ভেন্টিফ্যাক্ট কি?

সংজ্ঞাঃ মরু অঞ্চলে সারা বছর ধরে একটি নিদির্ষ্ট দিকে বাতাস প্রবাহিত হলে উন্মুক্ত শিলাখন্ডের প্রতিবাত ঢাল ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মসৃণ ও সূচালো হয় এবং অনুবাত ঢাল এবড়ো খেবড়ো প্রকৃতির থাকে । এরকম একটি মসৃণ তলবিশিষ্ট ভূমিরূপকে ভেন্টিফ্যাক্ট (Ventifact) বলে । ল্যাটিন শব্দ “Ventus”এর অর্থ বাতাস ও “Fact” এর অর্থ সৃষ্টি হওয়া । উদাঃ কালাহারি মরুভূমিতে ভেন্টিফ্যাক্ট দেখা …

Read More….

ইনসেলবার্জ কি?

সংজ্ঞাঃ অনেক সময় মরুভূমির জায়গায় জায়গায় কঠিন শিলায় গঠিত অনুচ্চ ক্ষয়ীভূত পাহাড় টিলার আকারে বিক্ষিপ্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় । যুগ যুগ ধরে ক্ষয় পেয়ে এইসব পর্বতগাত্রের ঢাল খুব বেশি, পর্বতগাত্র মসৃণ এবং দেখতে গোলাকার হয় । গোলাকৃতি এইপ্রকার অনুচ্চ টিলাকে ইনসেলবার্জ (Inselberg) বলে । ‘Inselberg’ একটি জার্মান শব্দ, যার অর্থ “দ্বীপ শিলা”। উদাঃ কালাহারি মরুভূমিতে অনেক ইনসেলবার্জ দেখা যায় । সৃষ্টির …

Read More….

জুইগেন কি?

সংজ্ঞাঃ কখনও কখনও কোনো কোনো শিলাস্তূপের কঠিন ও কোমল শিলাস্তরগুলো ওপর-নিচে পরস্পরের সমান্তরালভাবে অবস্থান করে । প্রচন্ড সূর্যতাপে এইসব উচ্চভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হলে ওই সব ফাটলের মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহ ক্ষয়কার্য চালাতে থাকে । ফলে কঠিন শিলাস্তরগুলো অতি অল্প ক্ষয় পেয়ে টিলার মতো দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোমল শিলাস্তরগুলি বেশি ক্ষয় পেয়ে ফাটল বরাবর লম্বা খাত বা গহ্বরের …

Read More….

ইয়ার্দাং কি?

সংজ্ঞাঃ মরু অঞ্চলে বায়ুর প্রবাহপথে উল্লম্বভাবে কঠিন ও কোমল শিলা দ্বারা গঠিত শিলাস্তূপ অবস্থান করলে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার দ্বারা কোমল শিলা দ্রুত ও কঠিন শিলা কম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বিচিত্র মূর্তির আকারে বিভিন্ন ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় । এদের ইয়ার্দাং (Yardang) বলা হয় । উদাঃ সোনেরান, সাহারা ও গোবি মরুভূমিতে  বহু ইয়ার্দাং দেখা যায় । বৈশিষ্ট্যঃ ইয়ার্দাং – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল …

Read More….

গৌর কি?

সংজ্ঞাঃ বায়ুর গতিপথে কোনও কঠিন ও নরম শিলায় গড়া শিলাস্তূপ অবস্থান করলে এবং ওই শিলাস্তুপের নিচে নরম শিলা ও উপরে কঠিন শিলা থাকলে, নিচের কোমল অংশে বায়ুর ক্ষয়কার্যের তীব্রতা বেশি হয় । এর ফলে শিলাস্তূপটির নীচের অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সরু স্তম্ভের মতো হয় এবং ওপরের কম ক্ষয়প্রাপ্ত কঠিন শিলাস্তরটি বিরাট আয়তন নিয়ে ব্যাঙের ছাতা বা …

Read More….

বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ কি কি?

বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে এবং যে পদ্ধতিগুলির মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহের এই কার্য সম্পন্ন হয়, তাদের বায়ুর ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি বলা হয় । বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায় । ভূমিভাগ বা মাটির কাছাকাছি বায়ু প্রবাহের গতিবেগ কম হয় । …

Read More….

বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের প্রক্রিয়া কি কি?

বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে এবং যে পদ্ধতিগুলির মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহের এই কার্য সম্পন্ন হয়,তাদের বায়ুর ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি – অপসারণ (Deflation) ,অবঘর্ষ (Abrasion) ও ঘর্ষণ (Attrition) প্রক্রিয়া বলা হয় । বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায় …

Read More….

মরু অঞ্চলে বায়ুর কার্যের প্রাধান্য অধিক কেন?

☻বায়ুপ্রবাহের কার্য সারা পৃথিবীতেই কম বেশি দেখা গেলেও সাহারা,গোবি,সোনেরান,কালাহারি ইত্যাদি মরুভুমিতে অধিক পরিমানে দেখা যায় । এর কারনগুলি নিম্নরূপ – ক) বৃষ্টির স্বল্পতাঃ মরু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত মাত্র ১০-১৫ সেমি । তাই এই অঞ্চল বৃক্ষশূন্য ও কৃষিশূন্য হয় । যে কারনে বায়ুর কাজ অধিক হয় । খ) আবহবিকারঃ মরু অঞ্চলে দিন-রাত্রির উষ্ণতার প্রসর বেশি বলে যাত্রিক …

Read More….