সংজ্ঞাঃ  বার্ষিক ৫০ সেমিরও কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে জলসেচের সুবিধা ছাড়াই খরাসহ্যকারী কৃষিফসল উৎপাদনের কৃষিপদ্ধতিকে শুষ্ক কৃষি (Dry Farming) বলে । পরিলক্ষিত অঞ্চলঃ ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজস্থান, পাঞ্জাব, গুজরাট, মহারাষ্ট্রের স্থানবিশেষে এবং দক্ষিণ ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে শুষ্ক কৃষি লক্ষ্য করা যায় । ভারত ছাড়াও ইজরায়েল, লেবানন, সিরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাংশ, মধ্য চীন, USA এর পশ্চিমাঞ্চলে এই কৃষি পরিচালিত হয় । উৎপাদিত ফসলঃ জোয়ার, বাজরা, রাগি প্রভৃতি মিলেট জাতীয় শস্য এবং ভুট্টা, সারগম প্রভৃতি শুষ্ক

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ নিয়মিত এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত যুক্ত অঞ্চলে জলসেচ ছাড়াই কেবলমাত্র বৃষ্টির জলের উপর নির্ভর করে যে কৃষিকাজ পরিচালিত হয় তাকে আর্দ্র কৃষি (Humid Farming) বলে । পরিলক্ষিত অঞ্চলঃ ভারতের মৌসুমী বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে আর্দ্র কৃষি দেখা যায় । এছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলো এবং উত্তর আমেরিকার মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিলের পূর্বভাগে আর্দ্র কৃষি লক্ষ্য করা যায় । উৎপাদিত ফসলঃ ধান(আমন), পাট, ইক্ষু প্রভৃতি । বৈশিষ্ট্যঃ আর্দ্র কৃষি –

বিস্তারিত

ভূমিকাঃ পেট্রোরসায়ন শিল্পকে সূর্যোদয় শিল্প বা উদীয়মান শিল্প বলা হয় । ভারতে এই শিল্পের বয়স মাত্র ৫০ বছরের কিছু বেশী । তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শেষের দিকে ১৯৬৬ সাল থেকে দেশে এই শিল্পের সূত্রপাত ঘটে । ১৯৬৬ সালে ট্রম্বেতে Union Carbide Limited প্রথম পেট্রোরসায়ন কারখানা স্থাপন করে । ১৯৬৭-৬৮ সালে আরও দুটি কারখানা বেসরকারী মালিকানায় স্থাপিত হয় । ১৯৬৯ সালে ভারত সরকার গুজরাটের বদোদরায় এবং পরবর্তী কালে আসামের বংগাইগাঁওতে বৃহদাকার পেট্রোরসায়ন

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ কেন্দ্রীয় বাণিজ্য এলাকা বা সংক্ষেপে CBD (Central Business District) হলো শহর বা নগরের প্রধান বাণিজ্য স্থান । শহরের প্রধান প্রধান বাণিজ্যপথ, ব্যাঙ্ক, অফিস এবং তাদের গুদাম ও বিশেষ কিছু দোকান নিয়ে হলো এই কেন্দ্রীয় বানিজ্য এলাকা । এইসব এলাকায় যারা কাজ করে তারা এই স্থান ও তার লাগোয়া এলাকার জনগণকে ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে । অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাণিজ্য এলাকার বাইরে দোকান অফিস বাণিজ্যিক স্থান অপেক্ষাকৃত কম থাকে

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ একটি বিশেষ স্থানের বিভিন্ন বয়স গোষ্ঠীর নারী ও পুরুষ জনসংখ্যার বন্টনকে লেখচিত্রভিত্তিক সহজতম পদ্ধতির সাহায্যে বয়সভিত্তিক ও লিঙ্গভিত্তিকভাবে উপস্থাপন করা হলে যে পিরামিডাকৃতি অবয়ব পাওয়া যায়, তাকেই বয়স-লিঙ্গ পিরামিড (Age-Sex Pyramid) বলে । নিয়ন্ত্রকঃ বয়স-লিঙ্গ পিরামিডের নিয়ন্ত্রক হিসেবে জন্মহার, শিশু মৃত্যুহার, আয়ুষ্কাল, পরিব্রাজন প্রভৃতি বিষয়গুলি তাৎপর্যপূর্ণ। বৈশিষ্ট্যঃ বয়স-লিঙ্গ পিরামিড – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – এর অনুভূমিক অক্ষের একদিকে পুরুষ ও অপরদিকে নারী জনসংখ্যা শতকরা হিসাবে প্রকাশ করা হয়

