পরিচিতিঃ সুয়েজ খাল পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল, যা মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত । এই খালটি উত্তরে ভূমধ্যসাগর ও দক্ষিনে লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে । ২০১০ সালে গৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯০ কিমি, প্রস্থ প্রায় ২০৫ মিটার এবং গভীরতা প্রায় ২৪ মিটার । এই খালের প্রবেশপথে ভূমধ্যসাগরের তীরে পোর্ট সৈয়দ এবং শেষপ্রান্তে লোহিত সাগরের তীরে পোর্ট সুয়েজ অবস্থিত । এটি একটি একলেন বিশিষ্ট খাল, যাতে জলতল

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ ভূ-ত্বকের গভীরে এমন কয়েকটি স্থান আছে যেগুলির উষ্ণতা পার্শ্ববর্তী অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি । অত্যাধিক উষ্ণতার জন্য এই অঞ্চলগুলিকে তপ্তবিন্দু বা হটস্পট (Hot Spot) বলে ।  অবস্থানঃ ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীতে হটস্পট রয়েছে প্রায় ২১ টির মত। এই হটস্পটগুলি অগ্ন্যুদগমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র । হাওয়াই, সামোয়া, সেন্ট হেলেনা, ক্যানারি প্রভৃতি আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জ হটস্পট অঞ্চলে অবস্থিত । বৈশিষ্ট্যঃ তপ্তবিন্দু বা হটস্পট – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – তপ্তবিন্দু অঞ্চলের ম্যাগমা অপেক্ষাকৃত

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে ১০৪° থেকে ১৪০° কৌণিক দূরত্বের অঞ্চলে ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গই পৌছাতে পারে না, তাই এই অঞ্চলকে ভূমিকম্পের ছায়া বলয় বা ছায়া অঞ্চল (Seismic Shadow Zone) বলে । প্রফেসর উইসার্ট, বেনো গুটেনবার্গ প্রমুখ ভূ-কম্পবিদ ভূমিকম্পের এই ছায়া বলয়ের উপস্থিতি নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন । তরঙ্গহীনতার কারনঃ আমরা জানি, ভূমিকম্পের গৌণ তরঙ্গ বা S – তরঙ্গ (Secondary Wave) তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হতে পারে না এবং পাশাপাশি প্রাথমিক তরঙ্গ

বিস্তারিত

বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ ‘Epeiros’ যার অর্থ মহাদেশ এবং ‘Genesis’ যার অর্থ সৃষ্টি ; এই দুটি গ্রীক শব্দের সমন্বয়ে “Epeirogenic” অর্থাৎ মহীভাবক শব্দটি এসেছে । সংজ্ঞাঃ যে আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে উল্লম্বভাবে ক্রিয়া করে ভূত্বকের উত্থান বা অবনমন ঘটায়, তাকে মহীভাবক আলোড়ন (Epeirogenic Movement) বলে । ব্যাখাঃ মহীভাবক আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে উল্লম্বভাবে অর্থাৎ, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বরাবর ভূ-কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠ অভিমুখে ক্রিয়াশীল হয় । এই আলোড়নে ভূত্বকের অংশবিশেষ উল্লম্বভাবে উপরে উঠে যায় বা নিচে

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ মহীসোপানের প্রান্তভাগ থেকে শুরু করে সমুদ্রজলে নিমজ্জিত মোটামুটি ২০০ – ২০০০ মিটার (স্থানবিশেষে ৪৫০০ মিটার) গভীরতা পর্যন্ত খাড়া ঢালু সমুদ্রভাগকে মহীঢাল (Continental Slope) বলে । বৈশিষ্ট্যঃ মহীঢাল – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ঢালঃ এটি খাড়া ঢাল বিশিষ্ট । সাধারণত এর গড় ঢাল ৫° এর কাছাকাছি হলেও স্থান বিশেষে এর তারতম্যও হতে পারে; যেমন – পার্বত্য উপকূলে এই ঢালের পরিমাণ ২৫° পর্যন্ত হতে পারে । গভীরতাঃ মহীঢালের গভীরতা ২০০

বিস্তারিত
মহীসোপান (Continental Shelf)

সংজ্ঞাঃ সমুদ্রজলে নিমজ্জিত মোটামুটি ১০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত মহাদেশীয় প্রান্তভাগকে মহীসোপান (Continental Shelf) বলে । বৈশিষ্ট্যঃ মহীসোপান – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ঢালঃ এটি মৃদু ঢাল বিশিষ্ট । সাধারণত এর ঢাল ১° এর কম হলেও স্থান বিশেষে ২°-৩° ও হতে পারে । গভীরতাঃ মহীসোপানের গভীরতা তটরেখা থেকে প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত; তবে স্থান বিশেষে এর গভীরতার তারতম্য দেখা যায় । বিস্তারঃ মহীসোপানের গড় বিস্তার প্রায় ৭০ কিলোমিটার তবে স্থান

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ মানুষ যে প্রচেষ্টার দ্বারা জমি চাষ করে ফসল এবং অন্যান্য উদ্ভিজ্জ ও প্রাণীজ দ্রব্য উৎপাদন করে, তাকে কৃষিকার্য (Agriculture) বলে ।

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ মূলত সরকারী মালিকানাধীন অব্যবহৃত ফাঁকা জমি এবং পতিত জমিতে একক বা যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করাকে সামাজিক বনসৃজন (Socialforestry) বলে । উপযুক্ত গাছঃ নিম, শিরিষ, আম, ইউক্যালিপটাস, কৃষ্ণচূড়া, আকাশমণি প্রভৃতি । উদ্দেশ্যঃ সামাজিক বনসৃজন – এর উদ্দেশ্যগুলি হলো নিম্নরূপ – ক) বিভিন্ন বৃক্ষজাত উপকরণ যেমন – পাতা, ফুল, ফল, শুকনো কাঠ, রজন, মধু, মোম প্রভৃতি সংগ্রহের মধ্য দিয়ে সমাজের গরীব, দুঃস্থ মানুষদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা । খ) পতিত, অনাবাদী জমির

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ কৃষিজমিতে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পাশাপাশি গাছ লাগিয়ে বৃক্ষজাত সম্পদ উৎপাদনের বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিকে কৃষি বনসৃজন (Agroforestry) বলে । উপযুক্ত গাছঃ আম, পেয়ারা, লিচু, নিম, কালমেঘ, কুল প্রভৃতি । উদ্দেশ্যঃ কৃষি বনসৃজন (Agroforestry) – এর উদ্দেশ্যগুলি হলো নিম্নরূপ- ক) কৃষকের কৃষিজাত উৎপাদন ও মুনাফা বৃদ্ধি করা । খ) কৃষকের একফসলজনিত ঝুঁকি কমানো । গ) কৃষিজমিতে ভূমিক্ষয় হ্রাস করা । ঘ) কৃষিজমিতে জৈবসারের পরিমান বৃদ্ধি করা । ঙ) পশুখাদ্যের জোগান বৃদ্ধি করা

বিস্তারিত