ভূ-বৈচিত্রসূচক মানচিত্র বা ভূ-বিবরণী মানচিত্র (Topographical Map):

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ “Topographical” শব্দটি উৎপত্তিলাভ করেছে গ্রীক শব্দ “Topos” যার অর্থ স্থান ও “Graphos” যার অর্থ অঙ্কন, এই দুটি শব্দের মিলনের ফলে ।

সংজ্ঞাঃ কোনো একটি অঞ্চলের সঠিক অবস্থান, আয়তন এবং প্রাকৃতিক বিষয়াবলী (ভূ-প্রকৃতি, নদনদী ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ) ও সাংস্কৃতিক বিষয়াবলী (পরিবহন-যোগাযোগ, জনবসতি) কে বিভিন্ন প্রচলিত প্রতীকচিহ্ন দ্বারা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিত্রায়িত করে যে মানচিত্র প্রস্তুত করা হয়, তাকে ভূ-বৈচিত্রসূচক মানচিত্র বা ভূ-বিবরণী মানচিত্র (Topographical Map) বলে ।

উদাহরণঃ 73J/7, 73B/16 প্রভৃতি ।

বৈশিষ্ট্যঃ ভূ-বৈচিত্রসূচক মানচিত্র – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –

  • ক) মানচিত্রের একদম উপরিভাগে মানচিত্রের সূচক সংখ্যা নির্দেশিত থাকে ।
  • খ) মানচিত্রের উপরে সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও জেলার নাম উল্লিখিত থাকে ।
  • গ) প্রত্যেক মানচিত্রে একটি সুনির্দিষ্ট স্কেল অবশ্যই থাকবে । যেমন – RF 1:150000
  • ঘ) মানচিত্রটি নির্দিষ্ট অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ দ্বারা চিহ্নিত থাকে ।
  • ঙ) মানচিত্রের বিষয়াবলীকে প্রচলিত বিভিন্ন চিহ্ন, সংকেত ও রঙের সাহায্যে উপস্থাপন করা হয় ।
  • চ) মানচিত্রটিতে জরিপকাল, প্রকাশনাকাল ও তত্ত্বাবধায়কের নাম উল্লিখিত থাকে ।
  • ছ) মানচিত্রটিতে ভূ-প্রকৃতি, নদনদী, স্বাভাবিক উদ্ভিদ প্রভৃতি প্রাকৃতিক বিষয়াবলী ও পরিবহন-যোগাযোগ, জনবসতি প্রভৃতি সাংস্কৃতিক বিষয়াবলীকে উপাদান হিসাবে উপস্থাপন করা হয় ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: