☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Stratos” এর অর্থ ‘শান্ত’ ও “Sphere” এর অর্থ ‘মন্ডল’ । সংজ্ঞাঃ ট্রপোস্ফিয়ারের উপরে ১৮ থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত অবস্থিত বায়ুস্তরকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (Stratosphere) বলে । এই স্তরে ধূলিকণা, মেঘ প্রভৃতি না থাকায় এখানে ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাত প্রভৃতি প্রাকৃতিক ঘটনাগুলি ঘটে না । তাই একে শান্তমণ্ডলও বলা হয় । বিস্তারঃ ট্রপোপজের পর থেকে প্রায় ৫০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত । বৈশিষ্ট্যঃ স্ট্রাটোস্ফিয়ার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Tropos” এর অর্থ ‘পরিবর্তন’ ও “Pause” এর অর্থ ‘থেমে যাওয়া’। সংজ্ঞাঃ ট্রপোস্ফিয়ার এবং স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এই দুই বায়ুস্তরের সীমা নির্দেশক সংযোগকারী উপস্তরকে ট্রপোপজ বলে । ট্রপোস্ফিয়ারের বায়ুস্তর এই অঞ্চলে এসে থেমে যায়, তাই একে ট্রপোপজ বলে । বিস্তারঃ ট্রপোপজ বিস্তার মেরু অঞ্চলে ৮-১০ কিমি ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে ১৮-২০ কিমি উচ্চতায় । বৈশিষ্ট্যঃ ট্রপোপজ -এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – (ক) ট্রপোপজ অঞ্চলে বায়ুর গড় তাপমাত্রা -৬০° সেন্টিগ্রেড ।

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Tropos” এর অর্থ ‘পরিবর্তন’ ও “Sphere” এর অর্থ ‘মন্ডল’ । সংজ্ঞাঃ ভূপৃষ্ঠ থেকে মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিমি ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৮ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত অবস্থিত বায়ুস্তরকে ট্রপোস্ফিয়ার (Troposphere) বলে । বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে আমরা বাস করি । বায়ুমণ্ডলের এই স্তরের বায়ুতে প্রায় ৯০ শতাংশ ধূলিকণা, জলীয় বাষ্প, কুয়াশা, মেঘ প্রভৃতি থাকায় এই স্তরে ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত, তুষারপাত প্রভৃতি ঘটনাগুলি ঘটতে দেখা যায়,

বিস্তারিত

☻ ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে যে অদৃশ্য গ্যাসের আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকে বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) বলে । বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বোঝায়, যা পৃথিবী তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রেখেছে । একে আবহমণ্ডলও বলা হয় । বায়ুমণ্ডলকে চোখে দেখা যায় না, শুধু এর অস্তিত্ব আমরা অনুভব করতে পারি । পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে এই বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর আবর্তনের সঙ্গে আবর্তিত হয় । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উপরের

বিস্তারিত

☻ ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে যে অদৃশ্য গ্যাসের আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকে বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) বলে । বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বোঝায়, যা পৃথিবী তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে । একে আবহমণ্ডলও বলা হয় । বায়ুমণ্ডলকে চোখে দেখা যায় না, শুধু এর অস্তিত্ব আমরা অনুভব করতে পারি । পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে এই বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর আবর্তনের সঙ্গে আবর্তিত হয় । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উপরের

বিস্তারিত

☻ বায়ুমন্ডলের উপস্থিতি ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০০ কিমি পর্যন্ত ধরা হলেও বায়ুমন্ডল গঠনকারী উপাদানগুলির শতকরা ৯৭ ভাগই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৭-৩০ কিমির মধ্যে অবস্থান করে । বায়ুমন্ডল গঠনকারী এইসকল উপাদানগুলি মূলত তিনপ্রকার । যথা- ১. বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ, ২. জলীয় বাষ্প এবং ৩. জৈব ও অজৈব কণিকা । নীচে এগুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো – ১. বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণঃ বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন গ্যাসের মধ্যে নাইট্রোজেনের (Nitrogen) পরিমাণ সব চেয়ে বেশী (৭৮%) এবং তার পরেই অক্সিজেনের (Oxygen)

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে যে অদৃশ্য গ্যাসের আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকে বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) বলে । বায়ুমণ্ডল বলতে পৃথিবীকে চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে বোঝায়, যা পৃথিবী তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে । একে আবহমণ্ডলও বলা হয় । বায়ুমণ্ডলকে চোখে দেখা যায় না, শুধু এর অস্তিত্ব আমরা অনুভব করতে পারি । পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে এই বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর আবর্তনের সঙ্গে আবর্তিত হয় । বিস্তারঃ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে

বিস্তারিত