এস্কার (Esker) ও কেম (Kame):

☻ এস্কার (Esker): উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের পাদদেশে হিমবাহের বহন করে আনা বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি, পাথর, কাদা, বালি, কাঁকর প্রভৃতি জমা হয়ে দীর্ঘ, আঁকাবাঁকা, নাতিউচ্চ ও সংকীর্ণ বাঁধের মতো শৈলশিরা বা উচ্চভূমি গঠন করে । একে এস্কার (Esker) বলে ।

উদাঃ ফিনল্যান্ডের পুনকাহারয়ু একটি বিখ্যাত এস্কার ।

বৈশিষ্ট্যঃ এস্কার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) এটি বহিঃবিধৌত সমভূমির মধ্যে অবস্থিত হয় ।
খ) হিমবাহ থাকাকালীন এটি দেখা যায় না, হিমবাহ গলে গেলে এটি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে ।

এস্কার (Esker) ও কেম (Kame)

এস্কার (Esker) ও কেম (Kame)

☻ কেম (Kame): অনেক সময় পার্বত্য হিমবাহের শেষপ্রান্তে হিমবাহ যেখানে গলতে শুরু করে সেখানে কাদা, বালি, নুড়ি, পাথর, কাঁকর ইত্যাদি স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়ে ব-দ্বীপ আকৃতিবিশিষ্ট অর্থাৎ ত্রিকোণাকার যে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে কেম (Kame) বলে ।
উপত্যকার দুই পাশে কেম সৃষ্টি হলে তাকে কেমমঞ্চ বা কেমসোপান বলে ।

উদাঃ পূর্ব স্কটল্যান্ডের ল্যামারহিলে বহু কেম দেখা যায় ।

বৈশিষ্ট্যঃ কেম – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক) কেম হলো হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে সৃষ্ট সঞ্চয়জাত ভূমিরূপের একটি প্রকৃষ্ট নিদর্শন ।
খ) এগুলি উপত্যকার পার্শ্বদেশের সঙ্গে মিশে ধাপ তৈরি করে ।

2 thoughts on “এস্কার (Esker) ও কেম (Kame):

  1. Pingback: হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভুমিরূপসমূহ (Landforms made by depositional Work of Glacier): | bhoogolok.wordpress.com

  2. Pingback: হিমবাহের সঞ্চয়কার্য ও সৃষ্ট ভূমিরূপসমূহ (Depositional Works of Glacier and Landforms): | bhoogolok.com

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.