হিমালয়ের গিরিপথ সম্পর্কে লেখ।

হিমালয় অতিক্রম করা খুবই কষ্টকর , কারণ যে সকল হিমালয়ের গিরিপথ আছে সেগুলি অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং সারা বৎসর তুষারপাতের ফলে দুর্গম থাকে । নিচে হিমালয়ের গিরিপথগুলোর নাম ও গন্তব্য তুলে ধরা হল –
১. হিমাচল প্রদেশের কুলু উপত্যকা থেকে মানালি হয়ে রােহটাং ( ৪,৮০০ মিঃ ) ও বরলাচা ( ৪,৮০০ মিঃ ) গিরিপথ দিয়া লেহ শহরে পৌঁছান যায় ।
২.এখান থেকে কারাকোরাম গিরিপথ দিয়ে সিংকিয়াং যাওয়া যায় ।
৩. শ্রীনগর থেকে জোজিলা ( ৩,৩০০ মিঃ ) গিরিপথ দিয়ে লেহ যাওয়া যায় ।
৪. লেহ থেকে কারাকোরামের সসার গিরিপথ দিয়া তুর্কিস্তানে যাওয়া যায় ।
৫. বুর্জিল গিরিপথ দিয়ে শ্রীনগর থেকে গিলগিট হয়ে পামীরে যাওয়া যায় ।
৬. সিমলা থেকে শতদ্রু – উপত্যকা ধরে সিপকি গিরিপথের মধ্য দিয়ে তিব্বতে আসা যায় ।
৭. দার্জিলিং থেকে সিকিম ও চুম্বি – উপত্যকার মধ্য দিয়া একটি পথ লাসায় গেছে ।
৮. সিকিম থেকে জেলেপলা ও নাথুলা গিরিপথ দিয়ে লাসায় যাওয়া যায় ।
৯. পূর্ব – সীমান্তে কোহিমা থেকে টুজুর পথ , আনপথ , টোনগুপ পথ এবং ইম্ফল থেকে মণিপুরের পথ মায়ানমারে যাওয়ার জন্য প্রসিদ্ধ । আবার মায়ানমারের লিডাে থেকে মিংকিয়ানা , ভামাে ও টেপিং উপত্যকা দিয়ে একটি বড় রাস্তা চীনে গেছে ।
১০. পিরপঞ্জলের মধ্য দিয়ে পিরপঞ্জল গিরিপথ ( ৩,৪৯৪ মিঃ ) , বুন্দিলপীর গিরিপথ ( ৪,২০০ মিঃ ) ও বানিহাল গি রপথ ( ২,৮৩২ মিঃ ) বিস্তৃত । বানিহাল গিরিপথ ( জওহর সুড়ঙ্গ ) ২৫৬ কিলােমিটার দীর্ঘ এবং এটি কাশ্মীর – উপত্যকার সাথে সারাবৎসর যােগাযােগ রক্ষা করছে ।