বিস্তারিত

পেডোক্যাল মৃত্তিকা (Pedocal Soil): আক্ষরিক অর্থঃ Pedocal = Ped + Cal অর্থাৎ, মৃত্তিকা + ক্যালসিয়াম কার্বনেট সংজ্ঞাঃ বাষ্পীভবন অপেক্ষা বৃষ্টিপাত কম হলে (শুষ্ক জলবায়ুতে) কৈশিক প্রক্রিয়ায় মৃত্তিকার নীচ থেকে ওপরের দিকে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও লবণ উঠে আসে মাটির উপরিস্তরে সঞ্চিত হয় । এই প্রকার মৃত্তিকা পেডোক্যাল মৃত্তিকা (Pedocal Soil) নামে পরিচিত । উদাহরণঃ চেষ্টনাট মৃত্তিকা ও চারনোজেম মৃত্তিকা পেডোক্যাল মৃত্তিকার প্রকৃষ্ট উদাহরণ । অবস্থানঃ সাধারণত শুষ্ক জলবায়ুগত আঞ্চলিক অবস্থানে যেখানে

বিস্তারিত

লোহার উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে খনিজ লৌহ আকরিককে মুলত চারটি বর্গে বিভক্ত করা হয় । যথা – ক) ম্যাগনেটাইট (Fe3O4): কৃষ্ণবর্ণের যে লৌহ আকরিকে ৭৫ শতাংশেরও বেশি লৌহ উপাদান থাকে, তাকে ম্যাগনেটাইট (Fe3O4) বলে ।  বৈশিষ্ট্যঃ ম্যাগনেটাইটের বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ – লৌহ আকরিকগুলির মধ্যে এটি সর্বোৎকৃষ্ট ।  এর বাণিজ্যিক গুরুত্ব সবথেকে বেশি । এটি পৃথিবীর খুব সীমিত স্থানে পাওয়া যায় । এটি প্রাকৃতিক চৌম্বক হিসেবে ব্যবহৃত হয় । এটি

বিস্তারিত

বুৎপত্তিগত অর্থঃ তামিল শব্দ ‘কটাল’ এর অর্থ ‘সমুদ্র’ ।  সংজ্ঞাঃ অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদ ও সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে । একে সিজিগি (Syzygy) অবস্থান বলে । এই অবস্থানে ত্রিমুখী প্রভাবে জোয়ারের জল অনেক বেশি ফুলে ওঠে । একে ভরা কোটাল বা তেজ কোটাল বলে । উৎপত্তিঃ চাঁদ পৃথিবীকে একবার পরিক্রমণ করতে যে সময় নেয়, তাকে চান্দ্রমাস বলে । চান্দ্রমাসের এক একটি দিনকে বলে তিথি । তিথি

বিস্তারিত

সংজ্ঞাঃ ভারতের প্রধান চারটি মহানগর যথা – মুম্বাই, দিল্লি, কলকাতা ও চেন্নাই – কে ছয় লেনবিশিষ্ট (স্থানবিশেষে চার লেন) প্রায় ৫৮৪৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যসম্পন্ন সড়কপথ দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে । এটিই সোনালি চতুর্ভুজ (Golden Quadrilateral) নামে পরিচিত । পরিচিতিঃ এটি কেন্দ্রীয় সরকার গৃহীত ও পরিচালিত একটি প্রকল্প । এই পরিকল্পনাটি গ্রহণ করা হয়েছিল ১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাননীয় অটলবিহারী বাজপেয়ীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে, কাজ শুরু হয়েছিল ২০০১ সালে এবং শেষ

বিস্তারিত

সংজ্ঞা: ০.৫ মিলিমিটারেরও কম ব্যাসযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা বৃষ্টির আকারে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি বা ড্রিজল্ (Drizzle) বলে । উৎপত্তিঃ অধঃক্ষেপণের জলবিন্দুর আকার যদি বেশ বড় হয়, তাহলে এরা নীচের দিকে এত দ্রুত বেগে নামতে থাকে যে বায়ুপ্রবাহের ঘর্ষনে এরা ভেঙে যায় । বায়ুপ্রবাহ যদি ধীরগতিতে উপরের দিকে উঠতে থাকে তাহলে জলকণার মধ্যে সংঘর্ষ কম হয়, এবং এর ফলে জলবিন্দুর আকার বড় হতে পারে না । সেজন্যে অতি

বিস্তারিত