জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater):

সংজ্ঞা: ভূঅভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা একটি নির্গমন পথের মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হয় । এই নির্গমন পথটির ম্যাগমা উৎক্ষেপকারী ফানেলাকৃতি খোলা অংশটিকে জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater) বলে ।

উদাহরণ: আলাস্কার অনিয়াচাক আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ পৃথিবীর বৃহত্তম জ্বালামুখ ।

শ্রেণীবিভাগ: প্রকৃতি অনুসারে জ্বালামুখ মূলত দুই প্রকার । যথা-

  • ১. প্রধান জ্বালামুখ ও
  • ২. গৌণ জ্বালামুখ ।

এবং গঠন অনুসারে জ্বালামুখ মূলত চার প্রকার । যথা-

  • ১. বিস্ফোরিত জ্বালামুখ,
  • ২. কিনারা গঠিত জ্বালামুখ,
  • ৩. ধ্বস জ্বালামুখ এবং
  • ৪. পিট জ্বালামুখ ।

বৈশিষ্ট্য: জ্বালামুখ বা ক্রেটার-এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ-

  • ক) জ্বালামুখের ব্যাস কয়েক মিটার থেকে কয়েক কিমি পর্যন্ত হতে পারে ।
  • খ) জ্বালামুখ দিয়ে গ্যাস, পাইরোক্লাস্টিক পদার্থ, লাভা প্রভৃতি নির্গত হয় ।
  • গ) জ্বালামুখ আগ্নেয় পদার্থ জমাট বেঁধে বন্ধ হয়ে গেলে তাতে জল জমে যে হ্রদ সৃষ্টি হয়, তাকে জ্বালামুখ হ্রদ বা ক্রেটার হ্রদ (Crater Lake) বলে ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: