☻ বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে এবং যে পদ্ধতিগুলির মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহের এই কার্য সম্পন্ন হয়,তাদের বায়ুর ক্ষয়কার্যের পদ্ধতিবায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি (Methods of Erosional Work of Wind)- অপসারণ (Deflation),অবঘর্ষ (Abrasion) ও ঘর্ষণ (Attrition) প্রক্রিয়া: বলা হয় । বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায় । ভূমিভাগ বা মাটির কাছাকাছি বায়ু প্রবাহের গতিবেগ কম হয় । কারণ

বিস্তারিত

☻বায়ুপ্রবাহের কার্য সারা পৃথিবীতেই কম বেশি দেখা গেলেও সাহারা,গোবি,সোনেরান,কালাহারি ইত্যাদি মরুভুমিতে অধিক পরিমানে দেখা যায় । এর কারনগুলি নিম্নরূপ – ক) বৃষ্টির স্বল্পতাঃ মরু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত মাত্র ১০-১৫ সেমি । তাই এই অঞ্চল বৃক্ষশূন্য ও কৃষিশূন্য হয় । যে কারনে বায়ুর কাজ অধিক হয় । খ) আবহবিকারঃ মরু অঞ্চলে দিন-রাত্রির উষ্ণতার প্রসর বেশি বলে যাত্রিক আবহবিকারও বেশি পরিমানে হয় । ফলে শিলার ক্ষয়কার্যও দ্রুত হারে চলতে থাকে । গ) উদ্ভিদশূন্যতাঃ

বিস্তারিত

☻বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে ।                                                                                     বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায়

বিস্তারিত

ভূপৃষ্ঠে কার্যকরী শক্তি হিসাবে নদী,হিমবাহ প্রভৃতির মত বায়ুপ্রবাহও একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে।                                                                                   বায়ুর কার্য    ক্ষয়কার্য                                                  বহনকার্য                                                      সঞ্চয়কার্য

বিস্তারিত