বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ কি কি?

বায়ুপ্রবাহ দ্বারা শিলাস্তূপ তথা ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়কে বায়ুর ক্ষয়কার্য বলে এবং যে পদ্ধতিগুলির মধ্য দিয়ে বায়ুপ্রবাহের এই কার্য সম্পন্ন হয়, তাদের বায়ুর ক্ষয়কার্যের পদ্ধতি বলা হয় । বায়ুপ্রবাহের প্রধান কাজ ক্ষয়সাধন করা । শুষ্ক প্রায় উদ্ভিদশূন্য মরু অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ সহজেই বালুকণাকে উপরে তুলে উড়িয়ে নিয়ে যায় । ভূমিভাগ বা মাটির কাছাকাছি বায়ু প্রবাহের গতিবেগ কম হয় । কারণ ভূমিভাগের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে বায়ুপ্রবাহের শক্তি কিছুটা কমে যায় । আবার মাটি থেকে বেশি উপরে বায়ুতে বাহিত বালিরাশির পরিমাণ কমে যাওয়ার দরুন বায়ুপ্রবাহের ক্ষয় করার শক্তি কম হয় । তাই এর মাঝামাঝি জায়গায় অর্থাৎ , মাটি থেকে মিটারখানেক উপরে বায়ুপ্রবাহের ক্ষয় করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি হয় । কারণ এই অংশে একদিকে বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ থাকে বেশি, আবার অপরদিকে বায়ুতে বালুকণার পরিমাণও থাকে বেশি । সেই জন্য ভূমির কিছু উপরে দন্ডায়মান পাথরের স্তূপ বা শিলাময় ভূমির ক্ষয় বেশি হয় । এর ফলে বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় । বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট এইসকল বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ গুলি হল –
১. গৌর (Gour) [Read More…],
২. ইয়ার্দাং (Yardang) [Read More…],
৩. জুইগেন (Zeugen) [Read More…],
৪. ইনসেলবার্জ (Inselberg) [Read More…] ,
৫. ভেন্টিফ্যাক্ট (Ventifact) [Read More…],
৬. ড্রেইকান্টার (Dreikanter) [Read More…],
৭. অপসারণজনিত গর্ত (Blow-Out) [Read More…],
৮. হামাদা (Hammada) [Read More…] প্রভৃতি ।
***পরবর্তী পোষ্টে উপরিউক্ত ভূমিরূপগুলি সম্পর্কে পর্যায়ক্রমে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

“বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ কি কি?”-এ 4-টি মন্তব্য

  1. দুঃখিত বিশ্বজিৎ, নোটস বলতে যেটা তোমার প্রয়োজন সেটা আমি তোমায় আনঅফিসিয়ালি দিতে পারছি না । তবে এখানে মানে ব্লগে যতটুকু পারি দেওয়ার জন্য টাইপিং করছি; হয়ত আগামীতে কখনও দিতে পারবো ।

মন্তব্য করা বন্ধ রয়েছে।