সংজ্ঞাঃ মূলত সরকারী মালিকানাধীন অব্যবহৃত ফাঁকা জমি এবং পতিত জমিতে একক বা যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করাকে সামাজিক বনসৃজন (Socialforestry) বলে । উপযুক্ত গাছঃ নিম, শিরিষ, আম, ইউক্যালিপটাস, কৃষ্ণচূড়া, আকাশমণি প্রভৃতি । উদ্দেশ্যঃ সামাজিক বনসৃজন – এর উদ্দেশ্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) বিভিন্ন বৃক্ষজাত উপকরণ যেমন – পাতা, ফুল, ফল, শুকনো কাঠ, রজন, মধু, মোম প্রভৃতি সংগ্রহের মধ্য দিয়ে সমাজের গরীব, দুঃস্থ মানুষদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা । খ) পতিত, অনাবাদী জমির

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ কৃষিজমিতে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পাশাপাশি গাছ লাগিয়ে বৃক্ষজাত সম্পদ উৎপাদনের বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিকে কৃষি বনসৃজন (Agroforestry) বলে । উপযুক্ত গাছঃ আম, পেয়ারা, লিচু, নিম, কালমেঘ, কুল প্রভৃতি । উদ্দেশ্যঃ কৃষি বনসৃজন (Agroforestry) – এর উদ্দেশ্যগুলি হলো নিম্নরূপ- ক) কৃষকের কৃষিজাত উৎপাদন ও মুনাফা বৃদ্ধি করা । খ) কৃষকের একফসলজনিত ঝুঁকি কমানো । গ) কৃষিজমিতে ভূমিক্ষয় হ্রাস করা । ঘ) কৃষিজমিতে জৈবসারের পরিমান বৃদ্ধি করা । ঙ) পশুখাদ্যের জোগান বৃদ্ধি করা

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ মূল শহর থেকে অনতিদুরে অবস্থিত কৃষি অঞ্চলগুলি থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় উৎপাদিত কৃষি ফসলগুলিকে ট্রাকের মত উন্নত পরিবহন মাধ্যমের সাহায্যে উক্ত শহরাঞ্চলে নিয়ে আসার জন্য যে কৃষিনির্ভর ব্যবস্থা পরিচালিত হয়, তাকে ট্রাক ফার্মিং(Truck Farming) বলা হয় ।

বিস্তারিত

খনিজ অর্থাৎ ‘খনি থেকে জাত’; সুতরাং খনি থেকে উত্তোলিত সকল দ্রব্যই খনিজ । অন্যভাবে বলা যায়, প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত বস্তুসমূহ যাদের রাসায়নিক উপাদান ও পারমাণবিক গঠন সুনির্দিষ্ট এবং যেগুলি অজৈব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৃষ্ট, তাদের খনিজ (Minerals) বলে । আবার, যে সব খনিজ দ্রব্যের কার্যকারিতা আছে, তাদের খনিজ সম্পদ (Mineral Resource) বলে । উদাহরণঃ লৌহ আকরিক, ম্যাংগানিজ, অভ্র, তামা প্রভৃতি । বৈশিষ্ট্যঃ খনিজ – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক)

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ কৃষিজ, খনিজ, বনজ বা প্রানীজ প্রভৃতি যে কোনও প্রকার উৎস থেকে প্রাপ্ত যে সকল উপকরণ বিভিন্ন শিল্পজাত দ্রব্য উৎপাদনের উদ্দেশ্যে শিল্পের প্রধান উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তাদের শিল্পের কাচামাল বলে । উদাহরণঃ কার্পাস তন্তু হলো কার্পাস বস্ত্রবয়ন শিল্পের প্রধান কাচামাল, লৌহ আকরিক হলো লৌহ-ইস্পাত শিল্পের প্রধান কাচামাল । বৈশিষ্ট্যঃ শিল্পের কাচামাল – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) কাচামাল একটি শিল্পোদ্যোগের প্রাথমিক ও প্রধান শর্ত । খ) এটি বিভিন্ন

