বরফগলা জলে পুষ্ট নদীঃ

☻সংজ্ঞাঃ তুষার বা হিমবাহ অধ্যুষিত উচ্চ অঞ্চল থেকে অসংখ্য উপনদী কর্তৃক সেই বরফ বা তুষারগলা জল পরিবাহিত হয়ে একটি মূল নদী গঠিত হলে, সেই নদীকে বরফগলা জলে পুষ্ট নদী বলে ।

উদাঃ গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে সৃষ্ট গঙ্গা নদী একটি উল্লেখযোগ্য বরফগলা জলে পুষ্ট নদী ।

বৈশিষ্ট্যঃ  বরফগলা জলে পুষ্ট নদী – র বৈশিষ্টগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) বরফগলা জলে পুষ্ট নদীগুলিতে সারাবছরই জল থাকে ।
খ) এগুলি অসংখ্য উপনদীসমন্বিত হয় ।
গ) অধিকাংশ বরফগলা জলে পুষ্ট নদীগুলিতে পার্বত্য প্রবাহ, সমভূমি প্রবাহব-দ্বীপ প্রবাহ – এই তিনপ্রকার প্রবাহই দেখা যায় ।
ঘ) জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পক্ষে খুবই অনুকূল হয় ।
ঙ) সারবছর ধরেই প্রবাহপথের অধিকাংশই নৌচলাচলযোগ্য থাকে ।
চ) ক্ষয়কার্য, বহনকার্যঅবক্ষেপণকার্য – নদীর এই তিনপ্রকার কার্যই মোটামুটি সুস্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয় ।
ছ) এদের উৎসস্থল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হিমরেখার উপরে অবস্থান করে ।

One comment

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s