প্লাবনভূমি (Flood Plain):

☻সংজ্ঞাঃ নিম্নপ্রবাহে প্রায়ই প্লাবনের ফলে নদীর দুই কূল ভেসে জলে ডুবে যায় এবং তাতে পলি সঞ্চিত হয়ে ক্রমশ যে পলিগঠিত সমভূমি সৃষ্টি হয়, তাকে প্লাবনভূমি (Flood Plain) বলে ।

উদাঃ ভাগীরথী-হুগলী (গঙ্গা), নীল, ইয়াং সিকিয়াং প্রভৃতি নদ-নদীর নিম্নপ্রবাহ জুড়ে বহু প্লাবনভূমি রয়েছে ।

প্লাবনভূমি (Flood Plain)

প্লাবনভূমি (Flood Plain)

উৎপত্তিঃ নদী তার নিম্নগতিতে সমুদ্রের কাছাকাছি চলে এলে ভূমির ঢাল হ্রাস পায় এবং নদীবাহিত সূক্ষ্ম কর্দম, পলি, বালি প্রভৃতি নদীগর্ভে সঞ্চিত হতে থাকে । ফলে নদীবক্ষ ভরাট হয়ে নদীর গভীরতা ক্রমশ কমে যায় । এমতাবস্থায়, বর্ষাকালে নদীতে হঠাৎ জল বেড়ে গেলে এই অগভীর উপত্যকা ছাপিয়ে নদীর দুই কূলের নীচু জমি প্লাবিত হয় । এভাবে বছরের পর বছর ধরে প্লাবিত অঞ্চলে নদীবাহিত পলি, বালি, কর্দম প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে ক্রমশ প্লাবনভূমি সৃষ্টি হয় ।

বৈশিষ্ট্যঃ প্লাবনভূমি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) বছরের পর বছর ধরে প্লাবনের ফলে প্লাবনভূমি সৃষ্টি হয়; এমনকি গঠনের কয়েক বছর পরেও এটি পুনরায় প্লাবিত হতে পারে ।
খ) এটি মোটামুটি সমতল প্রকৃতির হয় ।
গ) এটি খুবই উর্ব্বর প্রকৃতির হয় ।
ঘ) প্লাবনভূমি দৈর্ঘ্যে মোটামুটি ৩০-৬০ কিমি এবং প্রস্থে কয়েক মিটার থেকে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে ।

2 thoughts on “প্লাবনভূমি (Flood Plain):

  1. Pingback: আদর্শ নদী (Ideal River): – bhoogolok.com

  2. Pingback: স্বাভাবিক বাঁধ বা লেভি (Natural Levee): – bhoogolok.com

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.