☻সংজ্ঞাঃ কখনও কখনও কোনো কোনো শিলাস্তূপের কঠিন ও কোমল শিলাস্তরগুলো ওপর-নিচে পরস্পরের সমান্তরালভাবে অবস্থান করে । প্রচন্ড সূর্যতাপে এইসব উচ্চভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হলে ওই সব ফাটলের মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহ ক্ষয়কার্য চালাতে থাকে । ফলে কঠিন শিলাস্তরগুলো অতি অল্প ক্ষয় পেয়ে টিলার মতো দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোমল শিলাস্তরগুলি বেশি ক্ষয় পেয়ে ফাটল বরাবর লম্বা খাত বা গহ্বরের সৃষ্টি করে । এই রকম দুটো খাতের মধ্যে চ্যাপ্টা মাথা টিলার মতো যে ভূমিরূপ সৃষ্টি

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ মরু অঞ্চলে বায়ুর প্রবাহপথে উল্লম্বভাবে কঠিন ও কোমল শিলা দ্বারা গঠিত শিলাস্তূপ অবস্থান করলে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার দ্বারা কোমল শিলা দ্রুত ও কঠিন শিলা কম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বিচিত্র মূর্তির আকারে বিভিন্ন ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় । এদের ইয়ার্দাং (Yardang) বলা হয় । উদাঃ সোনেরান, সাহারা ও গোবি মরুভূমিতে  বহু ইয়ার্দাং দেখা যায় ।  বৈশিষ্ট্যঃ ইয়ার্দাং – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ – ক) এর উচ্চতা সাধারণত ৬ মিটারের আশেপাশে হয় । খ) এতে কঠিন শিলা ও কোমল

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ বায়ুর গতিপথে কোনও কঠিন ও নরম শিলায় গড়া শিলাস্তূপ অবস্থান করলে এবং ওই শিলাস্তুপের নিচে নরম শিলা ও উপরে কঠিন শিলা থাকলে, নিচের কোমল অংশে বায়ুর ক্ষয়কার্যের তীব্রতা বেশি হয় । এর ফলে শিলাস্তূপটির নীচের অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সরু স্তম্ভের মতো হয় এবং ওপরের কম ক্ষয়প্রাপ্ত কঠিন শিলাস্তরটি বিরাট আয়তন নিয়ে ব্যাঙের ছাতা বা স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে থাকে । স্তম্ভাকৃতি এইরকম শিলাস্তূপ গৌর (Gour) নামে পরিচিত । উদাঃ রাজস্থানের থর

বিস্তারিত

☻বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে এবং যে পদ্ধতিগুলির মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহের এই কার্য সম্পন্ন হয়, তাদের বায়ুর ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি বলা হয় । বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায় । ভূমিভাগ বা মাটির কাছাকাছি বায়ু প্রবাহের গতিবেগ কম হয় । কারণ ভূমিভাগের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে বায়ুপ্রবাহের শক্তি কিছুটা কমে যায় । আবার মাটি থেকে বেশি

বিস্তারিত

☻ বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে এবং যে পদ্ধতিগুলির মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহের এই কার্য সম্পন্ন হয়,তাদের বায়ুর ক্ষয়কার্যের পদ্ধতিবায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি (Methods of Erosional Work of Wind)- অপসারণ (Deflation),অবঘর্ষ (Abrasion) ও ঘর্ষণ (Attrition) প্রক্রিয়া: বলা হয় । বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায় । ভূমিভাগ বা মাটির কাছাকাছি বায়ু প্রবাহের গতিবেগ কম হয় । কারণ

বিস্তারিত

☻বায়ুপ্রবাহের কার্য সারা পৃথিবীতেই কম বেশি দেখা গেলেও সাহারা,গোবি,সোনেরান,কালাহারি ইত্যাদি মরুভুমিতে অধিক পরিমানে দেখা যায় । এর কারনগুলি নিম্নরূপ – ক) বৃষ্টির স্বল্পতাঃ মরু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত মাত্র ১০-১৫ সেমি । তাই এই অঞ্চল বৃক্ষশূন্য ও কৃষিশূন্য হয় । যে কারনে বায়ুর কাজ অধিক হয় । খ) আবহবিকারঃ মরু অঞ্চলে দিন-রাত্রির উষ্ণতার প্রসর বেশি বলে যাত্রিক আবহবিকারও বেশি পরিমানে হয় । ফলে শিলার ক্ষয়কার্যও দ্রুত হারে চলতে থাকে । গ) উদ্ভিদশূন্যতাঃ

বিস্তারিত

☻বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে ।                                                                                     বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায়

বিস্তারিত

ভূপৃষ্ঠে কার্যকরী শক্তি হিসাবে নদী,হিমবাহ প্রভৃতির মত বায়ুপ্রবাহও একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে।                                                                                   বায়ুর কার্য    ক্ষয়কার্য                                                  বহনকার্য                                                      সঞ্চয়কার্য

বিস্তারিত