থার্মোস্ফিয়ার (Thermosphere):

বুৎপত্তিগত অর্থঃ গ্রীক শব্দ “Thermos” এর অর্থ ‘উষ্ণতা’ ও “Sphere” এর অর্থ ‘মন্ডল’ ।

সংজ্ঞাঃ মেসোপজের পর থেকে প্রায় ৫০০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত অবস্থিত হালকা বায়ুস্তরকে থার্মোস্ফিয়ার (Thermosphere) বলা হয় ।

বিস্তারঃ থার্মোস্ফিয়ারের বিস্তার  প্রায় ৯০-৫০০ কিমি ।

বৈশিষ্ট্যঃ থার্মোস্ফিয়ার – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
(ক) উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই স্তরের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে থাকে ।
(খ) হালকা বায়ু দিয়ে গঠিত এই স্তরের ভর বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের মাত্র ০.৫% ।
(গ) এই স্তরের নিম্নভাগে তড়িৎযুক্ত কণা বা আয়নের উপস্থিতি দেখা যায় । তাই থার্মোস্ফিয়ারের নিম্নভাগকে আয়নোস্ফিয়ার বলা হয় । এখানে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, ওজোন প্রভৃতি গ্যাস আয়নিত অবস্থায় থাকে ।
(ঘ) তড়িতাহত অণুর চৌম্বক বিক্ষেপের ফলে সুমেরু ও কুমেরু অঞ্চলে এক রকম উজ্জ্বল আলোক বিচ্ছুরণ দেখা যায়, একে মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা বলে ।
(ঙ) এই স্তর থেকে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে ।

4 comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s