প্রতীপ ঘূর্ণবাত (Anti-Cyclone)

সংজ্ঞাঃ কোনো স্থানে উষ্ণতা হ্রাসের ফলে শীতলতার কারণে প্রবল উচ্চচাপ সৃষ্টি হলে ঐ উচ্চচাপ কেন্দ্র থেকে বাইরের নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে কুন্ডলাকারে বর্হিগামী বায়ুপ্রবাহ প্রবাহিত হয় । একে প্রতীপ ঘূর্ণবাত (Anti-Cyclone) বলে । অবস্থান: মূলত: হিমমন্ডল ও নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে সৃষ্টি হলেও আঞ্চলিক বৈশিষ্টাবলীর অনুকূল পরিবর্তন ঘটলে পৃথিবীতে যে কোনো অঞ্চলে এর সৃষ্টি হতে পারে । প্রসঙ্গত: …

Read More….

মহাদেশের পশ্চিমাংশে অধিকাংশ মরুভূমি সৃষ্টি হয়েছে কেন ?

মহাদেশের পশ্চিমাংশে অধিকাংশ মরুভূমি সৃষ্টি হয়েছে । পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য বৃহৎ উষ্ণ মরুভূমিগুলি হলো দক্ষিণ আমেরিকার আটাকামা মরুভূমি, উত্তর আমেরিকার সোনেরান মরুভূমি, আফ্রিকার সাহারা মরুভূমি, কালহারি মরুভূমি, এশিয়ার আরব মরুভূমি, থর মরুভূমি প্রভৃতি এবং লক্ষ্যণীয়ভাবে উল্লিখিত সকল মরুভূমিই মহাদেশের পশ্চিমাংশে অবস্থিত । এর জন্য দায়ী পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিগুলি সম্পর্কে নীচে আলোচনা করা হলো  – ক) উষ্ণ ও …

Read More….

রসবি তরঙ্গ (Rossby Winds)

সংজ্ঞাঃ ট্রপোস্ফিয়ারে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০০ মিটার উপরে ৫০০০ – ৬০০০ কিলোমিটার তরংগদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একপ্রকার বায়ুপ্রবাহ সর্পিলাকারে উচ্চগতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় । এটি রসবি তরঙ্গ (Rossby Winds) নামে পরিচিত । নামকরণঃ ১৯৩০ এর দশকের শেষভাগে বিশিষ্ট আবহাওয়া বিজ্ঞানী C.G. Rossby সর্বপ্রথম এইপ্রকার বায়ুপ্রবাহের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং গাণিতিক উপায়ে এর ব্যাখ্যা দেন বলে তাঁর নামানুসারে …

Read More….

অভিকর্ষ বায়ু (Gravity Wind)

সংজ্ঞাঃ পৃথিবীর বরফাচ্ছন্ন উঁচু উপকূল অঞ্চলগুলিতে শীতল ও ভারী বায়ুপ্রবাহ নিজ ভারে স্থলভাগ থেকে সমুদ্রভাগের দিকে প্রবাহিত হয় । এইপ্রকার বায়ুপ্রবাহকে অভিকর্ষ বায়ু (Gravity Wind) বলে । অবস্থানঃ আন্টার্কটিকা ও গ্রীনল্যান্ডের উপকূল অঞ্চলে নিয়মিতভাবে অভিকর্ষ বায়ু প্রবাহিত হয় । এছাড়াও, শীতকালে ইটালীর অ্যাড্রিয়াটিক সমুদ্রের উঁচু উপকূল যখন বরফে আচ্ছাদিত হয়ে পড়ে তখন এইপ্রকার বায়ুপ্রবাহের আবির্ভাব …

Read More….

জিওস্ট্রফিক বায়ু (Geostrophic Wind)

সংজ্ঞাঃ ঊর্দ্ধাকাশে সমচাপরেখার সাথে সমান্তরালভাবে বায়ু প্রবাহিত হয় । এইপ্রকার বায়ুপ্রবাহ জিওস্ট্রফিক বায়ু (Geostrophic Wind) নামে পরিচিত । গ্রিক শব্দ ‘Geo’ – এর অর্থ ‘পৃথিবী’ ও ‘Strepho’ – এর অর্থ ‘ঘোরা’, যা থেকে Geostrophic শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে । অবস্থানঃ জিওস্ট্রফিক বায়ু মূলত: উচ্চাকাশে ঊর্দ্ধবায়ুতে অর্থাৎ, ট্রপোস্ফিয়ার – এর উচ্চাংশে ৫ – ৯ কিলোমিটারের মধ্যে প্রবাহিত হয় …

Read More….

অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude)

সংজ্ঞাঃ উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় ও দক্ষিণ গোলার্ধে মকরীয় উচ্চচাপ বলয় বরাবর শীতল ও ভারী বায়ু উপর থেকে নীচে নেমে আসায় ভূপৃষ্ঠ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান্তরালে কোনোপ্রকার বায়ুপ্রবাহ দেখা যায় না । ফলে এই দুই বলয়ে শান্ত অবস্থা বিরাজ করে । দুই গোলার্ধের এই নির্দিষ্ট আঞ্চলিক অবস্থানদ্বয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলা হয় । অবস্থানঃ অশ্ব …

Read More….

সাহসী পশ্চিমা বায়ু গর্জনশীল চল্লিশা ক্রোধোন্মত্ত পঞ্চাশ তীক্ষ্ণ চিৎকারকারী ষাট

পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩৫° – ৬০° অক্ষাংশে পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে স্থলভাগে রকি, আল্পস, আলতাই, সায়ান, তিয়েনসান প্রভৃতি উঁচু পর্বতের অবস্থানের ফলে পশ্চিমা বায়ু বাধাপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে পারে না । কিন্তু এই পশ্চিমা বায়ুই দক্ষিণ গোলার্ধে ৩৫° – ৬০° অক্ষাংশে প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের সুবিশাল উন্মুক্ত জলভাগের উপর দিয়ে বাধাহীনভাবে …

Read More….

কোরিওলিস বল (Coriolis Force)

নামকরণঃ উনবিংশ শতকের ফরাসী গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী গুস্তাভ-গাসপার্ড ডি কোরিওলিস (Gustave-Gaspard De Coriolis, 1792-1843) সর্বপ্রথম ঘূর্ণনসাপেক্ষে গতিশীল বস্তুর দিক বিক্ষেপকারী এইপ্রকার বলের বিষয়ে আলোকপাত করেন বলে তাঁর নামানুসারে এই বলের নাম কোরিওলিস বল রাখা হয়েছে । সংজ্ঞাঃ পৃথিবীর আবর্তনজনিত ঘূর্ণনের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠস্থ যে কোনো স্বচ্ছন্দ, গতিশীল বস্তুর উপর একধরনের বল কাজ করে, যা উক্ত বস্তুর দিক …

Read More….

বাইস ব্যালট সূত্র কি?

প্রবক্তাঃ C.H.D Buys Ballot (1817-1890) হলেন একজন বিখ্যাত ডাচ রসায়নবিদ এবং আবহাওয়াবিদ । বায়ুচাপের পার্থক্য ও বায়ুপ্রবাহের মধ্যে সম্পর্কসংক্রান্ত এই সূত্রটি সম্পর্কে তিনি প্রথম আলোকপাত করেন ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর ‘Comptes Rendus’ নামক গ্রন্থে । তাঁর নামানুসারেই পরবর্তীতে সূত্রটি বাইস ব্যালট সূত্র (Buys Ballot’s law) নামে পরিচিতি পেয়েছে । সূত্রঃ উত্তর গোলার্ধে বায়ুপ্রবাহের দিকে পিছন ফিরে …

Read More….

ফেরেলের সূত্র কি?

প্রবক্তাঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত আবহবিদ উইলিয়াম ফেরেল (William Ferral) ১৮৫৯ খ্রীষ্টাব্দে এই সূত্রটির উদ্ভাবন করেন এবং তাঁর নামানুসারেই এটি ফেরেলের সূত্র (Ferral’s Law) নামে পরিচিত । সূত্রের প্রেক্ষাপটঃ ফেরেলের সূত্র – এর প্রেক্ষাপট মূলতঃ প্রস্তুত হয়েছিল উনবিংশ শতকের ফরাসী গণিতবিদ গুস্তাভ-গাসপার্ড কোরিওলিস কর্তৃক উদ্ভাবিত কোরিওলিস বল – এর নীতিসংক্রান্ত পৃথিবীর ঘূর্ণনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ গোলার্ধভিত্তিক বায়ুবিক্ষেপের উপর …

Read More….