হিমপ্রাচীর

সংজ্ঞাঃ উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর দিক থেকে আগত সবুজ রঙের লাব্রাডর স্রোত ও দক্ষিন দিক থেকে আগত নীল রঙের উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত যে সীমারেখায় পরস্পরের সাথে মিলিত হয়, তাকে হিমপ্রাচীর বলে ।অবস্থানঃ উত্তর আমেরিকার উত্তর পূর্ব দিকে অবস্থিত নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূল বরাবর হিমপ্রাচীর অবস্থিত ।

বৈশিষ্ট্যঃ হিমপ্রাচীর-এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ-

  • ১. এটি হলো উষ্ণ স্রোত ও শীতল স্রোতের মিলনস্থল ।
  • ২. এই অঞ্চলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে ।
  • ৩. এটি একটি বাস্ততান্ত্রিক বৈচিত্র্যময় অঞ্চল ।
  • ৪. এই অঞ্চলে সম্পুর্ণ বিপরীতধর্মী ও বিপরীতমুখী দুটি সমুদ্রস্রোত মিলিত হয় ।

[ppwp pwd_label=”sample”]

প্রভাবঃ হিমপ্রাচীর-এর প্রভাবগুলি হলো নিম্নরূপ-

১. সুপ্রভাবঃ

  • ক) শীতল স্রোতবাহিত হিমশৈলগুলি হিমপ্রাচীরে উষ্ণ স্রোত দ্বারা গলে যায় ।
  • খ) হিমপ্রাচীর প্রত্যক্ষভাবে সামুদ্রিক মগ্নচড়া সৃষ্টি করে । যেমন- গ্র‍্যান্ড ব্যাংক, জর্জেস ব্যাংক প্রভৃতি ।
  • গ) মগ্নচড়া অঞ্চলে প্রচুর পরিমানে প্লাংকটন জন্মানোর ফলে সামুদ্রিক মৎসের আগমন ঘটে ও বানিজ্যিক মৎসচারণক্ষেত্র গড়ে ওঠে ।
  • ঘ) একটি সম্পুর্ণ সংগঠিত বাস্তুতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে ওঠে ।

২. কুপ্রভাবঃ

  • ক) উষ্ণ স্রোত ও শীতল স্রোতের মিলনের ফলে ঝড়-ঝঞ্ঝা ও কুয়াশার সৃষ্টি হয় ।
  • খ) এই অঞ্চলের দুর্যোগপূর্ণ পরিবেশ ও অদৃশ্যমানতা জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে অসুবিধা সৃষ্টি করে ।

[/ppwp]

Leave a Reply