ভারতের দ্বীপ অঞ্চলের গুরুত্ব লেখ।

ভারতের দ্বীপ অঞ্চলের গুরুত্ব গুলি নিম্নে আলােচনা করা হল –১. মৎস্য সংগ্রহঃ ভারতের দ্বীপ অঞ্চলগুলি আদর্শ মৎস্য সংগ্রহ ক্ষেত্র । এখানকার অধিবাসীদের প্রধান জীবিকাই হল এই মৎস্য আহরণ করা ।২. কৃষিকাজের প্রসারঃ বহু দ্বীপ প্রবাল দ্বারা গঠিত হওয়ায় মৃত্তিকা খুবই উর্বর । ফলে কৃষিকাজের প্রাধান্য দেখা যায় । বহু নারকেল বাগিচাও এই অঞ্চলে গড়ে উঠেছে …

Read More….

ভারতের উপকূলীয় সমভূমির গুরুত্ব আলােচনা কর।

ভারতের জনজীবনে সুদীর্ঘ উপকূলীয় সমভূমির গুরুত্ব অপরিসীম । নিচে সেগুলি বিস্তারিত আলোচনা করা হল –১  কৃষিকাজের প্রসারঃ : উপকুলের উর্বর সমভূমিতে বিশেষ করে পূর্ব উপকূলের নদীগঠিত বদ্বীপ অঞ্চলে প্রচুর ধান ও অন্যান্য ফসল উৎপন্ন হয় । এছাড়াও, সমুদ্র উপকূলে নারকেল , সুপারি , তাল , বিভিন্ন মশলা প্রভৃতি উৎপন্ন হয় । ২. খনিজ সম্পদ আহরণঃ …

Read More….

ডেকান ট্র্যাপ কি?

সংজ্ঞাঃ উত্তর দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞ্চলের এক বিস্তীর্ণ লাভাগঠিত অংশ টেবিলের মত মাথাবিশিষ্ট হয়ে পশ্চিম ও উত্তর – পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব ও দক্ষিণ – পূর্ব দিকে সিঁড়ির মত ধাপে ধাপে উপর থেকে নীচে নেমে গেছে । একে ডেকান ট্র্যাপ ( Deccan Trap ) বলা হয় । ইংরেজি ‘ Deccan ‘ শব্দের অর্থ দক্ষিণপ্রান্ত এবং সুইডিশ …

Read More….

ভারতের দ্বীপপুঞ্জ সম্পর্কে লেখ।

ভারতের দ্বীপপুঞ্জকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয় । যথা – ক) পূর্ব উপকূলের বঙ্গোপসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ও খ) পশ্চিম উপকূলের আরবসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ । নিচে এদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল –ক) বঙ্গোপসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জঃ ভারতের পূর্ব উপকূলে বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জগুলাের মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জই প্রধান । এছাড়া বঙ্গোপসাগরে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পূর্বদিকে …

Read More….

ভারতের জনজীবনে উপদ্বীপীয় মালভূমি অঞ্চলের গুরুত্ব লেখ।

ভারতের জনজীবনে উপদ্বীপীয় মালভূমি অঞ্চলের গুরুত্ব অনেকখানি । নিচে এগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল –১. খনিজ সম্পদ আহরণঃ ভারতের মালভূমি অঞ্চল খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ । এখানে আকরিক লােহা , তামা , কয়লা , ম্যাঙ্গানিজ , চুনাপাথর , ডলােমাইট প্রভৃতি খনিজপদার্থ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় । ছােটোনাগপুর মালভূমি ভারতের খনিজ ভাণ্ডার ’ রূপে পরিচিত । এই …

Read More….

ময়দান কি?

সংজ্ঞাঃ কর্নাটক মালভূমির পূর্বদিকের মৃদু ঢেউখেলানো অনুচ্চ ভূমিভাগকে ময়দান বলে । কন্নড় ভাষায় ‘ ময়দান ’ শব্দের অর্থ “ অনুচ্চ ভূমিভাগ “ । অবস্থানঃ এটি কর্নাটক মালভূমির পূর্বদিকে তথা মালনাদের পূর্বপাশে অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ ময়দান – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ –১. এটি মূলত গ্রানাইট ও নিস শিলা দ্বারা গঠিত ।২. এই অঞ্চলের গড় উচ্চতা ৬০০ মিটারের …

Read More….

মালনাদ কি?

সংজ্ঞাঃ কর্নাটক মালভূমির পশ্চিমদিকের ঢেউখেলানো উঁচুনিচু ভূমিভাগকে মালনাদ বলে । কন্নড় ভাষায় ‘ মাল ’ শব্দের অর্থ “ পাহাড় “ ও ‘ নাদ ‘ শব্দের অর্থ “ দেশ “ । অবস্থানঃ এটি পশ্চিমঘাট পর্বতমালার পূর্বপাশে অবস্থিত । এই অঞ্চল উত্তর – পশ্চিম থেকে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ – পূর্বে বিস্তৃত ৩২০ কিলোমিটার লম্বা ও ৩৫ কিলোমিটার …

Read More….

কয়াল কি?

সংজ্ঞাঃ কেরালা রাজ্যের মালাবার উপকূলের অভ্যন্তরস্থ জলাভূমি ও উপহ্রদগুলিকে স্থানীয় ভাষায় কয়াল ( Kayal ) বলে । উদাহরণঃ ভেম্বানাদ ( প্রায় ৮০ কিমি দীর্ঘ ) হল ভারতের বৃহত্তম কয়াল । এছাড়াও অষ্টমুদি, কোট্টা , কায়মকুলাম , পুনামি প্রভৃতিও অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কয়ালের উদাহরণ । উৎপত্তিঃ ভূ-আন্দোলন জনিত কারণে বারবার মালাবার উপকূলের উত্থান ও নিমজ্জন ঘটেছে । …

Read More….

ভাবর কি?

সংজ্ঞাঃ পশ্চিমে সিন্ধু নদ থেকে পূর্বে তিস্তা নদী পর্যন্ত শিবালিক পার্বত্যঞ্চলের পাদদেশ বরাবর অবস্থিত সংকীর্ণ নুড়ি পাথরময় ভূমিভাগকে ভাবর ( Bhabar ) বলে । উৎপত্তিঃ হিমালয়ের উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল থেকে অসংখ্য নদী শিবালিক অঞ্চলের পাদদেশে নেমে এসেছে । এইসকল নদীগুলি প্রাকৃতিকভাবেই অধিক পরিমাণে ক্ষয়প্রবণ এবং এদের বহন ক্ষমতাও অনেকাংশে বেশী । উচ্চতাহ্রাস জনিত কারণে এরা …

Read More….

কচ্ছের রান কি?

সংজ্ঞাঃ গুজরাতের কচ্ছ উপদ্বীপকে পূর্ব ও উত্তরদিক থেকে যে বিস্তীর্ণ লবণাক্ত ও কর্দমাক্ত জলাভূমি বেষ্টন করে আছে , তাকে বলা হয় কচ্ছের রান ( ‘ রান ’ শব্দের অর্থ  কর্দমাক্ত ও লবণাক্ত নিম্নভূমি ) । অবস্থানঃ কাথিয়াবাড় উপদ্বীপের উত্তরে কচ্ছ উপদ্বীপ অবস্থিত । এই কচ্ছ উপদ্বীপের উত্তর ও পূর্বাংশে রান অঞ্চল অবস্থিত । এর মধ্যে …

Read More….