তপ্তবিন্দু বা হট স্পট

সংজ্ঞাঃ ভূ-ত্বকের গভীরে এমন কয়েকটি স্থান আছে যেগুলির উষ্ণতা পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি । অত্যাধিক উষ্ণতার জন্য এই অঞ্চলগুলিকে তপ্তবিন্দু বা হট স্পট (Hot Spot) বলে ।  অবস্থানঃ ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীতে হটস্পট রয়েছে প্রায় ২১ টির মত। এই হট স্পটগুলি অগ্ন্যুদগমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র । হাওয়াই, সামোয়া, সেন্ট হেলেনা, ক্যানারি প্রভৃতি আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ …

Read More….

সক্রিয়তা অনুসারে আগ্নেয়গিরির শ্রেণীবিভাগ করো ।

সক্রিয়তা অনুসারে আগ্নেয়গিরির শ্রেণীবিভাগ মূলত তিন প্রকার । যথা – ক) সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি, খ) সুপ্ত আগ্নেয়গিরি ও গ) মৃত আগ্নেয়গিরি । নীচে এগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো –ক) সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরিঃসংজ্ঞাঃ যে সকল আগ্নেয়গিরিগুলি থেকে প্রায়ই বা একটানা ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা লাভারূপে নির্গত হতে থাকে, তাদের সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি বলে ।উদাহরণঃ …

Read More….

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

সংজ্ঞাঃ ‘মেখলা’ শব্দের অর্থ ‘কোমর বন্ধনী’ । প্রশান্ত মহাসাগরকে বেষ্টন করে পৃথিবীর প্রায় ৭০% আগ্নেয়গিরি কোমর বন্ধনীর আকারে অবস্থান করছে । তাই এই অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা নামে পরিচিত । বিস্তারঃ এই আগ্নেয় মেখলা বা বলয়টি প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূলে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণে হর্ন অন্তরীপ থেকে শুরু করে আন্দিজ ও রকি পর্বতমালা হয়ে আলাস্কার …

Read More….

জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater)

সংজ্ঞা: ভূঅভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা একটি নির্গমন পথের মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হয় । এই নির্গমন পথটির ম্যাগমা উৎক্ষেপকারী ফানেলাকৃতি খোলা অংশটিকে জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater) বলে । উদাহরণ: আলাস্কার অনিয়াচাক আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ পৃথিবীর বৃহত্তম জ্বালামুখ । শ্রেণীবিভাগ: প্রকৃতি অনুসারে জ্বালামুখ মূলত দুই প্রকার । যথা- ১. প্রধান জ্বালামুখ ও২. গৌণ জ্বালামুখ ।এবং গঠন অনুসারে জ্বালামুখ মূলত …

Read More….