☻বুৎপত্তিগত অর্থ: ‘সিফ’ একটি আরবী শব্দ, যার অর্থ “সোজা তরবারি”। সংজ্ঞা: তীব্র ঘূর্ণিবায়ুর আঘাতে পরপর অনেকগুলি বালিয়াড়ি ভেঙে গেলে বায়ুপ্রবাহের পথে বেশ সংকীর্ণ কিন্তু খুব লম্বা বালিয়াড়ি সৃষ্টি হয় । এইপ্রকার দীর্ঘ অথচ সংকীর্ণ বালিয়াড়িকে  সিফ বালিয়াড়ি (Seif Dunes) বলে । ভূমিরূপ বিজ্ঞানী বার্গনল্ড এর নামকরণ করেন । উদাঃ অস্ট্রেলিয়ার সিম্পসন মরুভূমিতে সিফ বালিয়াড়ি দেখা যায় ।                    বৈশিষ্ট্যঃ সিফ বালিয়াড়ি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) স্থায়ী বালিয়াড়ির মধ্যভাগ বায়ুপ্রবাহ কর্তৃক ভেঙে সিফ

বিস্তারিত

☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘বার্খান’ একটি তুর্কি শব্দ, এর অর্থ হল “কিরঘিজ স্টেপস অঞ্চলের বালিয়াড়ি” । সংজ্ঞাঃ উষ্ণ মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের গতিপথে কিছু বালিয়াড়ি আড়াআড়িভাবে অর্ধচন্দ্রাকারে অবস্থান করে । এইপ্রকার বালিয়াড়িকে বার্খান (Barkhan) বলা হয় । মরু পর্যটক হেডিন সর্বপ্রথম এর নামকরণ করেন । উদাঃ সাহারা মরুভূমিতে অনেক বার্খান দেখা যায় ।    বৈশিষ্ট্যঃ বার্খান – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) বার্খানের সামনের দিকের ঢাল উত্তল (১০°-১৫°) এবং পিছনের দিক অবতল (৩০°) প্রকৃতির হয়ে থাকে । খ) বার্খানের দুই

বিস্তারিত

☻মরুভূমি অঞ্চলে স্থানে স্থানে বায়ুপ্রবাহ বাঁধার সম্মুখীন হলে এর গতিবেগ কমে যায় এবং বায়ুমধ্যস্থিত বালিকণাগুলি সঞ্চিত হতে থাকে । একে বায়ুর সঞ্চয় কার্য (Depositional Works of Wind) বলে । সৃষ্ট ভূমিরূপঃ বায়ুর সঞ্চয় কার্য – এর ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলিকে মূলত দুইভাগে ভাগ করা হয় । যথা – A. বালিয়াড়ি (Sand Dune): বায়ুপ্রবাহের সঞ্চয়কাজের ফলে যে সমস্ত ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, বালিয়াড়ি হল তার মধ্যে অন্যতম একটি ভূমিরূপ । বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে শিলাধূলি ও বালির সৃষ্টি

বিস্তারিত

☻মরুভুমি অঞ্চলে স্থানে স্থানে বায়ুপ্রবাহ বাঁধার সম্মুখীন হলে বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ কমে যায় এবং বায়ুমধ্যস্থিত বালিকণাগুলি জমা হতে থাকে । একে বায়ুর সঞ্চয় কার্য বলে । এটি মূলত তিনটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় । যথা – ক) অধঃপাতন প্রক্রিয়াঃ বায়ুপ্রবাহের গতি ক্রমশ কমে গেলে বায়ু মধ্যস্থিত বালিকণাগুলি থিতিয়ে পড়ে সঞ্চিত হয় । এই প্রক্রিয়াকে অধঃপাতন প্রক্রিয়া বলে । খ) উপলেপন প্রক্রিয়াঃ বায়ুপ্রবাহের লম্ফদান ও গড়ান প্রক্রিয়ায় বাহিত বালিকণাগুলি কোন বাঁধার সম্মুখীন

