বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদীঃ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

☻সংজ্ঞাঃ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতাবিশিষ্ট পাহাড়, ক্ষয়জাত পর্বত, মালভূমি বা অন্য যে কোনো অল্প উচ্চতাবিশিষ্ট উচ্চভূমি অঞ্চল থেকে বৃষ্টির জল উপনদীগুলি কর্তৃক বাহিত হয়ে একত্রে একটি প্রধান নদী সৃষ্টি করলে, তাকে বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদী বলে ।

উদা: ভারতের ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে সৃষ্ট সুবর্ণরেখা নদী, সাতপুরা পর্বতের অমরকন্টক থেকে সৃষ্ট মহানদী নদী, ব্রক্ষ্মগিরি পাহাড় থেকে উৎপন্ন কাবেরী নদী প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদী

বৈশিষ্ট্য:  বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদী – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) এইপ্রকার নদী মূলত: অল্প উচ্চতাবিশিষ্ট উচ্চভূমি থেকে সৃষ্টি হয় ।
খ) অধিকাংশ বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদীতে সারাবছর জল থাকে না ।
গ) বর্ষাকালব্যতীত নদীগুলিতে জলের পরিমান ও স্রোতের বেগ খুবই কম থাকে ।
ঘ) অধিকাংশ নদীগুলিই সারাবছর ধরে নৌ-চলাচলযোগ্য থাকে না ।
ঙ) অধিকাংশ বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদীই অপেক্ষাকৃত কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট হয় ।
চ) বেশিরভাগ বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদীর নদীবক্ষই গ্রীষ্মকালে জলের অভাবে প্রবাহহীন হয়ে শুষ্ক অবস্থায় পড়ে থাকে ।
ছ) বর্ষাকালে প্লাবন ও গ্রীস্মকালে জলশূন্যতা – অনিত্যবহ নদীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য । এই অসাম্যতা দূর করার উদ্দেশ্যে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ অনিত্যবহ নদীর প্রবাহপথে বাঁধ দিয়ে বহুমুখী নদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় ।

Related Posts

One thought on “বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদীঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *