তরঙ্গকর্তিত মঞ্চ কি?

সংজ্ঞাঃ সমুদ্রতরঙ্গের আঘাতে উপকূলস্থ উঁচু খাড়া পাড় বা ভৃগুর পশ্চাদ্‌পসরণের ফলে মঞ্চের মতাে যে প্রায় সমতল পৃষ্ঠের সৃষ্টি হয় , তাকেই তরঙ্গকর্তিত মঞ্চ বলে । সৃষ্টির প্রক্রিয়াঃ তরঙ্গের আঘাতে উপকূল ভাগে প্রথমে একটি খাঁজের সৃষ্টি হয় । ওই খাঁজ ক্রমশ বৃদ্ধি পেলে এর উপরের অংশ ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে এবং তরঙ্গের ক্রমাগত আঘাতে ওই খাঁজ পরবর্তী …

Read More….

ভৌমজলের গুরুত্ব উল্লেখ কর ।

মানবজীবনে ভৌমজলের গুরুত্ব যথেষ্ট । এগুলি হল নিম্নরূপ – ১. কৃষিকাজে জলসেচঃ চুনাপাথর যুক্ত অঞ্চলে প্রবেশ্য শিলার নিচে যদি অপ্রবেশ্য শিলা থাকে তাহলে সেখানে ভৌমজল পাওয়া যায় । এই জল কৃষিকাজে ও বাগিচা ফসল চাষে সাহায্য করে ।  ২. শিল্পাঞ্চল স্থাপনঃ আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের চুনাপাথর গঠিত জায়গায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ভৌমজল সঞ্চিত থাকে । তার ফলে চাষবাস …

Read More….

বায়ুচাপ বলয়গুলি বিভিন্ন ঋতুতে স্থান পরিবর্তন করে কেন ?

বায়ুর চাপ বলয়ের স্থান বিভিন্ন ঋতুতে পরিবর্তিত হয় । ভূপৃষ্ঠের বায়ুর চাপ বলয়গুলি তাপ বলয়ের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল । বিভিন্ন ঋতুতে পৃথিবীপৃষ্ঠে সূর্যের পতন কোণের তারতম্যের ফলে স্থায়ী চাপ বলয়গুলির সীমানা বা স্থান পরিবর্তিত হয়ে থাকে । কাজেই সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের সময় উভয় গােলার্ধে সূর্যের আপাত গতির পরিবর্তনের ফলে উত্তর গােলার্ধের স্থায়ী চাপ বলয়গুলি …

Read More….

শিলাচক্র বলতে কী বোঝ ?

প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হলেও মূল ও আদি শিলারূপে কোনাে একটিকে চিহ্নিত করা যায় না । অনেকের ধারণা আগ্নেয়শিলাই আদি শিলা, কিন্তু ভূপৃষ্ঠের যত শিলা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে । তাদের কোনােটিই আজ পর্যন্ত আদি – আগ্নেয়শিলা বলে চিহ্নিত হয়নি । ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন শিলাগুলি লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে ঐ শিলাগুলি বেশিরভাগই একাধিক পরিবর্তনচক্রের মধ্য দিয়ে …

Read More….

ল্যাটেরাইট মাটি

সংজ্ঞাঃ ইটের মত শক্ত ও লাল রঙের হয় বলে এই মাটিকে ল্যাটেরাইট মাটি (Laterite Soil) বলে । ল্যাটিন শব্দ “Later” থেকে ল্যাটেরাইট শব্দটি সৃষ্টি হয়েছে, যার অর্থ ‘ইট’ (Brick) । অবস্থানঃ এই মৃত্তিকা আর্দ্র-ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বৃহত্তম মৃত্তিকা বলয় গঠন করেছে । এশিয়ার মধ্য ভারত, মায়ানমার, ইন্দোচিন, দঃ-পূঃ চিন; মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল; …

Read More….

হিমপ্রাচীর

সংজ্ঞাঃ উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর দিক থেকে আগত সবুজ রঙের লাব্রাডর স্রোত ও দক্ষিন দিক থেকে আগত নীল রঙের উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত যে সীমারেখায় পরস্পরের সাথে মিলিত হয়, তাকে হিমপ্রাচীর বলে । অবস্থানঃ উত্তর আমেরিকার উত্তর পূর্ব দিকে অবস্থিত নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল বরাবর হিমপ্রাচীর অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ হিমপ্রাচীর-এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –১. এটি হলো উষ্ণ স্রোত …

Read More….

ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল

সংজ্ঞাঃ অমাবস্যা ও পূর্ণিমার দিনে চাঁদ ও সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে । একে সিজিগি (Syzygy) অবস্থান বলে । এই অবস্থানে ত্রিমুখী প্রভাবে জোয়ারের জল অনেক বেশি ফুলে ওঠে । একে ভরা কোটাল বা তেজ কটাল বলে । তামিল শব্দ ‘কটাল’ এর অর্থ ‘সমুদ্র’ । উৎপত্তিঃ চাঁদ পৃথিবীকে একবার পরিক্রমণ করতে যে সময় …

Read More….

শৈবাল সাগর

সংজ্ঞাঃ সমুদ্র মধ্যবর্তী কয়েক হাজার কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে জলাবর্ত সৃষ্টি হলে তার মধ্যাংশ স্রোতবিহীন ও শান্ত হয় । ফলে এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার আগাছা, শৈবাল ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায় । সমুদ্র মধ্যবর্তী এই প্রকার শান্ত, স্রোতবিহীন ও আগাছাপূর্ণ অঞ্চলকে শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) বলে । পর্তুগিজ শব্দ সারগাসাম (Sargassum) থেকে সারগাসো (Sargasso) শব্দটি এসেছে, যার অর্থ হলো ‘সামুদ্রিক আগাছা’ । উদাহরণঃ পৃথিবীর সমুদ্রভাগে …

Read More….

গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি বা ড্রিজল

সংজ্ঞা: 0.5 মিলিমিটারেরও কম ব্যাসযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা বৃষ্টির আকারে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি বা ড্রিজল (Drizzle) বলে । উৎপত্তিঃ অধঃক্ষেপণের জলবিন্দুর আকার যদি বেশ বড় হয়, তাহলে এরা নীচের দিকে এত দ্রুত বেগে নামতে থাকে যে বায়ুপ্রবাহের ঘর্ষনে এরা ভেঙে যায় । বায়ুপ্রবাহ যদি ধীরগতিতে উপরের দিকে উঠতে থাকে তাহলে জলকণার মধ্যে …

Read More….

তপ্তবিন্দু বা হট স্পট

সংজ্ঞাঃ ভূ-ত্বকের গভীরে এমন কয়েকটি স্থান আছে যেগুলির উষ্ণতা পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি । অত্যাধিক উষ্ণতার জন্য এই অঞ্চলগুলিকে তপ্তবিন্দু বা হট স্পট (Hot Spot) বলে ।  অবস্থানঃ ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীতে হটস্পট রয়েছে প্রায় ২১ টির মত। এই হট স্পটগুলি অগ্ন্যুদগমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র । হাওয়াই, সামোয়া, সেন্ট হেলেনা, ক্যানারি প্রভৃতি আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ …

Read More….