পূর্ব হিমালয় সম্পর্কে লেখ।

নেপালের পূর্বে হিমালয়ের যে অংশ আছে , তা পূর্ব হিমালয় নামে পরিচিত । উত্তরে হিমাদ্রি বা উচ্চ হিমালয় পর্বতশ্রেণী তিব্বতের সাথে এর সীমা নির্দেশ করে । নেপাল সীমান্তে সিঙ্গালিলা পর্বতশ্রেণী পশ্চিমে এবং অসম মায়ানমার পর্বতশ্রেণী ও লােহিত নদ যথাক্রমে পূর্ব ও দক্ষিণ – পূর্বের সীমা নির্দেশ করছে । দক্ষিণের সীমা সাধারণতঃ ১৫০ মিটার সমােন্নতি রেখাকে …

Read More….

পশ্চিম হিমালয় সম্পর্কে লেখ।

সুউচ্চ পর্বতমালা , বরফাবৃত শৃঙ্গ , বন্ধুর ভূ – প্রকৃতি , পূর্ববর্তী নদী এবং উপত্যকা হিমবাহের শীর্ষদেশে বিস্তীর্ণ তুষারক্ষেত্র ইত্যাদি পশ্চিম হিমালয় জুড়ে প্রতিভাত হয় । Dr. S. P. Chatterjee পশ্চিম হিমালয় – কে নিম্নোক্ত চারটি ভাগে ভাগ করিয়াছেন । যথা – ক) উত্তর কাশ্মীর হিমালয় , খ) দক্ষিণ কাশ্মীর হিমালয় , গ) পাঞ্জাব হিমালয় …

Read More….

প্রস্থ অনুসারে হিমালয়ের শ্রেণীবিভাগ কর।

প্রস্থ অনুসারে হিমালয়ের শ্রেণীবিভাগ মূলত চারপ্রকার । যথা -( ক ) শিবালিক বা বহিঃহিমালয় ( খ ) হিমাচল বা অবহিমালয় ( গ ) হিমাদ্রি বা উচ্চ হিমালয় এবং ( ঘ ) ট্রান্স বা টেথিস হিমালয় । নিচে এদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল – ( ক ) শিবালিক বা বহিঃহিমালয় ( Siwalik or Outer Himalaya) …

Read More….

হিমালয়ের উৎপত্তি সম্পর্কে লেখ।

হিমালয় পর্বতশ্রেণী পৃথিবীর নবীনতম পর্বতশ্রেণীগুলির অন্যতম । এটি টার্সিয়ারী যুগের একটি ভঙ্গিল পর্বত । বর্তমানে যে অঞ্চলব্যাপী হিমালয় পর্বতমালা অবস্থিত , দশ কোটি বৎসর পূর্বে সেই অঞ্চলে একটি বিশাল সমুদ্র ছিল , যার নাম ছিল টেথিস ( Tethys ) । এর এক অংশ ভূমধ্যসাগররূপে আজও অবস্থান করছে । টেথিস সমুদ্রের উত্তরে ছিল কতকগুলি অতি প্রাচীন …

Read More….

হিমালয়ের গিরিপথ সম্পর্কে লেখ।

হিমালয় অতিক্রম করা খুবই কষ্টকর , কারণ যে সকল হিমালয়ের গিরিপথ আছে সেগুলি অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং সারা বৎসর তুষারপাতের ফলে দুর্গম থাকে । নিচে হিমালয়ের গিরিপথগুলোর নাম ও গন্তব্য তুলে ধরা হল –১. হিমাচল প্রদেশের কুলু উপত্যকা থেকে মানালি হয়ে রােহটাং ( ৪,৮০০ মিঃ ) ও বরলাচা ( ৪,৮০০ মিঃ ) গিরিপথ দিয়া লেহ শহরে …

Read More….