গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি বা ড্রিজল্ (Drizzle)

সংজ্ঞা: ০.৫ মিলিমিটারেরও কম ব্যাসযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণা বৃষ্টির আকারে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি বা ড্রিজল্ (Drizzle) বলে ।

উৎপত্তিঃ অধঃক্ষেপণের জলবিন্দুর আকার যদি বেশ বড় হয়, তাহলে এরা নীচের দিকে এত দ্রুত বেগে নামতে থাকে যে বায়ুপ্রবাহের ঘর্ষনে এরা ভেঙে যায় । বায়ুপ্রবাহ যদি ধীরগতিতে উপরের দিকে উঠতে থাকে তাহলে জলকণার মধ্যে সংঘর্ষ কম হয়, এবং এর ফলে জলবিন্দুর আকার বড় হতে পারে না । সেজন্যে অতি ধীরগতিসম্পন্ন বায়ুপ্রবাহে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি বা ড্রিজল্ (Drizzle)- এর সৃষ্টি হয় ।

[ppwp pwd_label=”sample”]

বৈশিষ্ট্য: গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি (Drizzle) – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ –

  • উচ্চ বা মধ্য বায়ুমন্ডলের স্তর থেকে এটি সৃষ্টি হয়ে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয় ।
  • মূলত নিম্বো-স্ট্র‍্যাটাস মেঘ থেকে এটি উৎপত্তি লাভ করে । জলকণাগুলি প্রায় সমআয়তনবিশিষ্ট হয় ।
  • আপাতদৃষ্টিতে দেখলে মনে হয় যেন জলকণাগুলি ভেসে বেড়াচ্ছে ।
  • এদের পতনের বেগ মোটামুটি ১.৫ ms -1.
  • মূলত বর্ষাকালে প্রবল বর্ষনের পরে এগুলি সৃষ্টি হলেও অনেকসময় শীতকালেও পশ্চিমা ঝঞ্জার প্রভাবে স্ট্র‍্যাটাস মেঘ থেকেও গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি (Drizzle) সৃষ্টি হয়ে থাকে ।

[/ppwp]

Leave a Reply