পলল শংকু (Alluvial Cone):

☻সংজ্ঞাঃ পার্বত্য অঞ্চলের পরে সমভূমি প্রবাহের শুরুতে নদী উপত্যকায় বিভিন্ন আকৃতির শিলাখন্ড অবক্ষেপিত হয়ে তিনকোণা অর্থাৎ শংকুর মত আকৃতির ভুমিরূপ সৃষ্টি হলে তাকে পলল শংকু (Alluvial Cone) বলে ।

উদাঃ হিমালয়ের পাদদেশে এরূপ অসংখ্য পলল শংকু দেখা যায় । কাশ্মীর হিমালয়ের জাসকর, দ্রাগ, অ্যাস্টর, শিয়ক, শিগার প্রভৃতি নদীতে অনেক পলল শংকু দেখা যায় ।

পলল শংকু (Alluvial Cone)

পলল শংকু (Alluvial Cone)

উৎপত্তিঃ পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয়সাধন ও বহন । এইসময় নদী স্থলভাগকে ক্ষয় করে ও ক্ষয়িত অংশ পরিবহন করে । কিন্তু, উচ্চপ্রবাহ পার্বত্য অঞ্চলে সমাপ্ত হওয়ার পর নদী সমভূমিতে নেমে এসে তার মধ্যপ্রবাহ শুরু করে । এমতাবস্থায় নদী তার বোঝা হালকা করে ও বাহিত বিভিন্ন আকৃতির শিলাখন্ডগুলি সমভূমি প্রবাহের শুরুতেই অধঃক্ষেপিত করে তিনকোণা শংকু আকৃতির পলল শংকু গড়ে তোলে । সেই কারণে এটি নদীর সঞ্চয়কার্যের প্রথম ভূমিরূপ বলে ধরা হয় ।

বৈশিষ্ট্যঃ পলল শংকু – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) এগুলি মূলত বৃহৎ শিলাখন্ড দ্বারা গঠিত থাকে ।
খ) এদের ঢাল ১°-১৫° হয় ।
গ) পলল শংকুতে জল কম ও অবস্কর বেশী হয় ।
ঘ) এদের আয়তন কয়েক মিটারের মত হয় ।

4 thoughts on “পলল শংকু (Alluvial Cone):

  1. Pingback: নদীর অবক্ষেপণ কার্য বা সঞ্চয় কার্য (Depositional Works of River): – bhoogolok.com

  2. Pingback: আদর্শ নদী (Ideal River): – bhoogolok.com

  3. Pingback: পলল ব্যজনী বা পলল পাখা (Alluvial Fan): | bhoogolok.com

  4. Pingback: নদীর অবক্ষেপণ কার্য বা সঞ্চয় কার্য (Depositional Works of River): | bhoogolok.com

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.