পলল ব্যজনী বা পলল পাখা (Alluvial Fan):

☻সংজ্ঞাঃ পলল শংকুর উপর দিয়ে নদী বিভিন্ন শাখা প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে প্রবাহিত হলে পলল শংকু অর্ধগোলাকৃতিতে ভাগ হয়ে যে হাতপাখা আকৃতির ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে পলল ব্যজনী বা পলল পাখা (Alluvial Fan) বলে ।

পলল ব্যজনী বা পলল পাখা (Alluvial Fan)

পলল ব্যজনী বা পলল পাখা (Alluvial Fan)

উদাঃ হিমালয়ের পাদদেশে এরূপ অনেক পলল ব্যজনী দেখা যায় । উত্তরপ্রদেশের হরিদ্বার ও হৃষীকেশের কাছে এরকম পলল ব্যজনী দেখা যায় ।

বৈশিষ্ট্যঃ পলল ব্যজনী বা পলল পাখা – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) পলল ব্যজনী বা পলল পাখা মূলত ছোট ছোট শিলাখন্ড, নুড়ি, কাঁকর ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা দ্বারা গঠিত হয় ।
খ) এদের ঢাল ১°-৫° হয় ।
গ) পলল ব্যজনী বা পলল পাখা আকৃতিতে কয়েক কিলোমিটার থেকে ১০০ কিলোমিটার অবধিও হতে পারে ।
ঘ) এগুলি দেখতে অনেকটা ধনুকাকৃতি বা গোলাকৃতি হয় ।

4 thoughts on “পলল ব্যজনী বা পলল পাখা (Alluvial Fan):

  1. Pingback: নদীর অবক্ষেপণ কার্য বা সঞ্চয় কার্য (Depositional Works of River): – bhoogolok.com

  2. Pingback: আদর্শ নদী (Ideal River): – bhoogolok.com

  3. Pingback: নদীর অবক্ষেপণ কার্য বা সঞ্চয় কার্য (Depositional Works of River): | bhoogolok.com

  4. Pingback: অন্তঃসলিলা নদী বা ফল্গু নদীঃ | bhoogolok.com

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.