আঁধি (Aandhi):

☻ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ ‘আঁধি’ শব্দটি হিন্দি শব্দ ‘আন্ধেরা’ থেকে এসেছে, যার অর্থ অন্ধকার

সংজ্ঞাঃ উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বিকালবেলার দিকে একপ্রকার বালিপূর্ণ বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে, যা আঁধি (Aandhi) নামে পরিচিত ।

প্রভাবিত অঞ্চলঃ উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তর ভারতের দিল্লী ও উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল গ্রীষ্মকালে আঁধির দ্বারা প্রভাবিত হয় ।

বৈশিষ্ট্যঃ আঁধি – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ –
ক) এটি একপ্রকার উষ্ণ (৪০°C-৪২°C) ও শুষ্ক আঞ্চলিক বায়ুপ্রবাহ
খ) প্রচুর পরিমানে হালকা ধূলিকণা বহন করে ।
গ) এই বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ প্রায় ৭০ কিমি / ঘণ্টা ।
ঘ) বিশেষক্ষেত্রে অনেকসময় আঁধি প্রবাহের পরে সামান্য বৃষ্টিপাত হয় ।

প্রভাবঃ আঁধি – এর প্রভাবগুলি হল নিম্নরূপ –
ক) আঁধি প্রবাহকালে প্রভাবিত অঞ্চল ধুলিকণায় ঢেকে গিয়ে অন্ধকার হয়ে আসে এবং দৃশ্যমানতা হ্রাস পায় ।
খ) খুবই কষ্টদায়ক আবহাওয়া সৃষ্টি হয় । শ্বাসকষ্ট, সর্দিগর্মি প্রভৃতি দেখা দেয় ।
গ) কৃষিক্ষেত্রসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলি ধূলিকণার আবরণে ঢাকা পড়ে যায় ।
ঘ) রাজস্থানের মরু অঞ্চলে অপসারণজনিত গর্ত তথা ধান্দ সৃষ্টি হয় ।

2 comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s