্পন্ন ঝড় । সংজ্ঞাঃ মূলতঃ কিউমুলোনিম্বাস (ক্ষেত্রবিশেষে কিউমুলাস) মেঘ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফানেল বা হাতির শুঁড়ের মত বায়ুস্তম্ভের আকারে সৃষ্ট ভূপৃষ্ঠের উপরে প্রচন্ডবেগে ঘূর্ণায়মান চলনশীল ঝড়কে টর্নেডো (Tornedo) বলে । বন্টনঃ আন্টার্কটিকা মহাদেশ ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই টর্নেডো দেখা যায় । তবে সবথেকে টর্নেডোপ্রবণ মহাদেশ হল উত্তর আমেরিকা । পৃথিবীর প্রায় ৯০% টর্নেডোই এই মহাদেশে সংঘটিত হয়ে থাকে ।

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ সাধারণত ৫° – ২০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে উৎপন্ন, সমুদ্রবক্ষে সৃষ্ট ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ঘূর্ণবাত ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত বা উষ্ণমন্ডলীয় ঘূর্ণবাত (Tropical Cyclone) নামে পরিচিত । অবস্থানগত বিন্যাসঃ পৃথিবীতে মূলতঃ সাতটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতপ্রবণ অঞ্চল দেখা যায় । যথা – ক) উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় অঞ্চলের পশ্চিমাংশ এবং সংলগ্ন মেক্সিকো উপসাগর ও ক্যারাবিয়ান সাগর অঞ্চল; খ) মেক্সিকোর পশ্চিম উপকূলের নিকটস্থ প্রশান্ত মহাসাগর; গ) উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রান্তীয় অঞ্চলের পশ্চিমাংশ

বিস্তারিত

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘Cyclone’ শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ ‘KUKLOMA’ থেকে, যার অর্থ সাপের কুন্ডলী । সংজ্ঞাঃ স্বল্প পরিসর অঞ্চলে অত্যাধিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হলে বায়ুচাপের সমতা রক্ষার জন্য আশেপাশের উচ্চচাপযুক্ত অঞ্চল থেকে বায়ু প্রবল বেগে সেই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে ছুটে আসে এবং দ্রুত উত্তপ্ত ও হালকা হয়ে সর্পিলভাবে কুন্ডলাকারে পাক খেতে খেতে ঊর্দ্ধগামী ঘূর্ণিবায়ুরূপে উপরে উঠে যায় । একে ঘূর্ণবাত (Cyclone) বলে । অবস্থানঃ ঘূর্ণবাত মূলতঃ ক্রান্তীয় অঞ্চলে ও নাতিশীতোষ্ণ

বিস্তারিত

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘কাল’ শব্দটির অর্থ ধ্বংস এবং মূলত বৈশাখ মাসে উৎপত্তি হয় বলে একে কালবৈশাখী নামে অভিহিত করা হয় । সংজ্ঞাঃ গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ মূলত এপ্রিল – মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে মাঝে মাঝে বিকালের দিকে বজ্রবিদ্যুৎসহ যে প্রচন্ড ঝড়-ঝঞ্ঝার সৃষ্টি হয়, তাকে কালবৈশাখী (Kalboishakhi) বলে । প্রভাবিত অঞ্চলঃ মূলত পশ্চিমবঙ্গসহ বিহার, উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড, অসমের অঞ্চলবিশেষ ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল কালবৈশাখী দ্বারা প্রভাবিত হয় । উৎপত্তিঃ গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ মূলত এপ্রিল –

বিস্তারিত