সার্ক (Cirque) বা করি (Corrie):

☻সংজ্ঞাঃ হিমবাহের অত্যাধিক চাপ ও ঘর্ষনের ফলে উপত্যকার উপরের অংশ খুব খাড়াই হয় এবং মধ্যভাগে অনেকটা গর্তের মতো অবনত জায়গার সৃষ্টি হয় । এর ফলে পুরো উপত্যকাটির আকৃতি অনেকটা হাতল ছাড়া ডেক চেয়ারের মতো দেখতে হয় । এইরকম আকৃতিবিশিষ্ট উপত্যকাকে ফরাসি ভাষায় সার্ক (Cirque) এবং ইংরেজিতে কুম (Cumbe) বা করি (Corrie) বলে ।

করি হ্রদ (Corrie Lake)

করি হ্রদ (Corrie Lake)

সার্ক (Cirque) বা করি (Corrie)

সার্ক (Cirque) বা করি (Corrie)

উপত্যকা হিমবাহের উৎসক্ষেত্রে ক্ষয়কাজের ফলে সার্কের সৃষ্টি হয় । পার্বত্য উপত্যকাটি যতদিন পর্যন্ত হিমবাহ দ্বারা চাপা পড়ে থাকে ততদিন সার্ক দেখা যায় না, হিমবাহ সরে গিয়ে উপত্যকাটি বরফযুক্ত হলে তবেই সার্ক দেখা যায় । গ্রীষ্মকালে অনেকসময় বরফ গলে গেলে করির মধ্যে অবনত অংশে জল জমে হ্রদ সৃষ্টি হয় । একে করি হ্রদ (Corrie Lake) বলে ।

উদাঃ হিমালয় পর্বতের হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে বহু সার্ক দেখা যায় ।

গঠনঃ সার্ক – এর তিনটি অংশ । যথা – ক) খাঁড়া মস্তক প্রাচীর খ) বেসিন এবং গ) করিওষ্ঠ ।

বৈশিষ্ট্যঃ করি বা সার্ক – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ-
ক) এটি অবঘর্ষ প্রক্রিয়া ও শিলাখন্ডের উৎপাটন প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয় ।
খ) এটি বরফাবৃত থাকলে ক্রেভাস ও বার্গস্রুন্ড দেখা যায় ।

7 comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s