ক্ষুদ্র গ্রাম বা হ্যামলেট কী?

সংজ্ঞাঃ মূল বসতি থেকে দূরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় খুবই অল্প সংখ্যক জনবসতি নিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে গড়ে ওঠা সতিগুলিকে হ্যামলেট বা ক্ষুদ্র গ্রাম বলে ।

বৈশিষ্ট্যঃ ক্ষুদ্র গ্রাম বা হ্যামলেট – এর বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ –
১. সাধারণত প্রাকৃতিক দিক থেকে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে , এমন স্থানগুলিতেই হ্যামলেট গড়ে ওঠে ।
২. আমাদের দেশে এই ধরনের বসতি অনেক সময় প্রধান গ্রামের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় । প্রধান বসতি থেকে একটু দূরে গড়ে ওঠা এ ধরনের বসতিগুলাে “ টোলা ’ , ‘ টুলী ” “ ছােট ” ইত্যাদি নামে পরিচিত । প্রধান বসতির নামের শেষে “ টোলা ” , “ টুলী ” বা নামের আগে “ ছােট ” শব্দ যুক্ত ঐ বসতিগুলাে যে প্রধান বসতিরই অংশ তা বােঝা যায় ।
৩. অনেক সময় গ্রামের শেষ প্রান্তে অবস্থিত এবং প্রধান গ্রাম থেকে সামান্য দূরত্বে গড়ে ওঠা এ ধরনের ক্ষুদ্র গ্রামগুলােতে সাধারণতঃ সমাজের তথাকথিত পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর মানুষেরা বাস করে । বিহারের ছােটনাগপুর মালভূমিতে ইতঃস্তত বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে ওঠা বসতিগুলাে এর পরিচায়ক ।
৪. ক্ষুদ্রগ্রামে ৪ / ৫ – টি বাড়ি ( যেমন জলপাইগুড়ি জেলার টাডী বা জোত ) থেকে ২০ / ২৫ – টি বাড়ির সমাবেশ দেখা যায় । এসব বসতিতে ক্ষেত্র বিশেষে দুই একটি মুদীখানাও থাকে ।
৫. আশপাশের গ্রাম যদি একটু দূরে থাকে তবে এ ধরনের বসতিতে ইদগা – মসজিদ, দুর্গামণ্ডপও দেখা যায় ।