বিস্তারিত

বিশুদ্ধ কাচামাল নির্ভর শিল্পগুলির ক্ষেত্রে পরিবহণ ব্যয়ের গুরুত্ব অপেক্ষাকৃত কম হওয়ায় শিল্পকেন্দ্রগুলি যেমন উৎস অঞ্চলে গড়ে উঠতে পারে, তেমনই অন্যান্য সুযোগ সুবিধাহেতু দূরবর্তী কোনো স্থানেও সাবলীলভাবে গড়ে উঠতে পারে । তাই এইপ্রকার শিল্পগুলি শিকড় আলগা শিল্প (Footloose Industry) নামে পরিচিত । কার্পাস বস্ত্রবয়ন শিল্পের প্রধান কাচামাল হলো কার্পাস তন্তু, প্রকৃতিগত দিক থেকে যা একটি বিশুদ্ধ কাচামাল । কাচামাল হিসেবে শিল্পে ব্যবহৃত কার্পাস তন্তুর ওজনগত পরিমান এবং উৎপাদিত শিল্পদ্রব্যের ওজনগত পরিমান

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ বিশুদ্ধ কাচামাল নির্ভর শিল্পগুলির ক্ষেত্রে পরিবহণ ব্যয়ের গুরুত্ব অপেক্ষাকৃত কম হওয়ায় শিল্পকেন্দ্রগুলি যেমন উৎস অঞ্চলে গড়ে উঠতে পারে, তেমনই অন্যান্য সুযোগ সুবিধাহেতু দূরবর্তী কোনো স্থানেও সাবলীলভাবে গড়ে উঠতে পারে । তাই এইপ্রকার শিল্পগুলি শিকড় আলগা শিল্প (Footloose Industry) নামে পরিচিত । উদাহরণঃ কার্পাস বস্ত্রবয়ন শিল্প বৈশিষ্ট্যঃ শিকড় আলগা শিল্প – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) এইপ্রকার শিল্পের কাচামাল বিশুদ্ধ প্রকৃতির । খ) বিশেষ পরিবেশের উপর ভিত্তি করে শিল্পগুলি

বিস্তারিত

খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতক নাগাদ পারস্য দেশ থেকে আসা কাঠের তৈরী ছোট নাগরদোলার মত দেখতে যে যন্ত্রের সাহায্যে প্রাচীন ভারতে জলসেচ করা হত, তাকে পারসিক চক্র বলে । ব্যবহৃত অঞ্চলঃ পারসিক চক্রের ব্যবহার মূলত উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ ছিল । বৈশিষ্ট্যঃ পারসিক চক্র – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ – ক) এগুলি পশুশক্তির সাহায্যে পরিচালিত হতো । খ) নীচু জলাভূমি, কুয়ো, খাল প্রভৃতি থেকে এগুলির সাহায্যে কৃষিজমিতে জলসেচ করা হতো ।

বিস্তারিত

শিল্প একটি প্রযুক্তিনির্ভর জটিল প্রক্রিয়া, যার জন্য প্রাথমিকভাবে কিছু অত্যাবশ্যকীয় উপাদান প্রয়োজন হয়; এগুলি হলো পর্যাপ্ত কাচামালের যোগান, উপযুক্ত পরিকাঠামো, আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ ও সুলভ শ্রমিক, উন্নত পরিবহন, বিশাল বাজার প্রভৃতি । এই সকল উপাদানগুলি সংশ্লিষ্ট শিল্পের স্থাপন ও উন্নতিকে নিয়ন্ত্রণ করে । এখানে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, উল্লিখিত উপাদানগুলির মধ্যে পরিকাঠামো ও পরিবহন এই দুটি শর্তের প্রধান উপকরণ হলো লৌহ-ইস্পাত, যা উৎপাদিত হয় লৌহ-ইস্পাত শিল্প থেকে । অতএব,

বিস্তারিত

চা গাছ থেকে চা পাতা পাওয়া যায় । এই চা পাতা বিভিন্ন প্রক্রিয়াকরণের মধ্য দিয়ে অবশেষে পানীয় হিসাবে গ্রহণ করা হয় ‘চা’ হিসাবে । সারা পৃথিবী জুড়েই বিশেষত শীতপ্রধান অঞ্চল ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের দেশগুলোতে পানীয় হিসাবে চা বিশেষভাবে সমাদৃত । এই ব্যাপক আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটানোর জন্য ভারতসহ অন্যান্য চা উৎপাদক দেশগুলি (শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ প্রভৃতি) বিদেশের বাজারে প্রত্যেক বছর প্রচুর পরিমানে চা রপ্তানি করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে । পানীয়

বিস্তারিত