গ্রীন হাউস প্রভাব বা গ্রীন হাউস এফেক্ট (Green House Effect):

☻ সাধারণতঃ উচ্চ অক্ষাংশে শীতপ্রধান উন্নত দেশসমূহে শাক-সবজি উৎপাদনের জন্য তৈরী বিশেষ একধরনের কাঁচের ঘরকে সবুজ ঘর বা গ্রীন হাউস (Green House) বলা হয়ে থাকে । কাঁচ স্বাভাবিকভাবেই সূর্যের আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গরশ্মিকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়, কিন্তু প্রতিফলিত দীর্ঘ তরঙ্গের সৌরবিকিরণকে কাঁচ কোনোভাবেই বাইরে বেরোতে দেয় না, ফলে এই ঘরের মধ্যে তাপমাত্রা আটকা পড়ে ক্রমশ ঘরের অভ্যন্তরস্থ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং শাক-সবজি বা গাছপালা জন্মানোর জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠে ।

বর্তমানে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলও অনেকটা গ্রীন হাউসের মত আচরণ করছে । সূর্যকিরণ থেকে পৃথিবীতে মোট যে পরিমাণ বিকিরণ আসে তার ৩৪ % (২ % ভূপৃষ্ঠ থেকে, ৭ % বায়ুমন্ডল থেকে এবং ২৫ % মেঘপুঞ্জ থেকে) বিকিরণ মেঘপুঞ্জ, ধুলিকণা প্রভৃতি দ্বারা প্রতিফলিত হয়ে মহাশূন্যে ফিরে যায় । পৃথিবী থেকে সূর্যরশ্মির প্রত্যাবর্তনের এই প্রাকৃতিক ঘটনাকে অ্যালবেডো (Albedo) বলে । এই প্রতিফলিত অ্যালবেডো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলকে কোনোভাবেই উত্তপ্ত করতে পারে না, ফলে তা পৃথিবীর তাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিরাট ভূমিকা নেয় । কিন্তু গত বেশ কয়েক দশক ধরে বায়ুমন্ডলে অবস্থিত কিছু গ্যাস ও অন্যান্য উপাদান ( কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাস্প নাইট্রোজেন অক্সাইড প্রভৃতি) পৃথিবীর তাপমাত্রাকে ধরে রাখছে গ্রীন হাউসের কাঁচের দেওয়ালের মতো । কারন, এই গ্যাসগুলিও গ্রীন হাউসের কাঁচের মতো সূর্যের আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গরশ্মিকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়, কিন্তু প্রতিফলিত দীর্ঘ তরঙ্গের অ্যালবেডোকে পুরোপুরি বাইরে বেরোতে বাঁধা দিচ্ছে । ফলে এই বায়ুমন্ডলসহ পৃথিবীর মধ্যে তাপমাত্রা আটকা পড়ে গড় তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে । এই ঘটনাকেই গ্রীন হাউস প্রভাব বা গ্রীন হাউস এফেক্ট (Green House Effect) বলা হচ্ছে ।

 বিভিন্ন গ্রীনহাউস গ্যাসের নাম ও তাদের উৎসঃ গ্রীন হাউস প্রভাব বা গ্রীন হাউস এফেক্ট সৃষ্টিকারী বিভিন্ন গ্যাসগুলি ও তাদের উৎসগুলি হলো নিম্নরূপ –

১.কার্বন-ডাই অক্সাইড:

উৎস- বনজ সম্পদ দহন, আগ্নেয়গিরি, জৈব জ্বালানি, বনভূমি

বিনাশ, ভূমিব্যবহার পদ্ধতি প্রভৃতি ।

২.মিথেন:

উৎস- জলাভূমি, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেলের নির্যাস, জৈবসার, ধান

উৎপাদন, গবাদিপশু প্রভৃতি ।

৩.নাইট্রাস অক্সাইড:

উৎস- বন, ঘাস, সমুদ্র, মাটি, সার, জৈবসার, জৈবজ্বালানী প্রভৃতি

৪.ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC):

উৎস- রেফ্রিজারেটর, এরোসল স্প্রে, ফোম, রং প্রভৃতি ।

৫.ওজোন:

