হিমশিরা বা এরিটি (Arete) ও পিরামিড চূড়া (Pyramidal Peak):

হিমশিরা বা এরিটি (Arete): উপত্যকা হিমবাহের উৎসক্ষেত্রে ক্ষয়কাজের ফলে সার্ক সৃষ্টি হয় । পাশাপাশি দুটি সার্কের মধ্যবর্তী খাড়াই অংশকে অ্যারেৎ বা এরিটি (Arete) বলে ।

উদাঃ আল্পস পর্বতে বহু এরিটি দেখা যায় ।

বৈশিষ্ট্যঃ এরিটি – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ-
ক) এরিটির শীর্ষদেশে অনেকটা করাতের মতো খাঁজ কাটা থাকে ।
খ) পাশাপাশি দুটি সার্ক সৃষ্টি হলে এটি গঠিত হয় ।


পিরামিড চূড়া (Pyramidal Peak): উপত্যকা হিমবাহের উৎসক্ষেত্রে ক্ষয়কাজের ফলে সার্কের সৃষ্টি হয় । যখন একটি পাহাড়ের বিভিন্ন দিক থেকে তিন-চারটি সার্ক পাশাপাশি এক সঙ্গে বিরাজ করে, তখন এদের মধ্যবর্তী খাড়া পর্বতচূড়াটিকে পিরামিডের মতো দেখায় । পিরামিডের মত আকৃতিবিশিষ্ট এই ধরনের পর্বতচূড়াকে পিরামিড চূড়া (Pyramidal Peak) বলে ।

হিমশিরা বা এরিটি (Arete) ও পিরামিড চূড়া (Pyramidal Peak)

হিমশিরা বা এরিটি (Arete) ও পিরামিড চূড়া (Pyramidal Peak)

উদাঃ আল্পস পর্বতের ম্যাটারহর্ন এবং গঙ্গোত্রীর কাছে অবস্থিত হিমালয় পর্বতের নীলকন্ঠ ও শিবলিঙ্গ শৃঙ্গ দুটি উল্লেখযোগ্য পিরামিড চূড়ার উদাহরণ ।

বৈশিষ্ট্যঃ পিরামিড চূড়া – র বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ-
ক)
অনেকগুলি সার্কের পাশাপাশি অবস্থানের ফলে এটি সৃষ্টি হয় ।
খ)
উপত্যকা হিমবাহের উৎসক্ষেত্রে এরূপ ভূমিরূপ পরিলক্ষিত হয় ।

6 comments

Suman Kr Roy শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s