বার্খান (Barkhan):

বুৎপত্তিগত অর্থঃ বার্খান একটি তুর্কি শব্দএর অর্থ হল “কিরঘিজ স্টেপস অঞ্চলের বালিয়াড়ি” ।

সংজ্ঞাঃ উষ্ণ মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের গতিপথে কিছু বালিয়াড়ি আড়াআড়িভাবে অর্ধচন্দ্রাকারে অবস্থান করে । এইপ্রকার বালিয়াড়িকে বার্খান (Barkhan) বলা হয় । মরু পর্যটক হেডিন সর্বপ্রথম এর নামকরণ করেন ।

বার্খান (Barkhan)

বার্খান (Barkhan)

উদাঃ সাহারা মরুভূমিতে অনেক বার্খান দেখা যায় ।   

বৈশিষ্ট্যঃ বার্খান – এর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ –
ক)
বার্খানের সামনের দিকের ঢাল উত্তল (১০°-১৫°) এবং পিছনের দিক অবতল (৩০°) প্রকৃতির হয়ে থাকে ।
খ) বার্খানের দুই প্রান্তে অর্ধচন্দ্রকারে দুটি শিং – এর মত শিরা অবস্থান করে ।
গ) বার্খান বায়ুপ্রবাহের গতির দিকে ক্রমশ ঢালু ও বিপরীত দিকে ক্রমশ খাঁড়াই হয় ।
ঘ) যে সব মরু অঞ্চলে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়, সেখানে বার্খানের সৃষ্টি হয়ে থাকে ।
ঙ) বার্খানগুলির উচ্চতা সাধারণত ১০ – ৩০ মিটারদৈর্ঘ্য ৫০ – ২০০ মিটার এবং প্রস্থ ৪০ – ৭০ মিটার হয়ে থাকে । তবে অনেকক্ষেত্রে এরা ২০ – ৩০ মিটার উঁচু এবং ১৪০ মিটার বা তারও বেশি চওড়া হয় ।
চ) বার্খান মরু অঞ্চলে ল্যান্ডমার্ক হিসাবে কাজ করে ।
ছ) এগুলি বায়ুর প্রবাহপথে আড়াআড়িভাবে অবস্থান করে ।
জ) বিশেষ পরিস্থিতিতে অনেক সময় বার্খান থেকেও সিফ বালিয়াড়ি সৃষ্টি হতে পারে ।

10 comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s