উৎস- প্রাকৃতিকভাবে সূর্যের আলো দ্বারা অক্সিজেন থেকে সৃষ্ট

এবং কৃত্রিমভাবে ফটোকেমিক্যাল ধোয়া উৎপাদন থেকে সৃষ্ট ।

☻ বায়ুমন্ডলে গ্রীন হাউস প্রভাব / গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধির কারণঃ বায়ুমন্ডলে গ্রীন হাউস প্রভাব ও গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধির কারণগুলি হলো নিম্নরূপ –

১) জীবাশ্ম জ্বালানীর পরিমান বৃদ্ধিঃ কলকারখানা, যানবাহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সবকিছুতেই জীবাশ্ম জ্বালানী জ্বালানোর পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে, ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের পরিমাণও দিনে-দিনে লাফিয়ে বাড়ছে ।

২) রাসায়নিক সারের ব্যবহার বৃদ্ধিঃ কৃষিতে নাইট্রোজেন সার (যেমন – ইউরিয়া) ব্যাবহারের ফলে বাড়ছে নাইট্রোজেন অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণও ।

৩) অরণ্যচ্ছেদনঃ গাছপালা উজাড় হওয়ার ফলে বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড শুষে নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে ।

৪) মিথেনের পরিমান বৃদ্ধিঃ গাছপালার পচন, কৃষিজ বর্জ্য এবং জীবজন্তুদের বর্জ্য থেকে সৃষ্ট মিথেন গ্যাসের পরিমাণও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

গ্রীন হাউস প্রভাবের ফলাফলঃ  গ্রীন হাউস প্রভাব বা গ্রীন হাউস এফেক্ট – এর ফলাফলগুলি হলো নিম্নরূপ –

ক) পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিঃ বায়ুমন্ডলে গ্রীন হাউজ প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পৃথিবী গত ২০ লাখ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গরম হয়ে যাবে । ১৮৮০ সাল থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা ০.৬°C বেড়েছে । ২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা ২.৫°C এবং ২০৫০ সাল নাগাদ ৩.৮°C বেড়ে যেতে পারে । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গত ২০০০০ বছরের তুলনায় শেষ শতকে বিশ্বের উষ্ণতা বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে । বিংশ শতাব্দীর দুটি অধ্যায়ে (যথা – ১৯২০–১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দ এবং ১৯৭৬–২০০০ খ্রিষ্টাব্দ) উষ্ণতা সবথেকে বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে । ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে হিসাব করলে বিশ্বের উষ্ণতম দশক হচ্ছে ১৯৯০ এর দশক । নাসার গোদার্দ ইনস্টিটিউট ফর স্পেন স্টাডিজের হিসাব অনুযায়ী ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে উষ্ণতম বছর । কিন্তু ওয়ার্ল্ড মিটিয়েরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট ও ক্লাইমেট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতে উষ্ণতম বছর হলো ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ এবং দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর হলো ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দ ।

খ) মেরু অঞ্চলের বরফ গলনঃ এর ফলে বিষুবীয় ও মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে । মনে করা হচ্ছে, আর ১০০ বছরের মধ্যে সুমেরু কুমেরুতে গরমকালে সমস্ত বরফ জলে পরিনত হবে । শীতে অল্প বরফ থাকবে ।

গ) সমুদ্র জলতলের উচ্চতা বৃদ্ধিঃ ক্রমবর্ধমানহারে গ্রীন হাউজ প্রভাবের ফলে সমুদ্রের স্তর ৩০ – ৪০ সেন্টিমিটার বেড়ে যাবে । এর ফলে পৃথিবীর উপকূলবর্তী এলাকার (পশ্চিমবঙ্গ,বাংলাদেশসহ) একটি বিরাট অংশ সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে ।

ঘ) রোগের প্রকোপ বৃদ্ধিঃ মালেরিয়া, গোদ, কলেরা, ডেঙ্গু বাড়বে; কারণ জল বাড়লে মশা বাড়বে । আরো ভিন্ন রোগ ফিরে আসবে, নতুন রোগ আসবে ।

