আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাই, আজ আমরা ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যে বিষয়টি ছাত্রছাত্রীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই বিষয়টি তারা অধ্যায়ন করলে পরীক্ষায় খুব সহজেই ভালো নম্বর অর্যন করতে পারবে। জ্বালামুখ বা ক্রেটার কি এই বিষয়টি নিয়ে নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater) কি ?
সংজ্ঞা:
ভূঅভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা একটি নির্গমন পথের মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হয় । এই নির্গমন পথটির ম্যাগমা উৎক্ষেপকারী ফানেলাকৃতি খোলা অংশটিকে জ্বালামুখ বা ক্রেটার (Crater) বলে ।
উদাহরণ:
আলাস্কার অনিয়াচাক আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ পৃথিবীর বৃহত্তম জ্বালামুখ ।
শ্রেণীবিভাগ:
প্রকৃতি অনুসারে জ্বালামুখ মূলত দুই প্রকার । যথা-
- প্রধান জ্বালামুখ ও
- গৌণ জ্বালামুখ ।
গঠন অনুসারে জ্বালামুখ মূলত চার প্রকার । যথা-
- বিস্ফোরিত জ্বালামুখ,
- কিনারা গঠিত জ্বালামুখ,
- ধ্বস জ্বালামুখ
- পিট জ্বালামুখ ।
বৈশিষ্ট্য:
জ্বালামুখ বা ক্রেটার-এর বৈশিষ্ট্যগুলি হল নিম্নরূপ –
- জ্বালামুখের ব্যাস কয়েক মিটার থেকে কয়েক কিমি পর্যন্ত হতে পারে ।
- জ্বালামুখ দিয়ে গ্যাস, পাইরোক্লাস্টিক পদার্থ, লাভা প্রভৃতি নির্গত হয় ।
- জ্বালামুখ আগ্নেয় পদার্থ জমাট বেঁধে বন্ধ হয়ে গেলে তাতে জল জমে যে হ্রদ সৃষ্টি হয়, তাকে জ্বালামুখ হ্রদ বা ক্রেটার হ্রদ (Crater Lake) বলে ।
উপরের বিষয়টি থেকে কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই নিচে মন্তব্য করুন এবং বিষয়টি আপনার পছন্দ হলে আপনার বন্ধুদের কাছেও শেয়ার করুন। বিষয়টি পরে অধ্যায়ন করার জন্য বা নিজের কাছে সংরক্ষিত করে রাখার জন্য সরাসরি পিডিএফ (PDF) ফাইল ডাউনলোড করুন ধন্যবাদ।