জলবিভাজিকা (Water-Shed Or, Water-Parting):

☻ সংজ্ঞাঃ পাশাপাশি অবস্থিত দুই বা ততোধিক নদী অববাহিকা যে উচ্চভূমি দ্বারা পৃথক থাকে, তাকে (Water-Shed Or, Water-Parting) বলে । সাধারণতঃ পাহাড় – পর্বত, মালভূমি ইত্যাদি জলবিভাজিকার ভূমিকা পালন করে ।

উদাঃ মধ্য এশিয়ার পার্বত্যভূমি হল পৃথিবীর সর্বপ্রধান জলবিভাজিকা । এই জলবিভাজিকা অঞ্চল থেকেই পৃথিবীর সবথেকে বেশী নদী উৎপন্ন হয়ে ভূমির ঢাল অনুসারে বিভিন্নদিকে প্রবাহিত হয়েছে ।

বৈশিষ্ট্যঃ জলবিভাজিকা – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) প্রধান নদীউপনদীগুলির জলের যোগান মূলতঃ জলবিভাজিকা অঞ্চল থেকেই আসে ।
খ) সময়ের সাথে সাথে নদীগুলি জলবিভাজিকাকে ক্রমশঃ ক্ষয় করে তার উচ্চতা ও প্রশস্ততা উভয়ই হ্রাস করতে থাকে ।
গ) জলবিভাজিকা অঞ্চল যতই বৃহৎ ও উঁচু হয়, সংশ্লিষ্ট নদীগুলি ততই জলবহুল ও স্রোতস্বিনী হয় ।

2 comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s