ঙ) বাস্তুতন্তের বিনাশঃ সমুদ্রে ক্ষারের পরিমাণ কমবে, ফলে ক্ষারে বেচে থাকা জীবের অস্তিত্ব লোপ পেয়ে বাস্তুতন্ত্রের বিনাশ ঘটবে ।

চ) আবহাওয়ার প্রকৃতি পরিবর্তনঃ উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবার ফলে অধঃক্ষেপণের পরিমান, ঝড়ঝঞ্জার প্রকোপ প্রভৃতি বৃদ্ধি পাবে । ঘূর্ণীঝড়ের সংখ্যা ও শক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে । বৃষ্টিবহুল এলাকা নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে ক্রমশ বাড়তে থাকবে । ফলে আবহাওয়ার প্রকৃতি পরিবর্তন হবে ।

ছ) ফসলের ক্ষতিঃ আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে ফসলের সমূহ ক্ষতি হবে এবং উৎপাদন কমে যাবে ।

এছাড়াও, জ) বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, ঝ) পানীয় জলে সংক্রমণ দেখা দেবে, ঞ) বন্যজন্তুর সংখ্যা হ্রাস পাবে, ট) মানুষের আবাসস্থলের সংকট দেখা দেবে, ঠ) বিশ্বজুড়ে খাদ্যভাব প্রকট হবে , ড) স্থানবিশেষে কোথাও ক্ষরা, আবার কোথাও বন্যার প্রকোপ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে । সব মিলিয়ে পৃথিবীতে নতুন নতুন ভৌগোলিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা প্রকট থেকে প্রকটতর হবে ।

গ্রীন হাউস প্রভাব নিয়ন্ত্রনের উপায়ঃ গ্রীন হাউস প্রভাব নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলি হলো নিম্নরূপ –

ক) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার হ্রাসঃ কলকারখানা, যানবাহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সবকিছুতেই জীবাশ্ম জ্বালানী জ্বালানোর পরিমান ক্রমশ যতটা পারা যায় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যাতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ যথাসম্ভব কমাতে সম্ভব হবে ।

খ) রাসায়নিক সারের ব্যবহার হ্রাসঃ কৃষিতে নাইট্রোজেন সার (যেমন – ইউরিয়া) ব্যবহারের ফলে বাড়ছে নাইট্রোজেন অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ । অবিলম্বে কৃষিকাজে রাসায়নিক সারের ব্যবহার যথাসম্ভব কমাতে হবে ।

গ) মিথেন নির্গমনের পরিমাণ হ্রাসঃ গাছপালার পচন, কৃষিজ বর্জ্য এবং জীব জন্তুদের বর্জ্য থেকে সৃষ্ট মিথেন গ্যাসের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে । মিথেনের এই সকল উৎসগুলিকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ।

ঘ) অচিরাচরিত শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধিঃ অচিরাচরিত শক্তি বলতে বোঝায় যেসব শক্তির উৎস পুনর্নবীকরণ করা যাবে অর্থাৎ, ফুরিয়ে গেলেও আবার তৈরি করে নেওয়া সম্ভব । জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহারে বায়ুমন্ডলে গ্রীণ হাউস গ্যাসের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে । ফলে হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ । গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানীর পরিবর্তে বিকল্প জ্বালানী ব্যবহার করলে বায়ুমন্ডলে গ্রীণ হাউস গ্যাস (যেমন – কার্বন-ডাই অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন, ওজোন) এর পরিমাণ কমে আসবে । ফলে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কমে যাবে । সাম্প্রতিক কালে এই অচিরাচরিত শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি নিয়ে ব্যাপকভাবে আলাপ আলোচনা হচ্ছে । এই চিরাচরিত শক্তিগুলি হলো – সৌর শক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, বায়োডিজেল, জোয়ার-ভাটা শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি, আবর্জনা থেকে প্রাপ্ত শক্তি, নিউক্লিয়ার এনার্জি প্রভৃ্তি ।