বিস্তারিত

☻মরুভূমি অঞ্চলে প্রবল গতিসম্পন্ন বায়ু তার প্রবাহের সাথে বালিরাশি এক স্থান থেকে আর এক স্থানে বহন করে নিয়ে যায় । একে বায়ুর বহন কার্য বলে।বায়ুর গতিবেগ, বালুকণার আকার ও ভারের উপর বায়ুর বহন কার্য নির্ভর করে । এটি তিনটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় । যথা – ক) ভাসমান প্রক্রিয়াঃ মরুভূমি অঞ্চলে প্রবল বায়ুপ্রবাহের সাথে অতিসুক্ষ্ম (<০.০০৫ মিমি ব্যাসযুক্ত) বালিকণাসমূহ ভাসতে ভাসতে স্থানান্তরিত হয় । এই প্রক্রিয়াকে ভাসমান প্রক্রিয়া বলে

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ শিলাময় বিস্তীর্ণ সমতল ভূমির মত উন্মুক্ত মরুভূমিকে হামাদা (Hammada) বলে ।        উদাঃ গোবি মরুভূমিতে এইপ্রকার ভূমিরূপ দেখা যায় ।   বৈশিষ্ট্যঃ হামাদা – র বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ – ক) এটি বায়ুর অপসারণ কার্যের ফলে সৃষ্টি হয় । খ) এটি প্রায় সম্পূর্ণ উদ্ভিদহীন মরুভূমি  অঞ্চল বলে পরিগণিত হয় ।

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ মরু অঞ্চলে বায়ুর অপসারণকার্যের ফলে বালুকণা অন্যত্র চলে গেলে অবনত স্থান সৃষ্টি হয় ।  কালক্রমে এটি গভীর হতে হতে গর্তের রূপ নিলে তাকে অপসারণজনিত গর্ত (Blow-Out) বলে । ***রাজস্থান মরুভূমিতে এগুলি “ধান্দ” নামে পরিচিত । ***UAE এর “কাতারা” বিশ্বের বৃহত্তম অপসারণজনিত গর্ত ।                                       উদাঃ সোনেরান মরুভূমিতে অনেক অপসারণজনিত গর্ত দেখা যায় ।            

বিস্তারিত

☻সংজ্ঞাঃ মরু অঞ্চলে সারা বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে  বিভিন্ন দিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হলে উন্মুক্ত শিলাখন্ডেরও বিভিন্ন দিক ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মসৃণ ও চকচকে হয় । এরকম বহু মসৃণ তলবিশিষ্ট ভুমিরূপকে ড্রেইকান্টার (Dreikanter) বলে । উদাঃ সাহারা মরুভূমিতে অনেক ড্রেইকান্টার দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ ড্রেইকান্টার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এটি বহু মসৃন তল বিশিষ্ট হয় । খ) বায়ুর অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার ফলে এটি সৃষ্টি হয় ।

বিস্তারিত

☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ ল্যাটিন শব্দ “Ventus”এর অর্থ বাতাস ও “Fact” এর অর্থ সৃষ্টি হওয়া ।      সংজ্ঞা: মরু অঞ্চলে সারা বছর ধরে একটি নিদির্ষ্ট দিকে বাতাস প্রবাহিত হলে উন্মুক্ত শিলাখন্ডের প্রতিবাত ঢাল ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মসৃণ ও সূচালো হয় এবং অনুবাত ঢাল এবড়ো খেবড়ো প্রকৃতির থাকে । এরকম একটি মসৃণ তলবিশিষ্ট ভূমিরূপকে ভেন্টিফ্যাক্ট (Ventifact) বলে ।                                 উদাঃ কালাহারি মরুভূমিতে ভেন্টিফ্যাক্ট দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ ভেন্টিফ্যাক্ট – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এটি একটি

বিস্তারিত

☻বুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘Inselberg’ একটি জার্মান শব্দ, যার অর্থ “দ্বীপ শিলা”। সংজ্ঞাঃ অনেক সময় মরুভূমির জায়গায় জায়গায় কঠিন শিলায় গঠিত অনুচ্চ ক্ষয়ীভূত পাহাড় টিলার আকারে বিক্ষিপ্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় । যুগ যুগ ধরে ক্ষয় পেয়ে এইসব পর্বতগাত্রের ঢাল খুব বেশি, পর্বতগাত্র মসৃণ এবং দেখতে গোলাকার হয় । গোলাকৃতি এইপ্রকার অনুচ্চ টিলাকে ইনসেলবার্জ (Inselberg) বলে । উদাঃ কালাহারি মরুভূমিতে অনেক ইনসেলবার্জ দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ ইনসেলবার্জ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ – ক) এগুলি সাধারণত বেলেপাথর ও কংগ্লোমারেট শিলায় গঠিত

বিস্তারিত