আয়নোস্ফিয়ার (Ionsphere):

☻ সংজ্ঞাঃ মেসোপজের পর থেকে প্রায় ৫০০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত অবস্থিত হালকা বায়ুস্তরকে থার্মোস্ফিয়ার বলা হয় । এই স্তরের নিম্নভাগে তড়িৎযুক্ত কণা বা আয়নের উপস্থিতি দেখা যায় । তাই থার্মোস্ফিয়ারের নিম্নভাগকে আয়নোস্ফিয়ার (Ionsphere) বলা হয় । আবিস্কারকঃ বিজ্ঞানীদ্বয় কেনেলি ও হেভিসাইড সর্বপ্রথম আয়নোস্ফিয়ারের উপস্থিতি প্রমাণ করেন । বিস্তারঃ থার্মোস্ফিয়ারের নিম্নভাগে (৮০-১২০ কিমি) অবস্থিত । শ্রেণীবিভাগঃ এটি আবার দুটি উপস্তরে বিভক্ত । যথা- ক) D-স্তর (বিস্তার ৮০-৯০ কিমি) ও খ) E-স্তর বা কেনেলি-হেভিসাইড স্তর (বিস্তার ৯০-১২০ কিমি) । বৈশিষ্ট্যঃ আয়নোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ-………