ঙ) ই-ওয়েস্ট বা ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য আমদানী বন্ধঃ উন্নত বিশ্বের দেশগুলো থেকে নানা ধরণের ই-ওয়েস্ট বা ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য আমদানী হচ্ছে আমাদের দেশে । এভাবে প্রতি বছর প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ব্যবহৃত (সেকেন্ড হ্যান্ড) কম্পিউটার তৃতীয় বিশ্বে পাঠানো হচ্ছে । এসব কম্পিউটারের অন্যতম ক্রেতা হলো – চীন, ভারত ও বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলি । অর্থাৎ, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে পরোক্ষভাবে উন্নত দেশগুলোর ইলেক্ট্রনিক বর্জ্যের আস্তাকুড়ে পরিণত করা হচ্ছে । এই সব ই-বর্জ্যের মধ্যে হাজার হাজার টন সীসাসহ রয়েছে আরও বহু বিষাক্ত উপাদান যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে নিয়ে আসছে । এসব দূষিত বর্জ্য পদার্থ বিভিন্নভাবে গ্রীন হাউস প্রভাব বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সরাসরি কৃষি সম্পদ, মৎস্যসম্পদ, বনজ সম্পদ বিনষ্টেরও অন্যতম কারণ ।

চ) পরিকল্পিত বনায়নঃ বিশ্বজুড়ে যখন গ্রীন হাউস প্রভাবের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষেধক হল অরণ্য । একদিকে অরণ্যচ্ছেদন রোধ ও অন্যদিকে পরিকল্পিতভাবে বনায়নের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যপী গ্রীন হাউস প্রভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ।

ছ) শক্তিসাশ্রয়ী আবাসনঃ আমাদের জীবনযাপনের সবক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে । বড় বড় অট্টালিকা, বাড়িঘর বা বড় দালান নির্মাণে প্রয়োজনীয় খালি জায়গা রাখতে হবে । প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের প্রবেশ যেন সহজে হয় সে ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে যাতে কম বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালাতে হয়, লিফট, জেনারেটর, এয়ার কন্ডিশন এসবের ব্যবহার কমাতে গ্রীণ বিল্ডিং টেকনোলজির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে । শহরের পাশাপাশি গ্রামের বাড়িঘর নির্মাণেও বিদ্যুত সাশ্রয়ী সবুজায়ন প্রয়োজন ।

জ) পরিবেশ রক্ষাসংক্রান্ত চুক্তিগুলির দ্রুত বাস্তব রূপায়ণঃ বিশ্বে ক্রমবর্দ্ধমান গ্রীন হাউস প্রভাব নিয়ে চুক্তিগুলির দ্রুত বাস্তব রূপায়ণ খুবই দরকার । কেবলমাত্র আলাপ-আলোচনা নয়, দরকার গৃহীত সিদ্ধার্ন্তগুলির দ্রুত ও বাস্তব রূপায়ণ ।

ঝ) বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব দ্রব্য ব্যবহারঃ গ্রীন হাউস প্রভাব সৃষ্টিকারী উপাদানগুলির বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব দ্রব্য ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে ।

ঞ) নাগরিক দায়িত্বঃ পরিবেশ রক্ষা নাগরিকদের মৌলিক দায়িত্ব । তাই গ্রীন হাউস প্রভাব সৃষ্টিকারী উপাদানগুলি যাতে পরিবেশে কম পরিমানে উৎপাদিত হয়, সে বিষয়ে সকলকেই দায়িত্বশীল হতে হবে ।

ট) নতুন প্রযুক্তিঃ গ্রীন হাউস প্রভাব প্রতিরোধের চুড়ান্ত উত্তর হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি । তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত উপাদান পরিবর্তন, যানবাহনের দক্ষতা বৃদ্ধি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড পৃথকীকরণ প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রভৃতিসহ বিভিন্ন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও প্রয়োগ করতে হবে ।

7 thoughts on “গ্রীন হাউস প্রভাব বা গ্রীন হাউস এফেক্ট (Green House Effect):

  1. Pingback: বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং (Global Warming): | bhoogolok.com

  2. Pingback: বায়ুমন্ডল (Atmosphere): | bhoogolok.com

  3. Pingback: গ্লোবাল ওয়ার্মিং ও আমার কতিপয় গবেষনা - News Cell

  4. Pingback: গ্লোবাল ওয়ার্মিং ও আমার কতিপয় গবেষনা - News Cell

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.