বোরা (Bora):

ব্যুৎপত্তিগত অর্থঃ Bora’ একটি গ্রীক শব্দ, যার অর্থ ‘স্বল্পস্থায়ী গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টি’ ।

সংজ্ঞাঃ শীতকালে আল্পস পর্বত থেকে দক্ষিণ ইটালির অ্যাড্রিয়াটিক উপকূলের দিকে একরকমের শীতল ও শুষ্ক বায়ু প্রবাহিত হয়, যা বোরা (Bora) নামে পরিচিত ।

প্রভাবিত অঞ্চলঃ আল্পস পর্বতের দক্ষিণ ঢাল বরাবর নিম্নগামী হওয়ার পর অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বোরা বায়ুপ্রবাহ তার প্রভাব বিস্তার করে ।

বৈশিষ্ট্যঃ বোরা – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) এটি একপ্রকার শীতল ও শুষ্ক আঞ্চলিক বায়ুপ্রবাহ ।
খ) এটি শীতকালে প্রবাহিত হয় ।
গ) বোরা তীব্রগতিসম্পন্ন বায়ু, কখনও কখনও এটি ১৫০ কিমি / ঘণ্টা বা তারও বেশী গতিবেগে প্রবাহিত হয়ে থাকে ।

প্রভাবঃ বোরা – র প্রভাবগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) এটি একপ্রকার শীতল ও শুষ্ক বায়ুপ্রবাহ, যার প্রভাবে সংশ্লিষ্ট স্থানের উষ্ণতা হ্রাস পায়, বিশেষতঃ ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের দেশগুলিতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সৃষ্টি করে এবং অতিরিক্ত ঠান্ডার জন্য স্বাভাবিক জীবনযাপন বিঘ্নিত হয় ।
খ) সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে উচ্চচাপপ্রতীপ ঘূর্ণবাত সৃষ্টি করে ।
গ) ভারতীয় উপমহাদেশে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা সৃষ্টির পিছনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ।

2 comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s