☻ সংজ্ঞাঃ গম্বুজাকৃতি পাহাড়, আগ্নেয়গিরির শংকু, বা বিচ্ছিন্ন কোনো শংকু আকৃতির পাহাড়ের কেন্দ্র থেকে নদীগুলি বাইরের দিকে চক্রের দন্ডের (Spoke of A Wheel) মতো বিভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়ে যে জলনির্গম প্রণালীর সৃষ্টি করে, তাকে কেন্দ্রবিমুখ জলনির্গম প্রণালী (Radial Drainage Pattern) বলে । উদাঃ ভারতের রাচী মালভূমিতে, U.S.A-র হেনরী পর্বতে  কেন্দ্রবিমুখ জলনির্গম প্রণালী দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ কেন্দ্রবিমুখ জলনির্গম প্রণালী – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বৃষ্টির জলে পুষ্ট

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ চ্যুতিগঠিত অঞ্চলে উপনদীগুলি প্রধান নদীর সাথে সমকোণে (৯০°) মিলিত হয়ে আয়তাকার রূপ নিয়ে যে জলনির্গম প্রণালী সৃষ্টি করে, তাকে আয়তক্ষেত্ররূপী বা আয়তাকার জলনির্গম প্রণালী (Rectangular Drainage Pattern) বলে । উদাঃ নরওয়ে উপকূলে, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাড্রিনডাক পর্বতে, উঃ পূঃ ভারতের মেঘালয়ে আয়তক্ষেত্ররূপী বা আয়তাকার জলনির্গম প্রণালী দেখতে পাওয়া যায় । বৈশিষ্ট্যঃ আয়তক্ষেত্ররূপী জলনির্গম প্রণালী – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এইপ্রকার জলনির্গম প্রণালীর সাথে স্থানীয় ভূ-গঠনের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখতে

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ সাধারণত স্থানীয়ভাবে নদীর উৎস অঞ্চলে উপনদীগুলি সূক্ষ্মকোণে অথবা স্থূলকোণে (নৌকা ঠেলিবার লোহার আঁকড়ার মতো) প্রধান নদীর সাথে মিলিত হয়ে যে বিশেষ আকৃতির জলনির্গম প্রণালী সৃষ্টি করে, তাকে অসংগত জলনির্গম প্রণালী (Barbed Drainage Pattern) বলে । উদাঃ আফ্রিকার নিরক্ষীয় অরণ্যাঞ্চলে অসংগত জলনির্গম প্রণালী দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ অসংগত জলনির্গম প্রণালী – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এইপ্রকার জলনির্গম প্রণালী মূলত কৌণিক চ্যুতিগঠিত অঞ্চলে দেখা যায় । খ) নদীগ্রাস

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞাঃ নদী অববাহিকার উৎস অঞ্চলে যে সকল অংশে কঠিন ও কোমল শিলা পরপর অবস্থান করে সেখানে পরবর্তী নদীগুলি (Subsequent Stream ) বা মুখ্য উপনদীগুলি কঠিন শিলাস্তর এড়িয়ে দূর্বল শিলাস্তরের আয়াম বরাবর পরস্পরের সমান্তরালে প্রবাহিত হয়ে সমকোণে প্রধান বা অনুগামী নদীর (Trunk Or, Consequent stream) সাথে মিলিত হয় । এই পরবর্তী নদীগুলি বা মুখ্য উপনদীগুলি আবার গৌণ উপনদীগুলির (Secondary Tributaries) সাথে সমকোণে (৯০ ডিগ্রি) মিলিত থাকে । এইভাবে প্রধান নদী

বিস্তারিত

☻ বুৎপত্তিগত অর্থ: গ্রীক শব্দ ‘Dendron’ এর অর্থ হল বৃক্ষ, যেখান থেকে বৃক্ষরূপী কথাটি এসেছে । সংজ্ঞাঃ আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে অনুভূমিকভাবে অবস্থিত পাললিক শিলাস্তরযুক্ত বা লাভা মালভূমিতে সৃষ্ট বিভিন্ন উপনদীগুলি পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে বৃক্ষের শাখাপ্রশাখার মতো যে জলনির্গম প্রণালী সৃষ্টি করে, তাকে বৃক্ষরূপী জলনির্গম প্রণালী (Dendritic Drainage Pattern) বলে । উদাঃ ভারতের গোদাবরী নদী অববাহিকায় গোদাবরী নদীর সাথে মঞ্জিরা, পেনগঙ্গা, ওয়েনগঙ্গা, ইন্দ্রাবতী প্রভৃতি উপনদীগুলি মিলিত হয়ে একটি সুন্দর বৃক্ষরূপী জলনির্গম

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ কোনো নদী অববাহিকার উৎস অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার ছোট-বড় নদী (গৌণ উপনদী, মুখ্য উপনদী, প্রধান নদী প্রভৃতি) মিলিত হয়ে যে বিশেষ ধরনের নক্সা বা ডিজাইনের সৃষ্টি করে, তাকে জলনির্গম প্রণালী (Drainage Pattern) বলে । বৈশিষ্ট্যঃ জলনির্গম প্রণালী – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) স্থানীয় ভূ-গাঠনিক স্বতন্ত্রতার পরিপ্রেক্ষিতে জলনির্গম প্রণালীরও স্বতন্ত্রতা লক্ষ্য করা যায় । খ) শিলালক্ষণের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় । নিয়ন্ত্রকঃ জলনির্গম প্রণালী – র নিয়ন্ত্রকগুলি হলো নিম্নরূপ – ক)

বিস্তারিত

☻ সংজ্ঞা: বৃষ্টিপাতের জল, বরফগলা জল বা অন্য কোনও জলরাশি ভূ-পৃষ্ঠের উপর ছড়িয়ে পড়ে এবং বাষ্পীভবনের পর অবশেষে ঐ জলরাশির অবশিষ্টাংশ খাতের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে নিষ্কাশিত হয় । এই জলপ্রবাহকে জলনিকাশ (Run-off) বলে । ভূ-গর্ভস্থ জল যে নদী মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয় তাও এই জলনিকাশ ব্যবস্থার পর্যায়ভুক্ত । পৃথিবীর জলনিকাশ: অনুমান করা হয়, সমগ্র পৃথিবীর জলনিকাশ এলাকা প্রায় ৪১,৫০০ বর্গকিলোমিটার । প্রতি ইউনিট এলাকা (সিসি/বছর) এশিয়া- ২৮৬ ইউরোপ- ৪৪৫ আফ্রিকা- ১৩৯ ওশিয়ানিয়া- ২১৮

বিস্তারিত