দক্ষিণ ভারতে জলাশয়ের মাধ্যমে জলসেচ অধিক প্রচলিত কেন?

মৌসুমি বায়ুর খামখেয়ালিময় বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় সারা ভারত জুড়েই জলসেচ করা হয় । আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যাবলীর উপর ভিত্তি করে এক এক অঞ্চলে এই পদ্ধতি এক একরকম । উত্তর ভারতে যেখানে সেচখাল ও নলকূপের সাহায্যে জলসেচ অধিক প্রচলিত , তেমনই আবার ভারতের দক্ষিনাঞ্চলে জলাশয়ের মাধ্যমে জলসেচ অধিক প্রচলিত । নিচে দক্ষিণ ভারতে জলাশয়ের মাধ্যমে জলসেচ অধিক প্রচলিত …

Read More….

বিল বলতে কি বোঝ?

সংজ্ঞাঃ উত্তর ভারত ও উত্তর – পূর্ব ভারতের সমভূমি অঞ্চলে স্থানে স্থানে মাঝেই মাঝেই স্বাভাবিক উপায়ে সৃষ্ট আবদ্ধ জলাভূমি দেখতে পাওয়া যায় । এদের বিল বলে । উদাহরণঃ হাওড়ার সাতরাগাছি বিল , কোচবিহারের রসিক বিল , উত্তর ২৪ পরগনার বল্লির বিল বা বিল বল্লি প্রভৃতি । বৈশিষ্ট্যঃ বিল – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ –১. মূলত প্লাবন …

Read More….

বৃষ্টির জল সংরক্ষণের পদ্ধতি লেখ।

বৃষ্টিপাতের জলের একটা বিরাট বড় অংশ ভূপৃষ্ঠ প্রবাহের আকারে নদী ও সমুদ্রে গিয়ে মেশে । এই জলের কিয়দংশ আমরা ধরে রেখে আমাদের বিভিন্ন জলসংক্রান্ত প্রয়োজন মেটাতে পারি ।  বৃষ্টির জল সংগ্রহ করে প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষভাবে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় । এই পদ্ধতিকে রেন ওয়াটার হারভেস্টিং ( Rain Water Harvesting ) বলে । বৃষ্টির জল …

Read More….

ব্রহ্মপুত্র নদ বন্যাপ্রবণ কেন?

ভারতের প্রধান প্রধান নদ – নদীগুলির মধ্যে ব্রহ্মপুত্র নদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এই নদের মােট দৈর্ঘ্য ২৮৯০ কিঃ মিঃ , যার মধ্যে ভারতে এর প্রবাহপথ ৮৮৫ কিঃ মিঃ । ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবর হ্রদের ১০০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ – পূর্বে ৫,১৫০ মিঃ উচ্চতায় অবস্থিত চেমায়ুং দং নামক হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে সাংপো নামে তিব্বতের …

Read More….

দক্ষিণ ভারতের পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির মােহনায় ব – দ্বীপ নেই কেন?

দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ পূর্ববাহিনী বা বঙ্গোপসাগরে পতিত নদীগুলির মােহনায় ব – দ্বীপ থাকলেও পশ্চিমবাহিনী বা আরব সাগরে পতিত নদীগুলির মােহনায় প্রায় কোনাে ব – দ্বীপ নেই ( ব্যতিক্রম নেত্রাবতী নদী ) । দক্ষিণ ভারতের পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির মােহনায় ব – দ্বীপ নেই কেন তার কারণগুলি নিচে আলোচনা করা হল – ১. স্বল্প দৈর্ঘ্যঃ ভারতের পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির …

Read More….

বৃষ্টির জল সংরক্ষণে তামিলনাড়ুর অগ্রণী ভূমিকা লেখ।

বৃষ্টির জল সংরক্ষণে তামিলনাড়ু ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলির মধ্যে অন্যতম । কিছু বছর আগে অবধিও তামিলনাড়ু রাজ্যে গ্রীষ্মকালে পানীয় জলের সংকট দেখা দিত । জনসাধারণের জলের মোট চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে জল উত্তোলনের ফলে ভৌমজলস্তর ভীষণভাবে হ্রাস পেত । পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জলেরও সঠিক যোগান হত না । এই পরিস্থিতিতে তামিলনাড়ু সরকার বৃষ্টির জল সংরক্ষণের উপরে জোর প্রদান …

Read More….

ভারতকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয় কেন?

গঙ্গা , ব্রহ্মপুত্র , সিন্ধু , গােদাবরী , কৃষ্ণা , কাবেরী , নর্মদা , তাপী প্রভৃতি বড় বড় নদনদী ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন অংশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে অসংখ্য ছােট ছােট নদ – নদী । ভারতের নদীগুলি বছরে গড়ে ১৮৬৯০০ কোটি ঘনমিটার জল বহন করে ( প্রধান নদীগুলি ৮৫ % , মাঝারি নদীগুলি ৭ % ও …

Read More….

উত্তর ভারতের নদ নদী ও দক্ষিণ ভারতের নদ নদীর মধ্যে পার্থক্য লেখ।

বিষয় উত্তর ভারতের নদ – নদী দক্ষিণ ভারতের নদ – নদী ১. সংজ্ঞা উত্তরে হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল থেকে ভারতের মধ্যভাগের উচ্চভূমিঅঞ্চল পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলে হিমালয় পর্বত , কারাকোরাম পর্বতসহঅন্যান্য উৎস থেকে অসংখ্য নদ – নদী উৎপত্তি লাভ করে প্রবাহিতহয়েছে । এরা উত্তর ভারতের নদ – নদী নামে পরিচিত । ভারতের মধ্যভাগের উচ্চভূমি অঞ্চল থেকে শুরু …

Read More….

ভারতের জনজীবনে খালের গুরুত্ব লেখ।

গোটা ভারতজুড়েই অসংখ্য খালের উপস্থিতি দেখা যায় । ভারতের জনজীবনে খালের গুরুত্ব নিম্নরূপ –১. জলসেচে সহায়তাঃ ভারত কৃষিনির্ভর দেশ । কিন্তু মৌসুমি বায়ুর বৃষ্টিপাতের খামখেয়ালিপনা ও অপ্রতুলতার কারণে বিকল্প হিসাবে ভারতে বহু খাল কাটা হয়েছে । ভারতের প্রায় ২৯ % জমিতে খালের মাধ্যমে জলসেচ করা হয় । ২. বন্যা নিয়ন্ত্রণঃ ভারতের বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলিতে বর্ষার সময় …

Read More….

ভারতের জনজীবনে হ্রদ ও জলাশয়ের গুরুত্ব লেখ।

সারা ভারত জুড়েই অসংখ্য হ্রদ ও জলাশয় ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থান করছে । ভারতের অভ্যন্তরীণ জলের চাহিদা মেটানোর দিক দিয়ে এগুলি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে । নিচে ভারতের জনজীবনে হ্রদ ও জলাশয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হল –১. কৃষিকার্যে ব্যবহারঃ বৃষ্টিপাত অপর্যাপ্ত এরকম বহু অঞ্চলে হ্রদ ও জলাশয়ের জল কৃষিকাজে ব্যবহার করা হয় । জলাশয়ের মাধ্যমে ভারতের …

Read More….